1. প্রাতরাশ’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
ক)
প্রাত + আশ
খ)
প্রাতঃ + আঁশ
গ)
প্রাতঃ + আশ
ঘ)
প্রাতঃ + রাশ
উত্তর:
প্রাতঃ + আশ
ব্যাখ্যা:
অ-ধ্বনির সঙ্গে বিসর্গ এবং পরে অ, আ, উ-ধ্বনি থাকলে বিসর্গ ও অ-ধ্বনি মিলিত হয়ে ‘র’ হয়। যেমন— পুনঃ + অধিকার = পুনরধিকার, প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ, পুনঃ + আবৃত্তি = পুনরাবৃত্তি, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি
2. ‘পূর্বাশা’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
ক)
সঞ্জয় ভট্টাচার্য
খ)
বুদ্ধদেব বসু
গ)
অজিতকুমার দত্ত
ঘ)
দীনেশরঞ্জন দাশ
উত্তর:
সঞ্জয় ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা:
‘পূর্বাশা’ ছিল একটি মাসিক পত্রিকা। এর সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য। প্রথম প্রকাশ: ১৯৩২ সাল, কুমিল্লা। ১৯৪৩ সালে কলকাতা থেকে পুনঃপ্রকাশ। ১৯৭১ সালে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়। দীনেশরঞ্জন দাশ → ‘কালোল’ বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত → ‘প্রগতি’ উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা
3. নিয়ম অনুযায়ী ‘মূর্ধন্য ষ’ ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
ক)
ষড়যন্ত্র
খ)
কৃষক
গ)
পৌষ
ঘ)
ভষণ
উত্তর:
কৃষক
ব্যাখ্যা:
নিয়ম অনুযায়ী ‘মূর্ধন্য ষ’ ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে? A. ষড়যন্ত্র B. কৃষক C. পৌষ D. ভষণ Right Answer: B Explanation: ‘ঋ’ এবং ‘ঋ-কার’-এর পরে ‘ষ’ হয়। যেমন— ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি। উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
4. চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য কোনটি?
ক)
পদবিন্যাস সুসংযত ও সুসংহত
খ)
ধ্রুপদী বৈশিষ্ট্যপূর্ণ
গ)
তৎসম শব্দবহুল
ঘ)
ভাষার গতি লঘু ও চঞ্চল
উত্তর:
ভাষার গতি লঘু ও চঞ্চল
ব্যাখ্যা:
চলিত ভাষার গতি লঘু, চঞ্চল ও সাবলীল। এ ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ বেশি ব্যবহৃত হয়। সংলাপ, নাটক ও কথ্য ভাষায় চলিত রীতি ব্যবহৃত হয়।
5. ‘টীকাভাষ্য’ কোন সমাস?
ক)
কর্মধারয় সমাস
খ)
দ্বন্দ্ব সমাস
গ)
বহুব্রীহি সমাস
ঘ)
তৎপুরুষ সমাস
উত্তর:
দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা:
টীকা + ভাষ্য = টীকাভাষ্য উভয় পদের সমান গুরুত্ব থাকায় এটি দ্বন্দ্ব সমাস। যেমন— ক্ষুধা-পিপাসা, কুশীলব, কীতি-খ্যাতি।
6. তৎসম উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
ক)
পরাজয়
খ)
ভরসন্ধ্যা
গ)
ইতিবৃত্ত
ঘ)
রামছাগল
উত্তর:
পরাজয়
ব্যাখ্যা:
পরা’ একটি তৎসম উপসর্গ। পরাজয়, পরাভব— শব্দবিপরীত অর্থে ব্যবহৃত। ভর, ইতি, রাম— বাংলা উপসর্গ।
আরও পড়ুন:
7. নিশ্চয়ই পারব।’— এখানে ‘নিশ্চয়ই’ কোন প্রকার অব্যয়?
ক)
পদান্বয়ী
খ)
সমুচ্চয়ী
গ)
অনুকার
ঘ)
অনন্বয়ী
উত্তর:
অনন্বয়ী
ব্যাখ্যা:
যে অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে— তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন— হ্যাঁ, না, নিশ্চয়ই।
8. চ, ছ, জ, ঝ’ কোন ধরনের ব্যঞ্জন?
ক)
তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন
খ)
মূর্ধন্য স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন
গ)
দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন
ঘ)
ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন
উত্তর:
তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা:
চ, ছ, জ, ঝ উচ্চারণস্থানের দিক থেকে তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন।
9. সবুজপত্র’ পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়?
ক)
১৮১৪
খ)
১৯২৪
গ)
১৯১৪
ঘ)
১৯৩৪
উত্তর:
১৯১৪
ব্যাখ্যা:
১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ‘সবুজপত্র’ প্রকাশিত হয়। এটি চলিত গদ্যরীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
10. শূন্যপুরাণ’ গ্রন্থটির নামকরণ ও প্রকাশ করেন কে?
ক)
রামাই পণ্ডিত
খ)
নাগেন্দ্রনাথ বসু
গ)
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ঘ)
হলায়ুধ মিশ্র
উত্তর:
নাগেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা:
নাগেন্দ্রনাথ বসু ১৩১৪ বঙ্গাব্দে ‘শূন্যপুরাণ’ নামকরণ করে প্রকাশ করেন।