1. ২১। ইন্ট্রামুরাল ক্রীড়ায় কারা অংশগ্রহণ করে?
a) শুধুমাত্র দক্ষ খেলোয়াড়
b) শুধুমাত্র শিক্ষক
c) প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী
d) বাইরের দল
Answer: প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী
Explanation: ইন্ট্রামুরাল ক্রীড়া ২০শ শতাব্দীর শুরুতে (১৯০০ সালের পর) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু হয় যাতে সকল শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারে। এতে সমতা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শারীরিক ও সামাজিক উন্নয়ন ঘটে।
2. ২২। এক্সট্রামুরাল ক্রীড়ার উদাহরণ কোনটি?
a) ক্লাসরুম খেলা
b) আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা
c) বাড়ির খেলা
d) একক অনুশীলন
Answer: আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা
Explanation: ১৯২০ সালের পর আন্তঃস্কুল ও আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতা জনপ্রিয় হয়। এগুলো প্রতিষ্ঠানের বাইরে অনুষ্ঠিত হয় বলে এক্সট্রামুরাল ক্রীড়া বলা হয়। এতে প্রতিযোগিতার মান বৃদ্ধি পায়।
3. ২৩। শারীরিক শিক্ষার একটি প্রধান উপাদান কোনটি?
a) গল্প বলা
b) ব্যায়াম
c) গান শোনা
d) ছবি আঁকা
Answer: ব্যায়াম
Explanation: প্রাচীন গ্রিস (খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সাল) থেকেই ব্যায়াম শিক্ষার অংশ। আধুনিক যুগে (১৯০০ সালের পর) এটি বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ ও শক্তিশালী করে।
4. ২৪। ইন্ট্রামুরাল ক্রীড়ার একটি সুবিধা কী?
a) খেলার সুযোগ কম
b) অংশগ্রহণ বেশি
c) ব্যয় বেশি
d) সময় অপচয়
Answer: অংশগ্রহণ বেশি
Explanation: ১৯৭০ সালের পর গবেষণায় দেখা যায় ইন্ট্রামুরাল ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ বেশি হয়। এতে সকল শিক্ষার্থী খেলায় যুক্ত হয়। ফলে দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
5. ২৫। এক্সট্রামুরাল ক্রীড়ার একটি নেতিবাচক দিক কী?
a) দক্ষতা বৃদ্ধি
b) দলীয় সমঝোতা
c) মনোমালিন্য সৃষ্টি
d) অভিজ্ঞতা অর্জন
Answer: মনোমালিন্য সৃষ্টি
Explanation: ১৯৮০ সালের পর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় দল নির্বাচন নিয়ে বিরোধ দেখা যায়। এতে মনোমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে। তাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
6. ২৬। শারীরিক শিক্ষার সামাজিক দিকের লক্ষ্য কী?
a) একাকীত্ব
b) সমাজবিচ্ছিন্নতা
c) সামাজিক গুণাবলি অর্জন
d) অলসতা
Answer: সামাজিক গুণাবলি অর্জন
Explanation: ১৯৬০ সালের পর সামাজিক উন্নয়নে খেলাধুলার গুরুত্ব বাড়ে। দলগত খেলার মাধ্যমে সহযোগিতা ও শৃঙ্খলা শেখা যায়। এটি সুনাগরিক গঠনে সহায়ক।
7. ২৭। শারীরিক শিক্ষার মানসিক দিকের উদ্দেশ্য কী?
a) ক্লান্তি বৃদ্ধি
b) মানসিক বিকাশ
c) দুর্বলতা
d) অসুস্থতা
Answer: মানসিক বিকাশ
Explanation: ১৯৫০ সালের পর মনোবিজ্ঞানীরা দেখান খেলাধুলা মানসিক উন্নয়ন ঘটায়। এতে আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বৃদ্ধি পায়। শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে শেখে।
8. ২৮। শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন করা হয়?
a) সময় নষ্ট
b) অসুস্থতা বাড়ানো
c) শারীরিক অবস্থা যাচাই
d) খেলা বন্ধ করা
Answer: শারীরিক অবস্থা যাচাই
Explanation: ২০শ শতাব্দীর মাঝামাঝি (১৯৫০ সালের পর) স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। এতে শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা জানা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়ন পরিকল্পনা করা যায়।
9. ২৯। শারীরিক শিক্ষার একটি কার্যক্রম কোনটি?
a) পড়াশোনা
b) সাঁতার
c) লেখা
d) আঁকা
Answer: সাঁতার
Explanation: সাঁতার প্রাচীনকাল থেকেই (খ্রিস্টপূর্ব যুগ) শারীরিক শিক্ষার অংশ। আধুনিক পাঠ্যক্রমে এটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। এটি শরীরের সব অংশকে সক্রিয় রাখে।
10. ৩০। ইন্ট্রামুরাল ক্রীড়ার আরেকটি সুবিধা কী?
a) সময় কম পাওয়া
b) বন্ধুত্ব বৃদ্ধি
c) খরচ বেশি
d) আঘাত বেশি
Answer: বন্ধুত্ব বৃদ্ধি
Explanation: ১৯৭০ সালের পর গবেষণায় দেখা যায় দলগত খেলায় বন্ধুত্ব বাড়ে। ইন্ট্রামুরাল ক্রীড়ায় সবাই একসাথে খেলায় অংশ নেয়। এতে সম্প্রীতি গড়ে ওঠে।
11. ৩১। এক্সট্রামুরাল ক্রীড়ায় কী বৃদ্ধি পায়?
a) অলসতা
b) প্রতিযোগিতা
c) দুর্বলতা
d) ভয়
Answer: প্রতিযোগিতা
Explanation: ১৯২০ সালের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়। এতে খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব বাড়ে। দক্ষতা উন্নত হয়।
12. ৩২। শারীরিক শিক্ষার ক্লাস কখন নেওয়া উচিত নয়?
a) সকাল
b) বিকাল
c) খাবারের পরপর
d) সন্ধ্যা
Answer: খাবারের পরপর
Explanation: স্বাস্থ্যবিজ্ঞান অনুযায়ী (১৯৮০ সালের গবেষণা) খাবারের পরপর ব্যায়াম করা ক্ষতিকর। এতে হজমে সমস্যা হয়। তাই কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা পর ব্যায়াম করা উচিত।
13. ৩৩। শারীরিক শিক্ষার একটি লক্ষ্য কী?
a) অলসতা
b) চরিত্র গঠন
c) দুর্বলতা
d) অসুস্থতা
Answer: চরিত্র গঠন
Explanation: ১৯৫০ সালের পর শিক্ষাবিদরা খেলাধুলাকে চরিত্র গঠনের মাধ্যম হিসেবে দেখেন। এতে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ তৈরি হয়। শিক্ষার্থীরা নৈতিকভাবে উন্নত হয়।
14. ৩৪। লিঙ্গভেদে কার্যক্রম নির্ধারণের কারণ কী?
a) কোনো কারণ নেই
b) শারীরিক গঠন ভিন্ন
c) নিয়ম
d) সময়
Answer: শারীরিক গঠন ভিন্ন
Explanation: ২০শ শতাব্দীর গবেষণায় দেখা যায় ছেলে-মেয়েদের শারীরিক গঠন ভিন্ন। তাই তাদের উপযোগী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়। এতে কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
15. ৩৫। শারীরিক শিক্ষায় সময় বণ্টনের উদ্দেশ্য কী?
a) সময় নষ্ট
b) কার্যক্রম উন্নয়ন
c) খেলা বন্ধ
d) বিশ্রাম
Answer: কার্যক্রম উন্নয়ন
Explanation: ১৯৮০ সালের পর সময় ব্যবস্থাপনা শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হয়। সঠিক সময় বণ্টনে কার্যক্রম সফল হয়। শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারে।
16. ৩৬। ইন্ট্রামুরাল ক্রীড়ার আওতায় কারা থাকে?
a) বাইরের খেলোয়াড়
b) শুধুমাত্র শিক্ষক
c) প্রতিষ্ঠানের সবাই
d) দর্শক
Answer: প্রতিষ্ঠানের সবাই
Explanation: ১৯০০ সালের পর ইন্ট্রামুরাল ধারণা চালু হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এটি অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করে।
17. ৩৭। এক্সট্রামুরাল ক্রীড়ার একটি ফলাফল কী?
a) অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি
b) দুর্বলতা
c) অলসতা
d) সময় নষ্ট
Answer: অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি
Explanation: ১৯৩০ সালের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বাড়ে। এতে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পায়। তারা নতুন কৌশল শিখতে পারে।
18. ৩৮। শারীরিক শিক্ষার একটি উপকারিতা কী?
a) অসুস্থতা
b) সুস্থতা
c) দুর্বলতা
d) ক্লান্তি
Answer: সুস্থতা
Explanation: আধুনিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান (২০০০ সালের পর) প্রমাণ করেছে ব্যায়াম সুস্থতা বৃদ্ধি করে। এটি হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস ভালো রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
19. ৩৯। শারীরিক শিক্ষার ক্লাসে কী শেখানো হয়?
a) শুধু তত্ত্ব
b) ব্যায়াম ও খেলা
c) শুধু লেখা
d) শুধু পড়া
Answer: ব্যায়াম ও খেলা
Explanation: ১৯০০ সালের পর শারীরিক শিক্ষা ব্যবহারিক ভিত্তিতে চালু হয়। এতে ব্যায়াম ও খেলাধুলা শেখানো হয়। শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করে।
20. ৪০। শারীরিক শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য কী?
a) শুধু খেলা
b) সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন
c) প্রতিযোগিতা
d) বিনোদন
Answer: সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন
Explanation: আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা (২০০০ সালের পর) অনুযায়ী শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন। এতে শরীর, মন ও সমাজ—তিনটি দিক উন্নত হয়। একজন শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে