1. BRICS-এর ধারণার প্রবর্তন করেন কোন অর্থনীতিবিদ এবং কত সালে?
ক)
জিম ও নিল (২০০১ সালে)
খ)
অমর্ত্য সেন (১৯৯৮ সালে)
গ)
মাও সে তুং (১৯৪৯ সালে)
ঘ)
উড্রো উইলসন (১৯২০ সালে)
উত্তর:
জিম ও নিল (২০০১ সালে)
ব্যাখ্যা:
২০০১ সালে অর্থনীতিবিদ জিম ও নিল প্রথম BRICS-এর ধারণার প্রবর্তন করেন। উল্লেখ্য, BRICS-এর উদ্যোগে গঠিত ব্যাংকের নাম হলো NDB (New Development Bank)।
2. আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট 'G-7'-এর একমাত্র এশীয় সদস্য দেশ কোনটি?
ক)
চীন
খ)
ইরান
গ)
ভারত
ঘ)
জাপান
উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা:
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও শিল্পোন্নত ৭টি দেশের জোট G-7-এর একমাত্র এশীয় সদস্য রাষ্ট্র হলো জাপান।
3. নিচের কোন শব্দটিতে স্বভাবতই 'ণ' (ণত্ব বিধানের নিয়ম ছাড়া) ব্যবহৃত হয়েছে?
ক)
কৃচ্ছ্ব
খ)
বাণিজ্য
গ)
নিমন্ত্রণ
ঘ)
ক্ষুণ্ণ
উত্তর:
বাণিজ্য
ব্যাখ্যা:
খুবই গুরুত্বপূর্ণ কবিতা লাইন: "চাণক্য মাণিক্য গণ / বাণিজ্য লবণ মণ..." নিয়ম অনুসারে 'বাণিজ্য' শব্দটিতে কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়।
4. চীনের বিখ্যাত সমরবিদ সান জু (Sun Tzu) রচিত বিশ্বখ্যাত সামরিক গ্রন্থের নাম কী?
ক)
ফাইভ ফিঙ্গার স্ট্র্যাটেজি
খ)
দ্য আর্ট অব ওয়ার (The Art of War)
গ)
পিংপং ডিপ্লোমেসি
ঘ)
মিং ক্লাস পলিসি
উত্তর:
দ্য আর্ট অব ওয়ার (The Art of War)
ব্যাখ্যা:
প্রাচীন চীনের প্রখ্যাত সমরকুশলী সান জু সামরিক কৌশল ও যুদ্ধবিদ্যার ওপর 'The Art of War' নামক বিশ্বখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন।
5. কার্বন-ডাই-অক্সাইড বা গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষ দেশ কোনটি?
ক)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
খ)
চীন
গ)
রাশিয়া
ঘ)
ভারত
উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা:
বর্তমান অর্থনৈতিক ও শিল্পায়নের যুগে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন।
6. তিব্বতের বর্তমান (১৪তম) ধর্মীয় নেতা দালাইলামার আসল নাম কী?
ক)
তেনজিন গিয়াৎ সো (লামো থোনদুপ)
খ)
কনফুসিয়াস
গ)
পিকিং মানব
ঘ)
মাও সে তুং
উত্তর:
তেনজিন গিয়াৎ সো (লামো থোনদুপ)
ব্যাখ্যা:
১৯৫০ সালে চীন তিব্বতের ওপর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে। তিব্বতের ধর্মীয় নেতাকে দালাইলামা বলা হয় এবং বর্তমানে ১৪তম দালাইলামার নাম তেনজিন গিয়াৎ সো।
আরও পড়ুন:
7. সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ 'নিমন্ত্রণ' পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ব্যাকরণে 'নেমন্তন্ন' কোন শ্রেণির শব্দের উদাহরণ?
ক)
তদ্ভব শব্দ
খ)
অর্ধ-তৎসম শব্দ
গ)
দেশি শব্দ
ঘ)
বিদেশি শব্দ
উত্তর:
অর্ধ-তৎসম শব্দ
ব্যাখ্যা:
যেসব তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ বাংলা ভাষায় কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে ব্যবহৃত হয় তাদের অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। যেমন: নিমন্ত্রণ $\rightarrow$ নেমন্তন্ন, গৃহিণী $\rightarrow$ গিন্নি, ক্ষুধা $\rightarrow$ খিদে।
8. শব্দ শোনার পর কত সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ বা অনুভূতি আমাদের মস্তিষ্কে স্থায়ী থাকে, যাকে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে?
ক)
০.০১ সেকেন্ড
খ)
০.৫ সেকেন্ড
গ)
১ সেকেন্ড
ঘ)
০.১ সেকেন্ড
উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা:
কোনো শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থেকে যায়। একেই শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলা হয়।
9. বায়ুতে শব্দতরঙ্গের বেগ $৩৩০\text{ m/s}$ হলে, শব্দের স্পষ্ট প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব কত হওয়া প্রয়োজন?
ক)
১৬.৫ মিটার
খ)
৩৩ মিটার
গ)
৮.২৫ মিটার
ঘ)
২০ মিটার
উত্তর:
১৬.৫ মিটার
ব্যাখ্যা:
গাণিতিক ব্যাখ্যা: শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল $t = ০.১\text{ s}$। শব্দ তরঙ্গের বেগ $v = ৩৩০\text{ m/s}$ হলে প্রতিফলনের মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব $২h = v \times t$।
$$২h = ৩৩০ \times ০.১ = ৩৩\text{ মিটার}$$
$$\therefore h = \frac{৩৩}{২} = ১৬.৫\text{ মিটার}$$
10. নিচের কোন কার্যক্ষেত্রে বা রোগ নির্ণয়ে শব্দের প্রতিধ্বনি ও শব্দোত্তর তরঙ্গের ব্যবহার করা হয় না?
ক)
সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয়ে
খ)
আল্ট্রাসোনোগ্রাফির সাহায্যে রোগ নির্ণয়ে
গ)
স্টেথোস্কোপের সাহায্যে মানুষের হৃৎস্পন্দন নির্ণয়ে
ঘ)
রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধিতে
উত্তর:
রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধিতে
ব্যাখ্যা:
শব্দের প্রতিধ্বনি ও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, স্টেথোস্কোপের সাহায্যে হৃৎস্পন্দন এবং ধাতব পাতের সূক্ষ্ম ফাটল অনুসন্ধান করা যায়। তবে রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধিতে এর কোনো ভূমিকা নেই।