1. মানুষের ভাষা কীসের সাহায্যে সৃষ্টি হয়?
ক)
ইঙ্গিতের সাহায্যে
খ)
ঠোঁটের সাহায্যে
গ)
কণ্ঠের সাহায্যে
ঘ)
বাগযন্ত্রের সাহায্যে
উত্তর:
বাগযন্ত্রের সাহায্যে
ব্যাখ্যা:
মানুষের ভাষা মূলত বাগযন্ত্র (মুখ, কণ্ঠ, জিহ্বা, দাঁত, নাসিকা ইত্যাদি) এবং মস্তিষ্কের জটিল বিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে প্রাথমিকভাবে ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি (Gestures) থেকে ধীরে ধীরে ধ্বনি ও শব্দ তৈরি হতে শুরু করে এবং তা বাক্য ও ব্যাকরণের রূপ নেয়, যা ভাবের আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম।
2. কথারীতি সমম্বয়ে শিষ্টজনের ব্যবহৃত ভাষাকে কী বলে?
ক)
সাধু ভাষা
খ)
আদর্শ চলিত ভাষা
গ)
আঞ্চলিক ভাষা
ঘ)
দেশি ভাষা
উত্তর:
আদর্শ চলিত ভাষা
ব্যাখ্যা:
কথ্যরীতি সমন্বয়ে শিষ্টজনের ব্যবহৃত ভাষাকে আদর্শ চলিত ভাষা বা চলিত ভাষা বলা হয়, যা সাধু ভাষার বিপরীতে একটি সহজ, সাবলীল এবং প্রমিত রূপ যা বর্তমানে সাহিত্য, শিক্ষা ও দৈনন্দিন যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন আঞ্চলিক উপভাষার সংমিশ্রণে গঠিত এবং শিষ্টজনেরা সহজে ব্যবহার করতে পারেন।
3. 'সাক্ষী গোপাল' বাগধারাটির অর্থ -
ক)
অপদার্থ
খ)
মূর্খ
গ)
সক্রিয় দর্শক
ঘ)
নিষ্ক্রিয় দর্শক
উত্তর:
নিষ্ক্রিয় দর্শক
ব্যাখ্যা:
সাক্ষী গোপাল' বাগধারাটির অর্থ হলো: নিষ্ক্রিয় দর্শক ✅ ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি কিছু না করে শুধু চুপচাপ দেখে, তাকে বাগধারার অর্থে “সাক্ষী গোপাল” বলা হয়। 📌 উদাহরণ: সবাই মারামারি করছে আর তুমি দাঁড়িয়ে আছো সাক্ষী গোপালের মতো।
4. 'নেই আঁকড়া' বাগধারাটির অর্থ -
ক)
একই স্বভাবের
খ)
নিরেট মূর্খ
গ)
একগুঁয়ে
ঘ)
সহায় সম্বলহীন
উত্তর:
একগুঁয়ে
ব্যাখ্যা:
নেই আকড়া" বাগধারাটির অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রভাব না থাকা, গুরুত্ব না পাওয়া, বা পাত্তা না পাওয়া; এটি সাধারণত এমন একটি অবস্থা বোঝায় যেখানে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু অন্যের কথায় বা কাজে বিন্দুমাত্র প্রভাবিত হয় না বা তার কোনো মূল্য থাকে না, যেন "আঁকড়া" (আঁকড়ে ধরার বা গুরুত্ব দেওয়ার কিছু) নেই।
5. বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পাশে কোন চিহ্ন বসে?
ক)
দাঁড়ি
খ)
কমা
গ)
কোলন
ঘ)
সেমিকোলন
উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা:
বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে সাধারণত কমা (,) চিহ্ন বসে, যা ঠিকানা লেখার সময় একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি বোঝায় এবং পরবর্তী অংশ থেকে আলাদা করে, যেমন: ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা।
6. কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কোন যতিচিহ্নটি বসে?
ক)
কোলন
খ)
ড্যাস
গ)
হাইফেন
ঘ)
সেমিকোলন
উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা:
কমার বিরতি কাল ১ বলতে যে সময় লাগে ওই সময় সেমিকোলন এর বিরতিকাল ১ বলার দ্বিগুন সময় কোলনের বিরতিকাল ১ সেকেন্ড হাইফেন এর বিরতি কাল নেই অর্থাৎ থামার প্রয়োজন নেই তাই কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন ব্যবহার হয়।
7. কোন বানানটি সঠিক?
ক)
সমিচিন
খ)
সমীচীন
গ)
সমীচিন
ঘ)
সমিচীন
উত্তর:
সমীচীন
ব্যাখ্যা:
সমীচীন' (Samīcīna) হলো 'সমীচীন' শব্দের সঠিক ও শুদ্ধ বানান, যেখানে 'চ'-এর সাথে 'ঈ-কার' এবং 'চ'-এর সাথে 'ই-কার' ব্যবহৃত হয়, যা উপযুক্ত, উচিত বা সঙ্গত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়; অন্যান্য ভুল বানানগুলো হলো 'সমীচিন', 'সমিচিন' এবং 'সমিচিন'।
8. Man gets as much as he wants. এর বাংলা অনুবাদ কোনটি?
ক)
মানুষের চাওয়াও বেশি, পাওয়াও বেশি।
খ)
মানুষ যত পায়, তত চায়।
গ)
মানুষের চাওয়ার শেষ নেই।
ঘ)
মানুষ যা চায় তা পায় না।
উত্তর:
মানুষ যত পায়, তত চায়।
9. It is a long story এর অনুবাদ -
ক)
সে এক বিরাট ইতিহাস
খ)
বড়ো কাহিনি
গ)
অনেক কথা
ঘ)
সে অনেক বড় কথা
উত্তর:
অনেক কথা
ব্যাখ্যা:
It is a long story" এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হলো "এটি একটি দীর্ঘ/লম্বা গল্প" বা "সে এক বিরাট ইতিহাস/অনেক কথা", যা প্রসঙ্গের উপর নির্ভর করে, তবে সাধারণভাবে 'এটি একটি লম্বা কাহিনী' বা 'অনেক কথা' বোঝায়।
10. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
ক)
অনেক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
খ)
অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
গ)
অনেক সন্ন্যাসিতে গাজন নষ্ট
ঘ)
কোনোটিই নয়
উত্তর:
অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
11. শুদ্ধ কোনটি?
ক)
ভুবন
খ)
ভূবন
গ)
ভুবণ
ঘ)
ভূবণ
উত্তর:
ভুবন
ব্যাখ্যা:
ভুবন' শব্দের সঠিক বানান হলো ভুবন (ভূ-কার ও ব-ফলা যুক্ত), যার অর্থ পৃথিবী বা জগৎ; 'ভূবন' বা 'ভুবণ' ভুল বানান, তাই সঠিক রূপটি হলো ভুবন
12. সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে কি বলে?
ক)
কারক
খ)
সন্ধি
গ)
প্রত্যয়
ঘ)
বচন
উত্তর:
সন্ধি
ব্যাখ্যা:
সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে, যা ভাষার সৌন্দর্য, সংক্ষিপ্ততা এবং উচ্চারণের স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি করে; যেমন, 'নর + অধম = নরাধম' যেখানে দুটি 'অ' ধ্বনি মিলে একটি 'আ' ধ্বনি হয়েছে, বা 'জল + আধার = জলাধার
13. নিয়ম অনুসারে সন্ধি হয় না কোনটির?
ক)
পাবক
খ)
শাবক
গ)
কুলটা
ঘ)
গায়ক
উত্তর:
কুলটা
ব্যাখ্যা:
কুলটা' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো কুল + অটা, যা একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি; এখানে 'ল' এর সাথে 'অ' যুক্ত হয়ে 'টা'-এর 'ট' পরিবর্তিত হয়েছে এবং দুটি মিলে 'টা' গঠিত হয়েছে, যা সাধারণ নিয়মে হয় না।
আরও পড়ুন:
14. 'রাজ্ঞী' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক)
রাজ্ + নী
খ)
রাগ্ + নী
গ)
রাজ্ + জ্ঞী
ঘ)
রাগ্ +জ্ঞী
উত্তর:
রাজ্ + নী
ব্যাখ্যা:
রাজ্ঞী' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাজ্ + নী, যা একটি ব্যঞ্জনসন্ধি; এখানে 'জ' এর সাথে 'ন' এর মিলন হয়েছে এবং 'জ' এর '্' (হসন্ত) ও 'নী' এর 'ন' যুক্ত হয়ে 'ঞ' (জ + ন) এর মতো উচ্চারণ হয়, যা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে 'রাজ্ঞী' গঠিত হয়েছে।
15. সামীপ্য অর্থে কোন অধিকরণ কারক হয়?
ক)
অভিব্যাপক
খ)
আধারাধিকরণ
গ)
ঐকদেশিক
ঘ)
কালাধিকরণ
উত্তর:
ঐকদেশিক
ব্যাখ্যা:
সামীপ্য (কাছাকাছি) অর্থে ঐকদেশিক অধিকরণ কারক হয়, যেখানে ক্রিয়া কোনো বিশাল স্থানের এক অংশে ঘটে, যেমন 'ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে' (ঘাটের কাছে) বা 'রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা' (দুয়ারের কাছে).
16. 'আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে?'- 'রাঘবে' কোন কারকে কেন বিভক্তি?
ক)
কর্তায় ৭মী
খ)
কর্মে ৭মী
গ)
করণে ৭মী
ঘ)
অপাদানে ৭মী
উত্তর:
অপাদানে ৭মী
ব্যাখ্যা:
আমি কি ডরাই সখি ভিখারী "রাঘবে"? - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। অপাদান কারক বলতে এমন একটি উপায় বোঝায়, যার সাহায্যে বাক্যস্থিত কোন শব্দের রূপ পরিবর্তন করে বা অন্য কোন উপায়ে শব্দটির সাথে বাক্যের অন্যান্য অংশের সাথে বিশেষ এক ধরনের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। অপাদান কারক মূলত বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে সম্পর্কিত পদ যেমন বিশেষণ বা সর্বনামের উপর প্রযুক্ত হয়।
17. কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে কী বলে?
ক)
উপপদ তৎপুরুষ
খ)
উপমান তৎপুরুষ
গ)
উপমিত তৎপুরুষ
ঘ)
নিত্য সমাস
উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা:
কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস (বা কৃদন্ত তৎপুরুষ সমাস) বলে, যেখানে কৃদন্ত পদের (ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত পদ) আগের পদটিকে উপপদ বলা হয় এবং এই সমাসে উপপদ ও কৃদন্ত পদ মিলে একটি নতুন পদ গঠন করে, যেমন 'দিবাকর' (দিবা + কর) বা 'গৃহস্থ' (গৃহ + স্থ)।
18. অন্তরীপ সমস্তপদটি কোন বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত?
ক)
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
খ)
সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
গ)
নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
ঘ)
ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা:
অন্তরীপ' বহুব্রীহি সমাস-এর অন্তর্গত এবং এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য হলো "অন্তর্গত অপ (জল) যার" বা "অন্তঃ (শেষে) অপ (জল) যার", অর্থাৎ স্থলভাগ যা জলে প্রবেশ করেছে। এটি সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হয়।
19. প্রত্যয়ের কোন নিয়মটি সঠিক?
ক)
নীল + মা
খ)
নীল + ইমন
গ)
নী + ইলিমা
ঘ)
নিলী + ইমা
উত্তর:
নীল + ইমন
ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের বিশেষ্য গঠনে ইমন (ইমা)- প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। - যেমন: মহৎ+ইমন = মহিমা; নীল+ইমন/ইমা = নীলিমা; গুরু+ইমা = গরিমা
20. প্রাতিপাদিক কী?
ক)
সাধিত শব্দ
খ)
বিভক্তিযুক্ত শব্দ
গ)
বিভক্তিহীন নাম শব্দ
ঘ)
প্রত্যয়যুক্ত শব্দ
উত্তর:
বিভক্তিহীন নাম শব্দ
ব্যাখ্যা:
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে। যেমন - ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।
21. 'অম্বর' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক)
চন্দ্র
খ)
সূর্য
গ)
নভঃ
ঘ)
মেঘ
উত্তর:
নভঃ
ব্যাখ্যা:
অম্বর - আকাশ, নভঃ, ব্যোম, দ্যু।
22. 'প্রসারণ' এর বিপরীত শব্দ কি?
ক)
অপসারণ
খ)
সম্প্রসারণ
গ)
আকিঞ্চন
ঘ)
আকুঞ্চন
উত্তর:
আকুঞ্চন
ব্যাখ্যা:
বিপরীত শব্দ : প্রসারণ - আকুঞ্চন , সম্প্রসারণ - সংকোচন , আকর্ষণ - বিকর্ষণ ।
23. ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি এক কথায় কি বলে?
ক)
ইতিহাসসচেতন
খ)
ঐতিহাসিক
গ)
চিন্তাবিদ
ঘ)
ইতিহাসবেত্তা
উত্তর:
ইতিহাসবেত্তা
ব্যাখ্যা:
ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি, তাকে সাধারণত ঐতিহাসিক (Historian) বা ইতিহাসবেত্তা বলা হয়, যিনি অতীত ঘটনা নিয়ে গবেষণা, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করেন; যদিও 'ঐতিহাসিক' বলতে যিনি ইতিহাস রচনা করেন তাকেও বোঝায়, তবে 'ইতিহাসবেত্তা' বা 'ইতিহাসবিদ' শব্দটি সরাসরি অভিজ্ঞ গবেষককে নির্দেশ করে।
24. 'নী' প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তর হয়েছে কোন শব্দটি?
ক)
অরণ্যানী
খ)
চাকরানী
গ)
ভাগনী
ঘ)
মেধাবিনী
উত্তর:
মেধাবিনী
ব্যাখ্যা:
নী প্রত্যয় যোগে কিছু শব্দকে স্ত্রীবাচক করা যায়।যেমন: মেধাবী - মেধাবিনী মায়াবী - মায়াবিনী কুহক - কুহকিনী যোগী - যোগিনী
25. বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি কয়টি?
ক)
২৪
খ)
২৫
গ)
২৭
ঘ)
২৩
উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫টি। যৌগিক স্বরবর্ণ ২টি। আর ২৩ টি যৌগিক স্বরধ্বনি অাছে। যাদের লিখিত রূপ নেই। তাই এরা বর্ণ নয় | যেমন - ইঅা (দিয়া), এই (এই), এঅা (খেয়া) ইত্যাদি | সুতরাং মোট যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫টি (২ + ২৩)টি।