পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট -০২
মীর মোশারফ হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
ব্যাখ্যা
মীর মোশাররফ হোসেন (১৮৪৭–১৯১২) বাংলা সাহিত্যের একজন দিকপাল ব্যক্তিত্ব। তিনি মূলত বাংলা গদ্য ও নাট্যসাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অবদান অপরিসীম। তাঁর সাহিত্যকর্মগুলোকে নিচে কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হলো: উপন্যাস: বিষাদ সিন্ধু, রত্নবতী, গাজি মিয়ার বস্তানী, বিবি খোদেজার বিবাহ। নাটক: বসন্তকুমারী নাটক, জমিদার দর্পণ, এর উপায় কি?, ভাই ভাই এই তো চাই। প্রবন্ধ ও অন্যান্য: গো-জীবন, মুসলমান ধর্মের ইতিহাস, মদীনার গৌরব, হজরত ইউসুফ (আ.)।
যা পূর্বে শোনা যায়নি-এক কথায় কি হবে?
ব্যাখ্যা
"যা পূর্বে শোনা যায়নি" এর এক কথায় প্রকাশ হলো অশ্রুতপূর্ব। নিচে কিছু বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ দেওয়া হলো: যা পূর্বে দেখা যায়নি - অদৃষ্টপূর্ব যে সব বিষয়ে জানে - সর্বজ্ঞ উপকার করার ইচ্ছা - উপচিকীর্ষা যে শুনে মনে রাখতে পারে - শ্রুতিধর যা সহজে লাভ করা যায় - সুলভ যা বলার অযোগ্য - অকথ্য যার কোনো উপায় নেই - নিরুপায়
'মতিচুর' প্রবন্ধটি কার লেখা?
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো নিচে তালিকা আকারে দেওয়া হলো: মতিচুর (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড): এটি মূলত প্রবন্ধের সংকলন। এতে নারী শিক্ষা, নারীর অধিকার এবং তৎকালীন সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার ও অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধে তিনি তীব্র যুক্তি ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন। সুলতানা’স ড্রিম: এটি একটি কাল্পনিক বা সায়েন্স ফিকশনধর্মী রচনা। এখানে তিনি এমন এক নারীশাসিত সমাজের (লেডিল্যান্ড) স্বপ্ন দেখেছেন, যেখানে বিজ্ঞান ও যুক্তির শাসন চলে এবং নারীরা সবকিছুর নেতৃত্বে থাকেন। অবরোধবাসিনী: এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যঙ্গাত্মক রচনা। পর্দার আড়ালে নারীদের অবমাননাকর জীবন এবং অবরোধ প্রথার নামে যে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো, তার বাস্তব ও মর্মান্তিক চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে। পদ্মরাগ: এটি তার একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো একটি নারী শিক্ষাকেন্দ্র বা আশ্রম গড়ে তোলা, যেখানে নারীরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে এবং স্বাবলম্বী হতে শিখবে। পিপাসা: এটি একটি বিদ্রূপাত্মক গল্প, যেখানে তিনি সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কারের অসারতাকে হাস্যরসের মাধ্যমে আক্রমণ করেছেন।
নিচের কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয়?
ব্যাখ্যা
সঠিক ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো: ভুল ও সঠিক রূপ: সন্ধি নিয়ম অনুযায়ী এটি হওয়া উচিত 'তৎ + রূপ = তদ্রূপ'। এখানে দুটি ভুল রয়েছে: প্রথমত, সন্ধি বিচ্ছেদের সময় 'তদ্' না হয়ে 'তৎ' হওয়ার কথা, এবং বানানটি হবে 'তদ্রূপ' (দীর্ঘ 'ঊ' কার যুক্ত)। অন্যান্য অপশনগুলো কেন সঠিক: নে + অন = নয়ন: এটি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক (এ + অ = অয়ন)। রাজ্ + নী = রাজ্ঞী: এটি একটি বিশেষ বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। তদ্ + কাল = তৎকাল: ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পূর্বপদের শেষে 'দ্' থাকলে এবং পরপদের শুরুতে অঘোষ বর্ণ (যেমন 'ক') থাকলে 'দ্' পরিবর্তিত হয়ে 'ত্' বা 'ৎ' হয়। তাই 'তদ্ + কাল' মিলে 'তৎকাল' হয়েছে।
'পড়াশোনায় মন দাও'- বাক্যটিতে 'পড়াশোনায়' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ব্যাখ্যা
'পড়াশোনা' একটি ক্ষেত্র বা বিষয়, যেখানে মন দেওয়ার কাজটি ঘটছে। ক্রিয়া সম্পাদনের আধার বা স্থান (বা ক্ষেত্র) বোঝালে তাকে অধিকরণ কারক বলা হয়। এছাড়া 'পড়াশোনা' শব্দের সাথে 'য়' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির একটি রূপ (এ/য়/তে)। তাই এটি অধিকরণে সপ্তমী।
Fill in the gap with appreciate preposition. His father died ......... cholera.
ব্যাখ্যা
কেন 'of' সঠিক? সাধারণত কোনো রোগ বা অসুস্থতার (disease or illness) কারণে মৃত্যু হলে তার আগে 'of' বসে। যেমন: Died of cholera (কলেরায় মারা যাওয়া) Died of cancer (ক্যান্সারে মারা যাওয়া) Died of fever (জ্বরে মারা যাওয়া) অন্যান্যগুলো কেন ভুল? at: সাধারণত সময় (time) বা কোনো নির্দিষ্ট স্থান বোঝাতে 'at' বসে (যেমন: He died at the hospital বা at 5 o'clock)। রোগের কারণ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয় না। from: যদিও আধুনিক ইংরেজি বা অনেক ক্ষেত্রে 'died from' ব্যবহৃত হয়, তবে এটি মূলত কোনো বাহ্যিক আঘাত, দুর্ঘটনার ক্ষত বা কোনো কিছুর জটিলতা (complications) বোঝাতে বেশি ব্যবহৃত হয় (যেমন: He died from his injuries)। রোগ বা অসুস্থতার ক্ষেত্রে গ্রামার অনুযায়ী 'of' বেশি প্রচলিত এবং সঠিক। by: 'by' ব্যবহৃত হয় যখন কেউ কোনো ব্যক্তি বা বাহ্যিক শক্তির মাধ্যমে মারা যায় (যেমন: He was killed by a car বা by an enemy)। এটি রোগের কারণের জন্য প্রযোজ্য নয়।
Who is one is correct.
ব্যাখ্যা
কেন (a) সঠিক: এখানে 'Swimming' একটি Gerund (verb + ing)। যখন কোনো verb-এর শেষে -ing যোগ করে সেটিকে noun বা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে Gerund বলে। যেহেতু এটি একটি একক কাজ বা activity বোঝাচ্ছে, তাই এটি singular subject হিসেবে কাজ করে এবং এর সাথে 'is' বসানো সঠিক। অন্যগুলো কেন ভুল: b. swim is a good exercise: 'Swim' হলো একটি verb বা কাজ। একে subject হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই 'Swimming' (gerund) অথবা 'To swim' (infinitive) ব্যবহার করতে হবে। c. The swimming is a good exercise: সাধারণত সাধারণ কোনো খেলার বা কাজের নামের আগে 'the' বসানোর প্রয়োজন নেই। তাই 'The' ব্যবহার করা এখানে অপ্রয়োজনীয়। d. swimming are a good exercise: এখানে subject হলো 'Swimming' যা একটি singular বা একবচন। তাই এর সাথে plural verb 'are' বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। এখানে 'is' হওয়া উচিত ছিল।
The antonym of 'Blasphemous' is--
ব্যাখ্যা
নিচে এর সহজ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: Blasphemous (ধর্মবিদ্বেষী বা অবমাননাকর): এই শব্দটি মূলত এমন কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো পবিত্র বা শ্রদ্ধেয় বিষয়ের প্রতি অসম্মান বা অবমাননা প্রদর্শন করে। Respectful (শ্রদ্ধাশীল): এই শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয় যখন কেউ কোনো কিছুর প্রতি যথাযথ সম্মান বা শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। যেহেতু 'Blasphemous' অসম্মান বা অবমাননার সাথে সম্পর্কিত এবং 'Respectful' সম্মানের সাথে সম্পর্কিত, তাই এরা একে অপরের বিপরীত। অন্যান্য শব্দগুলোর অর্থ: Rigid (অনমনীয়/কঠোর): যা সহজে বাঁকানো যায় না বা যে মানসিকতা পরিবর্তন হয় না। Mindful (সচেতন): কোনো কিছুর বিষয়ে সচেতন বা মনোযোগী থাকা। Frivolous (তুচ্ছ/লঘু): যা গুরুত্বহীন বা ছেলেমানুষীপূর্ণ।
'A Slumber Did My Spirit Seal' is written by -----
ব্যাখ্যা
A Slumber Did My Spirit Seal কবিতাটি The Lucy Poems গ্রন্থের অন্তর্গত। উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (William Wordsworth) এর প্রধান সাহিত্যকর্ম এবং অবদানের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেওয়া হলো: ১. Lyrical Ballads (১৭৯৮) ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং এস.টি. কোলরিজের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রকাশিত এই বইটি ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এর মাধ্যমেই সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের সূচনা হয়। এর অধিকাংশ কবিতা ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা। ২. The Lucy Poems তাঁর লেখা পাঁচটি ছোট কবিতার একটি সিরিজ, যা গভীর শোক ও বিষাদময় অনুভূতির জন্য বিখ্যাত। এর মধ্যে রয়েছে: She dwelt among the untrodden ways, A slumber did my spirit seal, Strange fits of passion have I known ৩. The Prelude (১৮৫০) এটি তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচিত। এটি একটি দীর্ঘ আত্মজীবনীমূলক কবিতা (Autobiographical poem), যেখানে কবি তাঁর নিজের শৈশব, বেড়ে ওঠা এবং কবি হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনে প্রকৃতির প্রভাব বর্ণনা করেছেন। ৪. Nature Poetry (প্রকৃতি বিষয়ক কবিতা) ওয়ার্ডসওয়ার্থকে প্রকৃতির কবি বলা হয়। প্রকৃতির মধ্যে তিনি ঈশ্বর এবং আত্মার উপস্থিতি খুঁজে পেতেন। তাঁর বিখ্যাত কিছু কবিতা: "Lines Composed a Few Miles above Tintern Abbey": প্রকৃতির প্রতি তাঁর দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গির শ্রেষ্ঠ প্রতিফলন। "I Wandered Lonely as a Cloud" (Daffodils): প্রকৃতির সৌন্দর্য কীভাবে মানুষের একাকীত্ব দূর করে, তার এক কালজয়ী প্রকাশ। "Ode: Intimations of Immortality": মানব জীবনের চক্র এবং আধ্যাত্মিকতা নিয়ে লেখা একটি গভীর কাব্যগ্রন্থ।
Fill in the gap with suitable word: I don't mind ........ negative feedback if it is true.
ব্যাখ্যা
কেন 'accepting' সঠিক? ইংরেজিতে যখন 'mind' শব্দটি "কিছু মনে করা" বা "বিরক্ত হওয়া" অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তার পরে যে ভার্বটি বসে তার সাথে সবসময় -ing যুক্ত করতে হয় (যাকে ব্যাকরণের ভাষায় Gerund বলা হয়)। নিয়ম: I don't mind + verb+ing উদাহরণ: "I don't mind waiting for a few minutes." (আমি কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে কিছু মনে করি না।) অন্যান্য অপশনগুলো (accept, to accept, of accepting) এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
৪ কিমি/ঘন্টা বেগে চললে কোন স্থানে পৌঁছাতে যে সময় লাগে, ৫ কিমি/ঘন্টা বেগে চলে তার চেয়ে ৩০ মিনিট কম সময় লাগে। তাহলে স্থানটি দূরত্ব কত?
ব্যাখ্যা
শর্টকাট: নির্ণেয় স্থানটি দূরত্ব=৪ ও ৫ এর লসাগু × ঘন্টায় এককে সময় = ৪ ও ৫ এর লসাগ × ১/২ [ ৩০ মিনিট সমান ১/২ ঘন্টা] = ২০×১/২ [৪ ও ৫ এর লসাগু =২০] = ১০ কিমি
লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ১৮ কিমি ও ৬ কিমি। নদীপথে ৭২ কিলোমিটার অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
ব্যাখ্যা
১. গতিবেগের বিশ্লেষণ প্রথমে দেখে নিই স্রোতের অনুকূলে ও প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ কত: স্রোতের অনুকূলে গতিবেগ (Downstream): 18 + 6 = 24 km/h স্রোতের প্রতিকূলে গতিবেগ (Upstream): 18 - 6 = 12 km/h ২. সময়ের হিসাব এখন ৭২ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিতে প্রয়োজনীয় সময় বের করি: অনুকূলে যেতে সময় লাগে: 72/24 = 3 ঘণ্টা প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময় লাগে: 72/12 = 6 ঘণ্টা অতএব, মোট যাতায়াতের সময় হবে 3 + 6 = 9 ঘণ্টা
8, 11, 17, 29, 53, .......... অনুক্রমটি পরবর্তী পদ কত?
ব্যাখ্যা
এই অনুক্রমটি লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, প্রতিটি পদের মধ্যবর্তী পার্থক্য দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। চলুন বিষয়টি ধাপে ধাপে দেখা যাক: ১১ - ৮ = ৩ ১৭ - ১১ = ৬ ২৯ - ১৭ = ১২ ৫৩ - ২৯ = ২৪ পার্থক্যগুলো লক্ষ্য করুন: ৩, ৬, ১২, ২৪। এখানে দেখা যাচ্ছে প্রতিটি পার্থক্য আগের পার্থক্যের দ্বিগুণ। সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে ২৪-এর দ্বিগুণ, অর্থাৎ: ২৪×২ = ৪৮ তাহলে অনুক্রমটির পরবর্তী পদ হবে: ৫৩ + ৪৮ = ১০১ উত্তর: ১০১
একটি ৫০ লিটারের মিশ্রণে দুধ ও পানির অনুপাত ৩ : ২। এতে কত লিটার পানি মেশালে দুধ ও পানির অনুপাত ২ : ৩ হবে?
ব্যাখ্যা
শর্টকাট: নির্ণয়ে পানির পরিমাণ= (মিশ্রনের পরিমাণ/পানির আদি অনুপাত)×(নতুন অনুপাতের পার্থক্য) = (৫০/২)×(৩-২) = ২৫×১ = ২৫ লিটার
A = {x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x < 6} হলে, P(A) এ সদস্য সংখ্যা কত?
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, ৬-এর চেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩ এবং ৫। সুতরাং, সেটটিকে তালিকা পদ্ধতিতে লিখলে পাই: A = {2, 3, 5} এখানে সেটের সদস্য সংখ্যা, n= 3। কোনো সেটের সদস্য সংখ্যা n হলে, তার পাওয়ার সেট বা শক্তি সেটের সদস্য সংখ্যা হয় 2^n। অতএব, P(A)-এর সদস্য সংখ্যা হবে: 2^3 = 8 সুতরাং, P(A)-এ মোট সদস্য সংখ্যা হলো 8টি।
সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ কোনটি?
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হলো গামা রশ্মি (Gamma Ray)। তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালীতে (Electromagnetic Spectrum) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যত কম হয়, বিকিরণের শক্তি তত বেশি হয়। সেই হিসেবে গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং শক্তি সবচেয়ে বেশি। তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গগুলোর মধ্যে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যক্রম (ছোট থেকে বড়) নিম্নরূপ: গামা রশ্মি, রঞ্জন রশ্মি, অতিবেগুনি রশ্মি, দৃশ্যমান আলো, অবলোহিত রশ্মি, মাইক্রোওয়েভ ও বেতার তরঙ্গ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কত তারিখে জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থা মর্যাদা লাভ করে?
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কী? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বা গ্লোবাল পাবলিক হেলথের ক্ষেত্রে কাজ করে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। সংস্থাটির প্রধান লক্ষ্য হলো পৃথিবীর সকল মানুষের স্বাস্থ্যের সর্বোচ্চ মান অর্জন করা। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য নীতিমালা নির্ধারণ, মহামারি প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে। জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় (যা 'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' হিসেবে পালিত হয়)। এরপর, একই বছরের ১০ জুলাই ১৯৪৮ তারিখে এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি তখন ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরনো দ্বিতল বাড়িতে যাত্রা শুরু করেছিল। পরবর্তীতে এর পরিধি ও সংগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি নতুন ও আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হয়, যা ২০১৭ সালের ১৬ই এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে এটি সেখানেই অবস্থিত।
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আপিল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০৫ নং অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে , সংসদের প্রণীত যেকোনো আইনের বিধান সাপেক্ষে এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিসমূহ সাপেক্ষে, আপিল বিভাগের নিজের দেওয়া রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। অর্থাৎ, এটি একটি সাংবিধানিক ক্ষমতা।
পৃথিবীর কোন দেশে নদী নাই?
ব্যাখ্যা
বিশ্বের মোট ১৮টি স্বাধীন দেশে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই। নিচে নদীবিহীন দেশগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হলো: ১. সৌদি আরব ২. কুয়েত ৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪. কাতার ৫. বাহরাইন ৬. ওমান ৭. ইয়েমেন ৮. মালদ্বীপ ৯. লিবিয়া ১০. জিবুতি ১১. মাল্টা ১২. মোনাকো ১৩. ভ্যাটিকান সিটি ১৪. নাউরু ১৫. কিরিবাতি ১৬. টুভালু ১৭. মার্শাল আইল্যান্ডস ১৮. টোঙ্গা
'গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত'- বাক্যের 'নিশীথে' শব্দটি কোন পদ?
ব্যাখ্যা
'গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত'—এই বাক্যের 'নিশীথে' শব্দটি মূলত বিশেষ্য পদ। এর ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো: মূল শব্দ: 'নিশীথ' (যার অর্থ রাত বা গভীর রাত)। পদান্তর: এটি একটি বিশেষ্য পদ, যা 'নিশীথ' শব্দের সাথে অধিকরণ কারকের সপ্তমী বিভক্তি '-এ' যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। বাক্যে ভূমিকা: এখানে শব্দটি দিয়ে সময়ের গভীরতা বা কাল নির্দেশ করা হচ্ছে, যা ক্রিয়াপদের স্থান বা কাল নির্দেশক হিসেবে কাজ করছে।
The phrase ' To meet trouble half-way" means -
ব্যাখ্যা
ইংরেজি বাগধারা 'To meet trouble half-way'-এর বাংলা অর্থ হলো কোনো সমস্যা বা বিপদ আসার আগেই অহেতুক দুশ্চিন্তা করা বা আতঙ্কিত হয়ে পড়া। আপনার দেওয়া অপশনগুলো বিশ্লেষণ: আপনি যে অপশনগুলো দিয়েছিলেন, তার মধ্যে 'to get nervous'-ই সবচেয়ে সঠিক। এর কারণ নিচে দেওয়া হলো: To get nervous: অহেতুক আগাম দুশ্চিন্তা বা ভয়ের কারণে নার্ভাস বা অস্থির হয়ে পড়া। To be puzzled: কোনো কিছু বুঝে উঠতে না পারা বা বিভ্রান্ত হওয়া। To be disappointed: কোনো প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় হতাশ হওয়া। To bear up: কোনো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সাহস ধরে রাখা বা ধৈর্য সহকারে সহ্য করা (এটি মূলত মূল বাগধারাটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে)।
'আমি জন্মগ্রহণ করিনি' কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
ব্যাখ্যা
আমি জন্মগ্রহণ করিনি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বরেণ্য লেখক সৈয়দ শামসুল হক। এটি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু সাহিত্যকর্ম নিচে তুলে ধরা হলো: ১. কাব্যগ্রন্থ তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু কাব্যগ্রন্থ: একদা এক রাজ্যে, বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা, পরানের গহীন ভিতর (এটি আঞ্চলিক ভাষায় রচিত একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ), নাপোলোর চিঠিপত্র ২. উপন্যাস তাঁর উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন, মনস্তত্ত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট দারুণভাবে ফুটে উঠেছে: খেলারাম খেলে যা, নীল দংশন, নিষিদ্ধ লোবান, বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ ৩. নাটক নাট্যকার হিসেবেও তিনি অত্যন্ত সফল। তাঁর কাব্যনাটকগুলো বাংলা সাহিত্যে মাইলফলক হয়ে আছে: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরলদীনের সারা জীবন, গণনায়ক
'অনিলা' চরিত্রটি কোন গল্পের নায়িকা
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘অনিলা’ চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘পয়লা নম্বর’-এর প্রধান নারী চরিত্র বা নায়িকা। গল্পটিতে অনিলা একজন প্রতিবাদী নারী হিসেবে চিত্রিত হয়েছে, যে তার স্বামীর (অদ্বৈতচরণ) অবহেলা এবং উদাসীনতায় বিরক্ত হয়ে শেষপর্যন্ত আত্মসম্মান রক্ষার তাগিদে সংসার ছেড়ে বেরিয়ে যায়। বি.দ্র.: ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাথে যুক্ত। ‘পয়লা নম্বর’ গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা, যেখানে অনিলার কাহিনী ফুটে উঠেছে।
'Justice delayed is justice denied' - who said this?
ব্যাখ্যা
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম ই গ্লাডস্টোন এই বিখ্যাত উক্তিটি করেন। যদিও এটা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।