Exams Study Jobs Teachers Students Login

পড়াশোনা মোড

সন্ধি বিচ্ছেদ ও কারক-বিভক্তি, যুক্তাক্ষর বিশ্লেষণ।

Bengali Lesson
20 টি প্রশ্ন
University Of Dhaka
প্রশ্ন 01

সন্ধি বলতে বুঝায়-

1) ক) ধ্বনির মিলন
2) খ) শব্দের মিলন
3) গ) ধাতুর মিলন
4) ঘ) পদের মিলন

ব্যাখ্যা

পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। - পৃথিবীর বহু ভাষায় পাশাপাশি শব্দের একাধিক ধ্বনি নিয়মিতভাবে সন্ধিবদ্ধ হলেও বাংলা ভাষায় তা বিরল। - যেমন আমি এখন চা আনতে যাই বাংলা ভাষার এই বাক্যটিকে সন্ধির সূত্র মনুযায়ী ‘আম্যেখন চানতে যাই বলা যায় না। - তবে বাংলা ভাষায় উপসর্গ, প্রত্যয় ও সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে।

প্রশ্ন 02

বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে কোন পদের সম্পর্ককে কারক বলে?

1) ক) বিশেষ্য
2) খ) বিশেষণ
3) গ) বিশেষ্য ও সর্বনামের
4) ঘ) বিশেষ্য ও বিশেষণের

ব্যাখ্যা

মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। - কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে। কারক ছয় প্রকার : কর্তা কারক কর্ম কারক করণ কারক অপাদান কারক অধিকরণ কারক ও সম্বন্ধ কারক।

প্রশ্ন 03

নিম্নের কোনটি স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ নয়?

1) ক) ব্জ
2) খ) স্খ
3) গ) ন্ড
4) ঘ) হু

ব্যাখ্যা

হু (হ্+উ) = অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ • একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ। • স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ন্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ণ্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, প্স, ব্জ, ব্দ, ম্ফ, ল্ক, ল্গ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ্ল, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি। • অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: - ক্ত (ক্+ত), - ক্ম (ক্+ম), - ক্ষ (ক্+ষ), - ক্ষ্ম (ক্+ষ্+ম), - ক্স (ক্+স), - গু (গ্+উ), - গ্ধ (গ্+ধ), - ঙ্গ (ঙ্+গ), - জ্ঞ (জ+ঞ), - ঞ্চ (ঞ+চ), - ঞ্জ (ঞ+জ), - ষ্ণ (ষ্+ণ) - হু (হ্+উ), - শু (শ্‌+উ) - হৃ (হ+ঋ), - হ্ন (হ্+ন), - হ্ম (হ্+ম) ইত্যাদি।

প্রশ্ন 04

অধিকরণ কারকে সাধারণত কোন বিভক্তি হয়?

1) ক) তৃতীয়া
2) খ) পঞ্চমী
3) গ) ষষ্ঠী
4) ঘ) সপ্তমী

ব্যাখ্যা

অধিকরণ কারক যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। - এই কারকে সাধারণত ‘এ’, ‘য়’, ‘সে’, ‘-তে’ ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। - ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ সপ্তমী বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত। যেমন – বাবা বাড়িতে আছেন। বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে। রাজীব বাংলা ব্যাকরণে ভালাে।

প্রশ্ন 05

'যুক্তবর্ণ' শব্দের যুক্তবর্ণে কোন দুটি বর্ণ যুক্ত হয়েছে?

1) ক) ত্‌ + ত
2) খ) ক্‌ + ত
3) গ) ত্‌ + ক
4) ঘ) ত্ত + ক

ব্যাখ্যা

'যুক্তবর্ণ' শব্দের যুক্তবর্ণ = ক্ত ক্ত = ক্‌ + ত

প্রশ্ন 06

নিম্নের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ?

1) ক) গোষ্পদ
2) খ) গবাক্ষ
3) গ) শয়ন
4) ঘ) শুভেচ্ছা

ব্যাখ্যা

কিছু স্বরসন্ধি সূত্র অনুসরণ করে না, সেগুলােকে নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে। যেমন – - কুল+অটা = কুলটা (সূত্র অনুসারে কুলাটা হওয়ার কথা)। - গাে+অক্ষ = গবাক্ষ (সূত্র অনুসারে গবক্ষ হওয়ার কথা) ইত্যাদি। অন্যদিকে, গোষ্পদ = গাে+পদ [ নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ] শয়ন = শে+অন [ এ+ অন্য ঘর = অ+স্বর সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ] শুভেচ্ছা = শুভ+ইচ্ছা [ অ/আ+ই/ঈ = এ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ]

প্রশ্ন 07

'হ্ণ’ শব্দে যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ-

1) ক) হ্‌ + ন
2) খ) ন্‌ + হ
3) গ) হ্ + ণ
4) ঘ) ণ্‌ + হ

ব্যাখ্যা

'হ্ণ' যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ হল হ্ + ণ। উদাহরণ- অপরাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ ইত্যাদি।

প্রশ্ন 08

'পুনর্মিলন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

1) ক) পুনরায়+মিলন
2) খ) পূর্ণ+মিলন
3) গ) পুনঃ+মিলন
4) ঘ) পুন+মিলন

ব্যাখ্যা

'পুনর্মিলন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = পুনঃ+মিলন। - এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। - এখানে বিসর্গ র’ হয়ে যায়।

প্রশ্ন 09

কোনটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ?

1) ক) নীরােগ
2) খ) ষষ্ঠ
3) গ) স্বল্প
4) ঘ) পরিচ্ছেদ

ব্যাখ্যা

নীরােগ = নিঃ+রােগ; এটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ। এরূপ সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়। অনুরূপভাবে: - নিঃ+রব = নীরব, - নিঃ+রস = নীরস। অন্যদিকে, স্বল্প = সু+অল্প [স্বরসন্ধি] পরিচ্ছেদ = পরি+ছেদ [ব্যঞ্জনসন্ধি] ষষ্ঠ = ষষ্‌+থ [ব্যঞ্জনসন্ধি]

প্রশ্ন 10

'শত্রু' শব্দের যুক্তবর্ণে কোন কোন বর্ণ যুক্ত হয়েছে?

1) ক) ত্‌ + র
2) খ) এ + উ
3) গ) ত্‌ + উ
4) ঘ) ত্‌ + র + উ

ব্যাখ্যা

'শত্রু' শব্দে যুক্তবর্ণ ত্রু। ত্রু = ত্‌ + র + উ উদাহরণ - শত্রু, ত্রুটি ইত্যাদি।

প্রশ্ন 11

নিম্নের কোন সন্ধিতে বিসর্গ 'র’ হয়ে যায়?

1) ক) নীরস
2) খ) পুরস্কার
3) গ) তিরােধান
4) ঘ) পুনর্মিলন

ব্যাখ্যা

বিসর্গসন্ধি বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়: বিসর্গ বিদ্যমান থাকে: মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট, অধঃ+পতন = অধঃপতন, বয়ঃসন্ধি = বয়ঃসন্ধি। বিসর্গ ও হয়ে যায়; মনঃ+যােগ = মনােযােগ, তিরঃ+ধান = তিরােধান, তপঃ+বন = তপোবন। বিসর্গ র’ হয়ে যায়: নিঃ+আকার = নিরাকার, পুনঃ+মিলন = পুনর্মিলন, আশীঃ+বাদ = আশীর্বাদ। বিসর্গ শ/ষ/ হয়: নিঃ+চয় = নিশ্চয়, দুঃ+কর = দুষ্কর, পুরঃ+কার = পুরস্কার। কিছু কিছু সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়: নিঃ+রব = নীরব, নিঃ+রস = নীরস, নিঃ+রােগ = নীরােগ।

প্রশ্ন 12

‘ঞ্জ’ যুক্তবর্ণের মধ্যে কোন কোন বর্ণ আছে?

1) ক) জ্‌ + ণ
2) খ) জ্‌ + ঞ
3) গ) ঞ্‌ + জ
4) ঘ) জ্‌ + ন +ঞ

ব্যাখ্যা

'ঞ্জ'= ঞ্‌ + জ উদাহরণ- অঞ্জন, গঞ্জনা, গঞ্জ, রঞ্জন, কুঞ্জ ইত্যাদি।

প্রশ্ন 13

'তন্বী' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

1) ক) তনু + ই
2) খ) তনু + ঈ
3) গ) তনূ + ই
4) ঘ) তনূ + ঈ

ব্যাখ্যা

উ-কার কিংবা উ-কারের পর উ-কার ও উ-কার ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে উ বা উ স্থানে ব-ফলা হয় এবং লেখার সময় ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন উ + ই = ব + ই ------ অনু + ই = অন্বিত। উ + এ = ব + এ ------- অনু + এষণ = অন্বেষণ। উ + অ = ব + অ -------- সু + অল্প = স্বল্প। উ + আ = ব + আ -------- সু + আগত = স্বাগত। উ + ঈ = ব + ঈ ------- তনু + ঈ = তন্বী। এরূপ- অন্বয়, মন্বন্তর, পশ্বাচার, পশ্বধম ইত্যাদি।

প্রশ্ন 14

বাক্যে গৌণ কর্মের সঙ্গে কোন বিভক্তির প্রয়ােগ হয়?

1) ক) -কে
2) খ) -এ
3) গ) -র
4) ঘ) -এ

ব্যাখ্যা

-কে, -রে বিভক্তি বাক্যে গৌণকর্মের সঙ্গে সাধারণত -কে এবং -রে বিভক্তি বসে। ক্রিয়াকে 'কাকে' প্রশ্ন করলে যে শব্দ পাওয়া যায় তার সঙ্গে এই বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন – শিশুকে, দরিদ্রকে, আমাকে, আমারে ইত্যাদি।

প্রশ্ন 15

'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি?

1) ক) ষ্ + ঞ
2) খ) ষ্ + ণ
3) গ) ষ্ + ন
4) ঘ) ষ্ + ম

ব্যাখ্যা

'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি ষ্ + ণ দুটি বর্ণ নিয়ে গঠিত। আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ: ঙ্ + গ = ঙ্গ ন্ + ধ = ন্ধ হ্ + উ = হু হ্ + ঋ = হৃ হ্ + ন = হ্ন হ্ + ম = হ্ম ণ্ + ড = ণ্ড

প্রশ্ন 16

'পদস্খলন' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

1) ক) পদ্‌ + সলন
2) খ) পদ + স্থলন
3) গ) পদঃ + খলন
4) ঘ) পদ + খলন

ব্যাখ্যা

অঘােষ অল্পপ্রাণ ও অঘােষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘােষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পস্থিত বিসর্গ স্থালে অঘােষ মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি (ষ) হয়। যেমন অ এর পরে বিসর্গঃ + ক = স + ক ---- নমঃ + কার = নমস্কার। অ এর পরে বিসর্গঃ + খ = স + খ------পদঃ + খলন =পদস্খলন।

প্রশ্ন 17

বাক্যের মধ্যে পরবর্তী শব্দের সঙ্গে সম্বন্ধ বােঝাতে কোন বিভক্তি হয়?

1) ক) -এ
2) খ) -র
3) গ) -কে
4) ঘ) -তে

ব্যাখ্যা

• বাক্যের মধ্যে পরবর্তী শব্দের সঙ্গে সম্বন্ধ বােঝাতে পূর্ববর্তী শব্দের সঙ্গে র, -এর এবং -য়ের বিভক্তি যুক্ত হয়। - সাধারণত আ-কারান্ত, ই/ঈ-কারান্ত ও উ/ঊ-কারান্ত শব্দের শেষে -র বিভক্তি বসে। যেমন - রাজার, প্রজার, হাতির, বুদ্ধিজীবীর, তনুর, বধুর। • যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন নেই, সেসব শব্দের শেষে -এর বিভক্তি হয়। যেমন – বলের, শব্দের, নজরুলের, সাতাশের ইত্যাদি। • শব্দের শেষে দ্বিস্বর থাকলে -য়ের বিভক্তি হয়। যেমন – ভাইয়ের, বইয়ের, লাউয়ের, মৌয়ের ইত্যাদি।

প্রশ্ন 18

কোনটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ নয়?

1) ক) শু
2) খ) ক্ত
3) গ) ন্ড
4) ঘ) উপরের সবগুলো

ব্যাখ্যা

ন্ড (ন+ড) = স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ। • একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ। • স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, , ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ণ্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, প্স, ব্জ, ব্দ, ম্ফ, ল্ক, ল্গ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ্ল, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি। • অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: - ক্ত (ক্+ত), - ক্ম (ক্+ম), - ক্ষ (ক্+ষ), - ক্ষ্ম (ক্+ষ্+ম), - ক্স (ক্+স), - গু (গ্+উ), - গ্ধ (গ্+ধ), - ঙ্গ (ঙ্+গ), - জ্ঞ (জ+ঞ), - ঞ্চ (ঞ+চ), - ঞ্জ (ঞ+জ), - ষ্ণ (ষ্+ণ) - হু (হ্+উ), - শু (শ্‌+উ) - হৃ (হ+ঋ), - হ্ন (হ্+ন), - হ্ম (হ্+ম) ইত্যাদি।

প্রশ্ন 19

অ/আ + অ/আ = আ সূত্রের উদাহরণ কোনটি?

1) ক) জনৈক
2) খ) নাবিক
3) গ) অতীন্দ্রিয়
4) ঘ) উত্তরাধিকার

ব্যাখ্যা

অ/আ+অ/আ = আ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধিসমূহ- - উত্তর+অধিকার = উত্তরাধিকার, - আশা+অতীত = আশাতীত অন্যদিকে, - অতি+ইন্দ্রিয় = অতীন্দ্রিয় [ ই/ঈ+ই/ঈ = ঈ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ] - নৌ+ইক = নাবিক [ ঔ+অন্য স্বর = আবৃ+স্বর সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ] - জন+এক = জনৈক [ অ/আ+এ/ঐ = ঐ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ]

প্রশ্ন 20

ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করে কোন কারক?

1) ক) অপাদান কারক
2) খ) অধিকরণ কারক
3) গ) করণ কারক
4) ঘ) সম্বন্ধ কারক

ব্যাখ্যা

অপাদান কারক যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - এই কারকে সাধারণত 'হতে’, ‘থেকে' ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দের পরে বসে। যেমন – জমি থেকে ফসল পাই। কাপটা উঁচু টেবিল থেকে পড়ে ভেঙে গেল।

ভুল সংশোধন রিপোর্ট