শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি
What is the collective noun for "wolf"?
ব্যাখ্যা
• The collective noun for "wolf" is- Pack. • Pack (Collective noun) - English Meaning: a group of animals, such as dogs, that live and/or hunt together. - Bangla Meaning: একত্রে রাখা শিকারি কুকুরের দল: একত্রে বিচরণ করা বন্য প্রাণীর দল: (সাধারণত অবজ্ঞার্থে) দল; গুচ্ছ: a pack of thieves, চোরের দল। - যেমন: a pack of hounds/a wolf pack/a pack of wild dogs. - আবার, a group of similar people or things, especially one that you do not like or approve of - (সাধারণত অবজ্ঞার্থে) দল; গুচ্ছ বুঝাতেও 'pack' ব্যবহৃত হয়। - A pack of journalists, a pack of thieves, a pack of lies, etc. • অন্যদিকে, খ) Flight - English Meaning: a group of birds, aircraft, etc. flying together. - Bangla Meaning: (পাখির) ঝাঁক; (উড্ডীয়মান) ঝাঁক। - যেমন: a flight of geese/swans/wallows/locusts, a flight of arrows/swits, etc. গ) Bevy - English Meaning: Used for birds or, informally, for girls/women. - Bangla Meaning: সম্মিলন; সমবেত সভা; (পাখির) ঝাঁক। - যেমন: a bevy of quails, a bevy of ladies, a bevy of lawyers, etc. ঘ) Flock - English meaning: a group of sheep, goats, or birds, or a group of people. - Bangla meaning: (পাখির) ঝাঁক; (পশুর) পাল। (২) (মানুষের) দল; come in flocks. - যেমন: a flock of ducks, a flock of sheep/goats/geese, etc.
What is the correct plural of 'mongoose'?
ব্যাখ্যা
• The correct plural of "mongoose" is- খ) mongooses. • Mongoose [মঙগূস্] (noun) - English Meaning: a small tropical animal with a long tail that eats snakes, rats, and birds' eggs. - Bangla Meaning: (plural mongooses [মঙসিজ]) বেজি; নেউল। - এর plural form হলো- mongooses. (one mongoose → two mongooses). - তবে plural হিসেবে 'mongeese-অপ্রচলিত' ব্যবহৃত হতে পারে।
The government entered ______ an agreement with neighboring countries to protect the environment.
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The government entered into an agreement with neighboring countries to protect the environment. - Bangla Meaning: পরিবেশ রক্ষার জন্য সরকার প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে একটি চুক্তি করেছে। • Enter into something [phrasal verb] - English Meaning: to start to become involved in something, especially a discussion or an agreement. - Bangla Meaning: আলোচনা শুরু করা। কোনো কিছুর অংশভুক্ত হওয়া; চুক্তিতে প্রবেশ করা। - যেমন: enter into a deal/a contract/an agreement. - Enter, reach, lack, approach, discuss ইত্যাদি verb গুলোর পরে সাধারণত preposition বসে না। - তবে, কোনো কিছু শুরু করা বা কোনো কিছুতে জড়িত হওয়া বুঝাতে enter এর পর into ব্যবহার করতে হয়। - যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্য দ্বারা একটি agreement এ জড়িত হওয়া নির্দেশ করছে, তাই শূন্যস্থানে into বসবে। • এছাড়াও, • Enter (verb transitive & intransitive) (১) আসা অথবা ভেতরে প্রবেশ করা। (২) সদস্য হওয়া; যোগদান করা। (৩) enter into something (with somebody) - শুরু করা। (৪) enter on/upon something [phrasal verb] - কোনো কিছুতে অধিকার লাভ করা; উপভোগ করতে শুরু করা। (৫) enter in/up - নথিভুক্ত করা। (৬) enter for; enter somebody for - প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কারো নাম দেওয়া: enter for the swimming.
I do not like children's playing here. Here, 'playing' is a/an ______.
ব্যাখ্যা
• In the sentence: "I do not like children's playing here." - Here, 'playing' is a gerund. - সাধারণত noun/pronoun এর possessive এর পরে gerund ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে possessive form "children's" এর পরে playing (verb+ing) আসায় এটি হলো gerund. - এখানে সম্পূর্ণ phrase টি "children's playing here" verb 'like' এর object হিসেবে বসে noun এর কাজ করছে। - সুতরাং, প্রদত্ত বাক্যে 'playing' হলো gerund. - এটি কোনো noun/pronoun কে modify করছে না, তাই এটি participle হবে না। • Structure: (possessive + gerund) = "playing" acts as a noun (gerund). ------------- • Gerund: - Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে। - সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে। - Gerunds don’t describe action—they act as nouns. • Functions of the Gerund: 1. Subject of a verb: Rising early is a good habit. 2. Object of a verb: I like reading poetry. 3. Object of a preposition: I am tired of waiting. 4. Complement of a verb: Seeing is believing. 5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing-table. অন্যদিকে, • Present participle: - Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে। - সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে। - যেমন: I do not like boys playing here. - এখানে 'playing' noun 'boys' -কে modify করছে। • Infinitive: - Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form. - যেমন: To sing songs is joyful. • Verbal Noun: - কোন বাক্যের Verb + ing - এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে। - The + verb+ing + of = verbal noun. - যেমন: The writing of a good letter is difficult.
He is unable yet willing. Here, the word ‘willing’ is a/an-
ব্যাখ্যা
• He is unable yet willing. - Here, the word ‘willing’ is an Adjective. - এখানে "willing" শব্দটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - Linking verb "Is" এর পরে বসে "Unable" এবং "willing" দুটিই subject "He"-এর অবস্থা বর্ণনা করছে, তাই এরা adjective. - অর্থাৎ, এখানে "Willing" (ইচ্ছুক/রাজি) শব্দটি "He"-এর গুণ বা অবস্থা বুঝাতে "yet" conjunction দ্বারা "Unable" adjective এর সাথে যুক্ত হয়েছে। • Willing (adjective) - English Meaning: not opposed to doing something; ready or eager to do something. - Bangla Meaning: স্বেচ্ছাপ্রণোদিত; ইচ্ছুক। Other forms: - Willingly (adverb), - Willingness (noun) [uncountable noun].
'দারোয়ান' কোন ভাষার শব্দ?
ব্যাখ্যা
• দারোয়ান (বিশেষ্য পদ), - এটি একটি ফারসি শব্দ। - শুদ্ধ উচ্চারণ- [দরোআন্], অর্থ: - দৌবারিক, প্রহরী।
নিচের কোনটি অব্যয়ীভাব সমাস?
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস: পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় ‘আ’) = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ। সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। নিচের উদাহরণগুলোতে অব্যয়ীভাব সমাসের অব্যয় পদটি বন্ধনীর মধ্যে দেখানো হলো৷ ১. সামীপ্য (উপ): কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ, কূলের সমীপে = উপকূল ২. বিপ্সা (অনু, প্রতি): দিন দিন = প্রতি দিন, ক্ষণে ক্ষণে = প্রতিক্ষণে, ক্ষণ ক্ষণ = অনুক্ষণ। ৩. অভাব (নিঃ = নির): আমিষের অভাব = নিরামিষ, ভাবনার অভাব = নির্ভাবনা, জলের অভাব=নির্জল, উৎসাহের অভাব = নিরুৎসাহ। ৪. পর্যন্ত (আ): সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল, পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ৫. সাদৃশ্য (উপ): শহরের সদৃশ = উপশহর, গ্রহের তুল্য = উপগ্রহ, বনের সদৃশ উপবন। ৬. অনতিক্রম্যতা (যথা): রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি, সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য। এরূপ-যথাবিধি, যথাযোগ্য ইত্যাদি। ৭. অতিক্রান্ত (উৎ): বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল, শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল। ৮. বিরোধ (প্রতি): বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ, বিরুদ্ধ কূল = প্রতিকূল। ৯. পশ্চাৎ (অনু): পশ্চাৎ গমন = অনুগমন, পশ্চাৎ ধাবন = অনুধাবন৷ অন্যদিকে, • বহুব্রীহি সমাসে ‘সমান' শব্দের স্থানে ‘স’ এবং ‘সহ’ হয়। যেমন: সমান কর্মী যে = সহকর্মী, সমান বর্ণ = সমবর্ণ, সমান উদর যাদের = সহোদর। • ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে ‘রাজা' স্থলে ‘রাজ’, পিতা, মাতা, ভ্রাতা স্থলে যথাক্রমে ‘পিতৃ’, ‘মাতৃ’, ‘ভ্রাতৃ’ হয়। যেমন: পথের রাজা = রাজপথ, গজনীর রাজা = গজনীরাজ, রাজার পুত্র = রাজপুত্র, পিতার ধন = পিতৃধন, মাতার সেবা = মাতৃসেবা, ভ্রাতার স্নেহ = ভ্রাতৃস্নেহ, পুত্রের বধূ = পুত্রবধূ ইত্যাদি।
নিচের কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
ব্যাখ্যা
• ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি: কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরক্ত শব্দ কয়েকটি উপায়ে গঠিত হয়। যেমন- ১. মানুষের ধ্বনির অনুকার: ভেউ ভেউ (মানুষের উচ্চস্বরে কান্নার ধ্বনি)। এরূপ –ট্যা ট্যা, হি হি ইত্যাদি ৷ ২. জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকার: ঘেউ ঘেউ (কুকুরের ধ্বনি)। এরূপ- মিউ মিউ (বিড়ালের ডাক), কুহু কুহু (কোকিলের ডাক), কা কা (কাকের ডাক) ইত্যাদি। ৩. বস্তুর ধ্বনির অনুকার: ঘচাঘচ (ধান কাটার শব্দ)। এরূপ-মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ) ঝমঝম (বৃষ্টি পড়ার শব্দ), হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ) ইত্যাদি । ৪. অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার: ঝিকিমিকি (ঔজ্জ্বল্য)। এরূপ- ঠা ঠা (রোদের তীব্রতা), কুট কুট (শরীরে কামড় লাগার মতো অনুভূতি)। অনুরূপভাবে- মিন মিন, পিট পিট, ঝি ঝি ইত্যাদি। অন্যদিকে, • অনুকার দ্বিত্ব: পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। যেমন: লুচিফুচি, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলোমেলো, ঝিলমিল, শেষমেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝেসুঝে। • পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। যেমন: জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, কথায় কথায়।
'মায়াবী' শব্দের শুদ্ধ স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
ব্যাখ্যা
ঈনী, নী প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ: - মায়াবী-মায়াবিনী, - কুহক-কুহকিনী, - যোগী-যোগিনী, - মেধাবী-মেধাবিনী, - দুঃখী-দুঃখিনী ইত্যাদি।
'Capitalised' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
ব্যাখ্যা
• 'Capitalised' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- পুঁজীকৃত। অন্যদিকে, • 'Capitalise' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- পুঁজীভূত করা। • 'Capitalisation' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- পুঁজীকরণ।। • 'Capital' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- মূলধন, রাজধানী, পুঁজি।
বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৪০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৪০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত? সমাধান: এখানে, মূলধন, P = ৪০০ টাকা মুনাফায় হার, r = ১০% = ১০/১০০ সময়, n = ২ বছর ∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, c = P(১ + r)n = ৪০০(১ + ১০/১০০)২ = ৪০০ × (১১০/১০০)২ = ৪০০ × (১১/১০)২ = ৪০০ × (১২১/১০০) = ৪০০ × ১.২১ = ৪৮৪ ∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৪৮৪
একটি সামন্তরিকের ভূমি ১৪ মি.মি এবং উচ্চতা ১০ সে.মি. হলে তার ক্ষেত্রফল কত?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সামন্তরিকের ভূমি ১৪ মি.মি এবং উচ্চতা ১০ সে.মি. হলে তার ক্ষেত্রফল কত? সমাধান: দেওয়া আছে, ভূমি = ১৪ মি.মি. উচ্চতা = ১০ সে.মি. ১ সেন্টিমিটার = ১০ মিলিমিটার, সুতরাং ১৪ মি.মি. = ১৪/১০ = ১.৪ সে.মি.। আমরা জানি, ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা = ১.৪ সে.মি. × ১০ সে.মি. = ১৪ বর্গ সে.মি.
একটি সাইকেলের চাকার পরিধি ২.২ মিটার হলে, ১১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে চাকাটি কতবার ঘুরবে?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সাইকেলের চাকার পরিধি ২.২ মিটার হলে, ১১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে চাকাটি কতবার ঘুরবে? সমাধান: গাড়ীর চাকার পরিধি = ২.২ মিটার এবং ১১ কিলোমিটার = (১০০০ × ১১) মিটার = ১১০০০ মিটার ; [১ কি.মি. = ১০০০ মিটার] ∴ ২.২ মিটার যেতে গাড়ির চাকা ঘুরে = ১ বার ∴ ১ মিটার যেতে গাড়ির চাকা ঘুরে = ১/২.২ বার ∴ ১১০০০ মিটার যেতে গাড়ির চাকা ঘুরে = ১১০০০/২.২ বার = ৫০০০ বার সুতরাং, চাকাটি ৫০০০ বার আবর্তিত হবে।
একটি ত্রিভুজাকৃতি মাঠের ক্ষেত্রফল ২৪০ বর্গমিটার এবং মাঠটির উচ্চতা ৩০ মিটার হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজাকৃতি মাঠের ক্ষেত্রফল ২৪০ বর্গমিটার এবং মাঠটির উচ্চতা ৩০ মিটার হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত? সমাধান: দেওয়া আছে, ত্রিভুজাকৃতি মাঠের ক্ষেত্রফল = ২৪০ বর্গমিটার উচ্চতা = ৩০ মিটার আমরা জানি, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা ⇒ ২৪০ = (১/২) × ভূমি × ৩০ ⇒ ভূমি × ৩০ = ২৪০ × ২ ⇒ ভূমি = (২৪০ × ২)/৩০ ⇒ ভূমি = ১৬ মিটার ∴ মাঠটির ভূমির দৈর্ঘ্য ১৬ মিটার।
'MARKET' শব্দটির সবগুলি বর্ণ একত্রে নিয়ে কতভাবে সাজানো যায় তা নির্ণয় করুন।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'MARKET' শব্দটির সবগুলি বর্ণ একত্রে নিয়ে কতভাবে সাজানো যায় তা নির্ণয় করুন। সমাধান: প্রদত্ত শব্দ: MARKET এর বর্ণসমূহ: M, A, R, K, E, T এখানে মোট ৬টি বর্ণ আছে এবং সবগুলোই ভিন্ন। n টি ভিন্ন বর্ণের বিন্যাস = n! ∴ 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 × 1 = 720 MARKET শব্দটির বর্ণগুলো ৭২০ ভাবে সাজানো যায়।
দেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য কোনটি?
ব্যাখ্যা
জিআই পণ্য: - জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক। - জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান। - কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। - দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে। উল্লেখ্য, • বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি। - জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে। - বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর আবেদনের ভিত্তিতে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) কর্তৃক দেওয়া হয়। অন্যদিকে, - ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে। - খিরসাপাত আম (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৮ সালে। - ঢাকাই মসলিন (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০২০ সালে।
কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’ তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে?
ব্যাখ্যা
শ্রাবণ বিদ্রোহ: - ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’। - পরিচালনা করেছেন আরিফুর রহমান। ⇒ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রযোজনা এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) সহযোগিতায় শ্রাবণ বিদ্রোহ তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে। - তথ্যচিত্রটিতে তুলে ধরা হয়েছে নিহতদের স্বজন, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্রনেতা, শিক্ষার্থী এবং বিশিষ্টদের আন্দোলনকালীন স্মৃতিকথা ও নির্যাতনের চিত্র। - এতে দেখানো হয়েছে আন্দোলনের পটভূমি, ঘটনাপ্রবাহ এবং ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ ও চেতনার গতিপথ। - ৩০ মিনিটের এ তথ্যচিত্রে আন্দোলনকালীন দুর্লভ ভিডিওচিত্র, স্থিরচিত্র ও গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল -
ব্যাখ্যা
♦ মেসোপটেমীয় সভ্যতা: - এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়- • সুমেরীয়। • ব্যাবিলনীয়। • অ্যাসেরীয়। • ক্যালেডীয়। - Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল। - পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'। - ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে। ♦ ক্যালডীয় সভ্যতা: - ক্যালডীয় সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল। - ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়। - মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত। - এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত। - প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে। - বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে। - এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।
আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ নিচের কোনটি?
ব্যাখ্যা
♦ আফ্রিকা মহাদেশ: - আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ। - আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে। - এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)। - এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত। - আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে। - এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত। - আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া। - আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস। ♦ আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে বৃহত্তম দেশ: ১) আলজেরিয়া - ৯১৯,৫৯০ মাইল (২,৩৮১,৭৪১ বর্গ কি.মি)। ২) কঙ্গো - ৯০৫,৪০৫ মাইল (২,৩৪৫,০০০ বর্গ কি.মি)। ৩) সুদান - ৭১০,৬৮৯ মাইল (১,৮৪০,৬৮৭ বর্গ কি.মি)। ৪) লিবিয়া - ৬৪৭,১৮০ মাইল (১,৬৭৬,১৯৮ বর্গ কি.মি)। ৫) চাদ - ৪৯৫,৭৫৩ মাইল (১,২৮৪,০০০ বর্গ কি.মি)।
ডুবোজাহাজ থেকে সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা দেখার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
ব্যাখ্যা
- ডুবোজাহাজ থেকে সমুদ্র পৃষ্ঠে দেখার জন্য পেরিস্কোপ নামক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা আলো প্রতিফলিত করার জন্য আয়না বা প্রিজম ব্যবহার করে ডুবোজাহাজের নিচ থেকে জলের উপরের বস্তু দেখতে সাহায্য করে। পেরিস্কোপ: - আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। - পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। - আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। - পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। - স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। - এছাড়াও বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে।