1. অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ নয় কোনটি?
a) মোটা-সোটা
b) ঘর-টর
c) গুটিশুটি
d) কুটুস-কুটুস
Answer: কুটুস-কুটুস
Explanation: অনুকার দ্বিত্ব হলো কাছাকাছি ধ্বনিযুক্ত শব্দের পুনরুক্তি, যেখানে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয়। উদাহরণ— মোটা-সোটা গুটিশুটি ঘর-টর কুটুস-কুটুস হলো ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব, কারণ এটি ধ্বনির অনুকরণে তৈরি।
2. ‘ছুঁচোর কেত্তন’ বাগধারার অর্থ কী?
a) আজগুবি কাহিনি
b) নিতান্তই অলস
c) অবিরাম কলহ
d) আশায় নিরাশ্য
Answer: অবিরাম কলহ
Explanation: ‘ছুঁচোর কেত্তন’ অর্থ— অনবরত ঝগড়া বা কলহ। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা— রামগরুড়ের ছানা → গোমড়া মুখ, গুড়ে বালি → আশায় নিরাশা, গোঁফ খেজুরে → নিতান্ত অলস, 'লগন চাঁদা ' - ভাগ্যবান। আষাঢ়ে গল্প - আজগুবি কাহিনি । 'কালে ভদ্রে '- কদাচিৎ। 'কুয়োর ব্যাঙ'- সংকীর্ণমনা লোক। 'খয়ের খাঁ ' - চাটুকার।
3. মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজীবনীমূলক রচনা কোনটি?
a) গাজী মিয়াঁর বস্তানী
b) বেহুলা গীতাভিনয়
c) বিষাদ-সিন্ধু
d) জমিদার দর্পণ
Answer: গাজী মিয়াঁর বস্তানী
Explanation: এটি মীর মশাররফ হোসেনের কর্মজীবননির্ভর আত্মজীবনীমূলক রচনা, প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে। এতে সমাজের অন্যায়, কুসংস্কার ও নৈতিক অবক্ষয় ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
4. নিচের কোনটি অনন্বয়ী অব্যয়?
a) তাই
b) কিংবা
c) নিশ্চয়ই
d) অধিকন্তু
Answer: নিশ্চয়ই
Explanation: যে অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। উদাহরণ— নিশ্চয়ই আলবত বটে অন্যদিকে তাই, কিংবা, অধিকন্তু হলো সমুচ্চয়ী অব্যয়।
5. কোন শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন?
a) রাজপুত
b) জলধি
c) প্রবীণ
d) কর্তব্য
Answer: কর্তব্য
Explanation: যেসব শব্দে ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই থাকে, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলা হয়। কর্তব্য = কৃ + তব্য অর্থ: যা করা উচিত — ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার উভয় অর্থেই একই। অন্যগুলো— রাজপুত → যোজরূঢ়, জলধি → যোজরূঢ়, প্রবীণ → রূঢ়ি শব্দ
6. ‘কণ্ঠস্বর’ পত্রিকার সম্পাদক কে?
a) আবদুল্লাহ আবু সাঈদ
b) সিকান্দার আবু জাফর
c) আব্দুর রশীদ খান
d) আবু জাফর শামসুদ্দীন
Answer: আবদুল্লাহ আবু সাঈদ
Explanation: ‘কণ্ঠস্বর’ শুধু একটি পত্রিকা নয়, বরং একটি সাহিত্যিক আন্দোলনের সূতিকাগার। এর সম্পাদক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ, যিনি সাহিত্যচর্চা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
7. কৃদন্ত পদের পূর্বের পদকে কী বলা হয়?
a) পূর্বপদ
b) প্রাতিপদিক
c) উপপদ
d) ক্রিয়াপদ
Answer: উপপদ
Explanation: কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দকে কৃদন্ত পদ বলা হয়। এই কৃদন্ত পদের আগে যে নামপদ যুক্ত থাকে, তাকে উপপদ বলে। যেমন— কুম্ভকার → কুম্ভ (উপপদ) + কার ছেলেধরা → ছেলে (উপপদ) + ধরা এই ধরনের সমাসকে বলা হয় উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
8. ‘অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে?’ পঙ্ক্তিটি কার রচনা?
a) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
b) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Answer: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation: এই পঙ্ক্তিটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কবিতা ‘উটপাখি’ থেকে নেওয়া, যা তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘ক্রন্দসী’-তে (১৯৩৭) অন্তর্ভুক্ত। তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ— তন্বী অর্কেস্ট্রা উত্তর ফাল্গুনী সংবর্ত দশমী
9. কোনটি ফারসি শব্দ?
a) কসাই
b) গৃহিণী
c) রোজনামা
d) চাহিদা
Answer: রোজনামা
Explanation: ‘রোজনামা’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত। অর্থ: প্রতিদিন, দৈনিক হিসাব বা দিনলিপি। অন্যদিকে— গৃহিণী → সংস্কৃত, কসাই → আরবি, চাহিদা → বাংলা
10. ‘কবুতর’-এর প্রতিশব্দ কোনটি?
a) বায়স
b) নোটন
c) কেকী
d) শিখণ্ডী
Answer: নোটন
Explanation: ‘কবুতর’ শব্দের প্রতিশব্দ— কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন অন্যদিকে— বায়স → কাকের প্রতিশব্দ, কেকী, শিখণ্ডী → ময়ূরের প্রতিশব্দ
11. ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ গানের গীতিকার কে?
a) আপেল মাহমুদ
b) নজরুল ইসলাম বাবু
c) গোবিন্দ হালদার
d) আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
Answer: গোবিন্দ হালদার
Explanation: গোবিন্দ হালদার ছিলেন একজন প্রখ্যাত গীতিকার ও কবি। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে বহু উদ্দীপনামূলক গান রচনা করেন। উল্লেখযোগ্য গান— মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে পদ্মা মেঘনা যমুনা ২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার সর্বকালের সেরা ২০টি গানের তালিকায় তাঁর দুটি গান স্থান পায়।
12. বাংলা সাহিত্যে মর্সিয়া সাহিত্যের প্রথম কাব্য কোনটি?
a) জয়নবের চৌতিশা
b) লায়লী মজনু
c) সত্যপীরবিজয়
d) গোরক্ষবিজয়
Answer: জয়নবের চৌতিশা
Explanation: বাংলা সাহিত্যে মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি হলেন শেখ ফয়জুল্লাহ। তাঁর রচিত ‘জয়নবের চৌতিশা’ মর্সিয়া সাহিত্যের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি কারবালার ঘটনা অবলম্বনে রচিত ১৬শ শতকের মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন শেখ ফয়জুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ— সত্যপীরবিজয় গোরক্ষবিজয় গাজীবিজয়
13. বিদেশি উপসর্গ সাধিত শব্দ কোনটি?
a) অঘারাম
b) আকাল
c) অবগাহন
d) বনাম
Answer: বনাম
Explanation: বিদেশি উপসর্গের উদাহরণ— আরবি উপসর্গ: আম্, খাস, লা, গর্, ফারসি উপসর্গ: কার্, দর্, না, নিম্, ফি, বদ্, বে, বর্, উর্দু-হিন্দি উপসর্গ: হর, ইংরেজি উপসর্গ: ফুল, হাফ, হেড, সাব ‘বনাম’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ফারসি উপসর্গ ‘ব’ যোগে, তাই এটি বিদেশি উপসর্গ সাধিত শব্দ। অন্যদিকে— আকাল → তৎসম ‘আ’ উপসর্গ অবগাহন → তৎসম ‘অব’ উপসর্গ অঘারাম → খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘অঘা’
Read More:
14. “তোমার মতো” এক কথায় কী হবে?
a) ত্বাদৃশ
b) তদ্রূপ
c) তাদৃশ
d) তনিমা
Answer: ত্বাদৃশ
Explanation: ‘তোমার মতো’ = ত্বাদৃশ, ‘তার মতো’ = তাদৃশ, ‘তনুর ভাব’ = তনিমা, ‘সেইইকরম’ = তদ্রূপ
15. “সাধের আসন” কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
a) ইসমাইল হোসেন সিরাজী
b) বিহারী লাল চক্রবর্তী
c) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d) দীনবন্ধু মিত্র
Answer: বিহারী লাল চক্রবর্তী
Explanation: ‘সাধের আসন’ – বিহারী লাল চক্রবর্তী, ১৮৮৯ অন্যান্য গ্রন্থ: স্বপ্নদর্শন, সঙ্গীত শতক, বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গ সন্দর্শন, বন্ধুবিয়োগ, সারদা মঙ্গল, প্রেম প্রবাহিনী
16. Concealment এর বাংলা অর্থ কী?
a) গোপন
b) পরিপক্ব
c) সম্মেলন
d) আস্থাবান
Answer: গোপন
Explanation: Concealment = গোপন, Conference = সম্মেলন, Confident = আস্থাবান, Mature = পরিপক্ব
17. “সোহানী” চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পে?
a) ল্যাবরেটরি
b) হৈমন্তী
c) ডাকঘর
d) নষ্টনীড়
Answer: ল্যাবরেটরি
Explanation: ‘ল্যাবরেটরি’ গল্পে প্রধান চরিত্র সোহানী। ‘হৈমন্তী’ গল্পের চরিত্র: হৈমন্তী, গৌরী শংকর, অপু ‘নষ্টনীড়’ গল্পের চরিত্র: চারুলতা, অমল, ভূপতি
18. মুক্তি যুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
a) নরক লাল গোলাপ
b) ওঙ্কার
c) জীবন আমার বোন
d) কালো বরফ
Answer: জীবন আমার বোন
Explanation: ‘জীবন আমার বোন’ – মাহমুদুল হক রচিত, ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত। ‘কালো বরফ’ – দেশভিত্তিক উপন্যাস ‘নরক লাল গোলাপ’ – মুক্তি যুদ্ধ নাটক (আলাউদ্দিন আল আজাদ) ‘ওঙ্কার’ – উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান পটভূমি
19. ১৯২০ সালে প্রথম চর্যা পদে ভাষা নিয়ে আলোচনা করেছেন?
a) ড. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
b) ড. শশি ভূষণ দাশগুপ্ত
c) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d) ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
Answer: ড. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
Explanation: ড. বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে চর্যা পদে ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন। ১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করেন। ১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষা বিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন। ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী , ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমা র সেন, ড. শশি ভূষণ দাশগুপ্ত চর্যা পদের ভাষা , বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে -চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যা পদের ধর্মতত্ত্ব বিশ্লেষণ করেন। ১৯৪৬ সালে ড. শশি ভূষণ দাশগুপ্ত সহজযান প্রসঙ্গে চর্যা পদের অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেন।
20. বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জন নিয়ে ব্যাখ্যায় কোন অংশে আলোচনা করা হয়?
a) শব্দতত্ত্বে
b) বাক্যতত্ত্বে
c) অর্থতত্ত্বে
d) ধ্বনিতত্ত্বে
Answer: অর্থতত্ত্বে
Explanation: অর্থতত্ত্ব: শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা হয়। বিপরীত শব্দ, শব্দযৌগ, ব্যাখ্যা ইত্যাদি আলোচ্য।
21. কোনটি বিশেষ্য পদ?
a) চিরন্তন
b) প্রস্তুত
c) দুঃসাহসী
d) অভিমুখিতা
Answer: অভিমুখিতা
Explanation: বিশেষ্য: নাম বোঝায়। যেমন: মানুষ, রাজ্য, দেশ, অভিমুখিতা, বিশেষণ: বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়ার গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বোঝায়। উদাহরণ বিশেষণ: দুঃসাহসী, চিরন্তন, প্রস্তুত
22. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনযোজিত শব্দ কোনটি?
a) কাকা
b) চাঁদ
c) রাত
d) গঙ্গা
Answer: রাত
Explanation: দন্তমূলী ব্যঞ্জন: উচ্চারণের সময় জিভের ডগা দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে ধ্বনি সৃষ্টি করে। উদাহরণ: ন, র, ল, স (যেমন: রাত, লাল, সালাম) কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন: জিভের পেছনের অংশ বা নরম তালুর পাশে ধ্বনি সৃষ্টি (যেমন: ক, খ, গ, ঘ, ঙ → কাকা, গঙ্গা)
23. মূর্ধন্য 'ষ' এর শুদ্ধ ব্যবহার ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
a) সংস্কৃত্য
b) সুষুপ্ত
c) সংস্কৃতি
d) সংষ্কার
Answer: সুষুপ্ত
Explanation: সুষুপ্ত শব্দে 'ষ' ধ্বনির শুদ্ধ ব্যবহার আছে। ‘সংষ্কার’ = সংস্কার ‘সংস্কৃত্য’ = সংস্কৃত্য ‘সংস্কৃতি’ = সংস্কৃতি ‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম: ঋ বা ঋ-কার পর: ঋষি, কৃষক ট-বর্গ ধ্বনির সাথে: কষ্ট, স্পষ্ট অ/আ ভিন্ন স্বরধ্বনি এবং ক/র-এর পরে: ভবিষ্যৎ, চক্ষুষ্মান ই/উ-কার উপসর্গে: অভিষেক, সুষুপ্ত, অনুষঙ্গ তৎসম ‘র’-এর পরে: বর্ষা, ঘর্ষণ
24. বাক্যের কোনো অংশ বাদ দিতে চাইলে কোন চিহ্ন ব্যবহার হয়?
a) ত্রিবিন্দু (…)
b) হাইফেন (-)
c) ড্যাশ (-)
d) বন্ধনী
Answer: ত্রিবিন্দু (…)
Explanation: ত্রিবিন্দু (…) – বাক্যের কোনো অংশ বাদ দিতে ব্যবহার হয়। উদাহরণ: “তিনি রেগে গিয়েই বললেন, ‘তার মানে তুমি একটা …’” ড্যাশ (-) – দুটি বাক্যকে যুক্ত করতে বা ব্যাখ্যার আগে-পরে। বন্ধনী ((), {}, []) – অতিরিক্ত তথ্য বা মন্তব্যের জন্য। হাইফেন (-) – একাধিক পদ সংযুক্ত করতে। যেমন: মা-বাবা
25. নিচের কোনটিতে পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয়?
a) ব্যঞ্জনধ্বনি
b) দ্বিস্বরধ্বনি
c) অর্ধ-দ্বিস্বরধ্বনি
d) মিশ্রধ্বনি
Answer: দ্বিস্বরধ্বনি
Explanation: দ্বিস্বরধ্বনি: পূর্ণস্বরধ্বনি এবং অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। উদাহরণ: ‘লাউ’ শব্দে [আ] পূর্ণস্বরধ্বনি এবং [উ] অর্ধস্বরধ্বনি মিলিয়ে দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি হয়। অন্যান্য উদাহরণ: [আই]: তাই, নাই [এই]: সেই, নেই [উই]: দুই, রুই [ওউ]: মৌ, বউ