Exams Study Jobs Teachers Shop

সমাজসেবা অধিদপ্তর (বাংলা): বাংলা বানান-1

Other Topics 25 Questions By University of Rajshahi

সমাজসেবা অধিদপ্তর (বাংলা): বাংলা বানান-1 For those studying or preparing for, this page contains 25 important questions and answers arranged in sequence. Each question is accompanied by the correct answer and, where necessary, a detailed explanation to help clarify your concepts. Read carefully and assess your own preparation.

1. কত সালে প্রথম 'কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের নিয়ম' প্রবর্তন করে?

a) (ক) ১৯০৫ সালে
b) (খ) ১৯৩৬ সালে
c) (গ) ১৯৮৮ সালে
d) (ঘ) ১৯৯২ সালে
Answer: (খ) ১৯৩৬ সালে
Explanation: ১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরোধে 'কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বানান সংস্কার সমিতি' গঠিত হয় এবং ১৯৩৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তন করে।

2. বাংলা একাডেমি কত সালে প্রথম 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে?

a) (ক) ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বর
b) (খ) ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর
c) (গ) ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি
d) (ঘ) ২০০০ সালের জুন
Answer: (খ) ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর
Explanation: ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলা একাডেমি প্রথম 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে।

3. বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী রেফ (´ )-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের রূপ কেমন হবে?

a) (ক) দ্বিত্ব হবে
b) (খ) দ্বিত্ব হবে না
c) (গ) লোপ পাবে
d) (ঘ) হস্-চিহ্ন বসবে
Answer: (খ) দ্বিত্ব হবে না
Explanation: প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী, রেফ (´ )-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: অর্জন, ঊর্ধ্ব, কর্ম, কার্তিক ইত্যাদি।

4. সন্ধির ক্ষেত্রে ক, খ, গ, gh পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত 'ম্' স্থানে কী হবে?

a) (ক) ঙ
b) (খ) ঁ (চন্দ্রবিন্দু)
c) (গ) অনুস্বার (ং)
d) (ঘ) হস্-চিহ্ন
Answer: (গ) অনুস্বার (ং)
Explanation: সন্ধির ক্ষেত্রে ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হবে। যেমন: অহম্+কার = অহংকার।

5. 'অঙ্ক, আকাঙ্ক্ষা, আতঙ্ক' শব্দগুলোতে অনুস্বার (ং) না হয়ে 'ঙ' হওয়ার কারণ কী?

a) (ক) এগুলো বিদেশি শব্দ
b) (খ) এগুলো সন্ধিবদ্ধ শব্দ নয়
c) (গ) এগুলো তদ্ভব শব্দ
d) (ঘ) এগুলো প্রত্যয়ഘটিত শব্দ
Answer: (খ) এগুলো সন্ধিবদ্ধ শব্দ নয়
Explanation: সন্ধিবদ্ধ না হলে ঙ স্থানে ং হবে না। তাই অঙ্ক, আকাঙ্ক্ষা, আতঙ্ক, কঙ্কাল ইত্যাদি শব্দে 'ঙ' ব্যবহৃত হয়।

6. সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারান্ত রূপ সমাসবদ্ধ হলে কী হয়?

a) (ক) দীর্ঘ ঈ-কার অপরিবর্তিত থাকে
b) (খ) দীর্ঘ ঈ-কার লোপ পায়
c) (গ) হ্রস্ব ই-কার হয়
d) (ঘ) ও-কার যুক্ত হয়
Answer: (গ) হ্রস্ব ই-কার হয়
Explanation: ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারান্ত রূপ সমাসবদ্ধ হলে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী হ্রস্ব ই-কার হয়। যেমন: গুণী → গুণিজন, প্রাণী → প্রাণিবিদ্যা।

7. ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে '-ত্ব' ও '-তা' প্রত্যয় যুক্ত হলে কোনটি ঘটে?

a) (ক) দীর্ঘ ঈ-কার বহাল থাকে
b) (খ) হ্রস্ব ই-কার হয়
c) (গ) বিসর্গ যুক্ত হয়
d) (ঘ) বর্ণ দ্বিত্ব হয়
Answer: (খ) হ্রস্ব ই-কার হয়
Explanation: ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে -ত্ব ও -তা প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হ্রস্ব হয়। যেমন: কৃতী → কৃতিত্ব, দায়ী → দায়িত্ব।

8. প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে কোন চিহ্নটি থাকবে না?

a) (ক) অনুস্বার (ং)
b) (খ) বিসর্গ (ঃ)
c) (গ) হস্-চিহ্ন
d) (ঘ) চন্দ্রবিন্দু (ঁ)
Answer: (খ) বিসর্গ (ঃ)
Explanation: আধুনিক নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না। যেমন: ইতস্তত, কার্যতঃ, ক্রমশ, প্রধানত ইত্যাদি।

9. সকল অতৎসম (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র) শব্দে কোন কারচিহ্নগুলো ব্যবহৃত হবে?

a) (ক) কেবল ী এবং ূ
b) (খ) কেবল ি এবং ু
c) (গ) ি, ী এবং ু, ূ সবগুলি
d) (ঘ) কোনো কারচিহ্নই লাগবে না
Answer: (খ) কেবল ি এবং ু
Explanation: সকল অতৎসম শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারচিহ্ন ি ও ু ব্যবহৃত হবে। যেমন: আরবি, ইংরেজি, শাড়ি, টুপি ইত্যাদি।

10. কোন ধরনের শব্দে শব্দের শেষে সর্বদা 'ই-কার' (ি) হবে?

a) (ক) তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দে
b) (খ) অতৎসম স্ত্রীবাচক ও ইতর প্রাণিবাচক শব্দে
c) (গ) সংস্কৃত বিশেষণ শব্দে
d) (ঘ) সমাসবদ্ধ পদসমূহে
Answer: (খ) অতৎসম স্ত্রীবাচক ও ইতর প্রাণিবাচক শব্দে
Explanation: অতৎসম স্ত্রীবাচক শব্দ (যেমন: দাদি, নানি, শাশুড়ি) ও ইতর প্রাণিবাচক শব্দে (যেমন: পাখি, হাতি, মুরগি) সর্বদা ই-কার (ি) হবে।

11. প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে 'কী' শব্দটিতে কোন কার ব্যবহৃত হবে?

a) (ক) হ্রস্ব ই-কার (ি)
b) (খ) দীর্ঘ ঈ-কার (ী)
c) (গ) এ-কার (ে)
d) (ঘ) ও-কার (ো)
Answer: (খ) দীর্ঘ ঈ-কার (ী)
Explanation: সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে 'কী' দীর্ঘ ঈ-কার (ী) দিয়ে লেখা হবে। যেমন: এটা কী বই? কী আনন্দ!

12. যেসব প্রশ্নের উত্তর 'হ্যাঁ' বা 'না' হবে না, সেইসব বাক্যে ব্যবহৃত 'কী'-এর বানান কেমন হবে?

a) (ক) কি
b) (খ) কী
c) (গ) কিয়ে
d) (ঘ) কী-ই
Answer: (খ) কী
Explanation: যেসব প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে শেষ করা যায় না, সেইসব বাক্যে ব্যবহৃত 'কী' দীর্ঘ ঈ-কার (ী) দিয়ে লেখা হবে। যেমন: তুমি কী খাবে?

13. নিচের কোন শব্দটিতে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়েছে?

a) (ক) অনুষঙ্গ
b) (খ) কণ্টক
c) (গ) ব্যাকরণ
d) (ঘ) লাবণ্য
Answer: (খ) কণ্টক
Explanation: তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ-এর পূর্বে যুক্ত নাসিক্য বর্ণ সর্বদা 'ণ' হয়। যেমন: কণ্টক, লুণ্ঠন, প্রচণ্ড।

14. তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে 'ট, ঠ, ড, ঢ'-এর আগে কেবল 'ণ' হলেও অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে কী হবে?

a) (ক) ণ হবে
b) (খ) ন হবে
c) (গ) ঞ হবে
d) (ঘ) ঙ হবে
Answer: (খ) ন হবে
Explanation: অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট, ঠ, ড, ঢ-এর আগে কেবল দন্ত্য-'ন' হবে। যেমন: গুন্ডা, ঝান্ডা, ডান্ডা, লন্ডন।

15. ইংরেজি ও বিদেশি শব্দে 's' ধ্বনির জন্য এবং '-sh, -sion, -ssion, -tion' প্রভৃতি বর্ণগুচ্ছ বা ধ্বনির জন্য যথাক্রমে কী ব্যবহৃত হবে?

a) (ক) স এবং শ
b) (খ) শ এবং ষ
c) (গ) স এবং ষ
d) (ঘ) ষ এবং স
Answer: (ক) স এবং শ
Explanation: ইংরেজি ও বিদেশি শব্দে সাধারণত 's' ধ্বনির জন্য দন্ত্য-'স' এবং '-sh, -sion, -ssion, -tion' ইত্যাদির জন্য তালব্য-'শ' ব্যবহৃত হবে। যেমন: স্টেশন, মিশন।

16. প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সমাসবদ্ধ শব্দগুলি কীভাবে লিখতে হবে?

a) (ক) আলাদা আলাদা করে
b) (খ) যথাসম্ভব একসঙ্গে
c) (গ) সর্বদা হাইফেন দিয়ে
d) (ঘ) ব্র্যাকেটের ভেতরে
Answer: (খ) যথাসম্ভব একসঙ্গে
Explanation: সমাসবদ্ধ শব্দগুলি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যথাসম্ভব একসঙ্গে লিখতে হবে। যেমন: অদৃষ্টপূর্ব, পিতামাতা, সংবাদপত্র ইত্যাদি।

17. বিশেষণ পদ সাধারণভাবে পরবর্তী পদের সাথে—

a) (ক) যুক্ত করে লিখতে হবে
b) (খ) যুক্ত হবে না (আলাদা থাকবে)
c) (গ) হাইফেন দিয়ে যুক্ত হবে
d) (ঘ) যুক্ত বা আলাদা যেকোনোভাবে লেখা যাবে
Answer: (খ) যুক্ত হবে না (আলাদা থাকবে)
Explanation: বিশেষণ পদ সাধারণভাবে পরবর্তী পদের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে আলাদা বসে। যেমন: ভালো দিন, লাল গোলাপ, সুনীল আকাশ।

18. না-বাচক 'না' এবং 'নি'-এর ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম কোনটি?

a) (ক) ২টিই সমাসবদ্ধ পদ হিসেবে যুক্ত হবে
b) (খ) ২টিই স্বতন্ত্র পদ হিসেবে আলাদা বসবে
c) (গ) 'না' স্বতন্ত্র পদ হিসেবে এবং 'নি' সমাসবদ্ধ হিসেবে ব্যবহৃত হবে
d) (ঘ) 'নি' স্বতন্ত্র পদ হিসেবে এবং 'না' সমাসবদ্ধ হিসেবে ব্যবহৃত হবে
Answer: (গ) 'না' স্বতন্ত্র পদ হিসেবে এবং 'নি' সমাসবদ্ধ হিসেবে ব্যবহৃত হবে
Explanation: না-বাচক 'না' স্বতন্ত্র পদ হিসেবে আলাদা থাকবে এবং 'নি' সমাসবদ্ধ বা যুক্ত পদ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। যেমন: করি না, কিন্তু করিনি।

19. অধিকন্তু অর্থে ব্যবহৃত 'ও' প্রত্যয় শব্দের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হবে?

a) (ক) কার-চিহ্ন রূপে যুক্ত না হয়ে পূর্ণ রূপে শব্দের পরে যুক্ত হবে
b) (খ) শব্দের সাথে হাইফেন দিয়ে যুক্ত হবে
c) (গ) ও-কার (ো) হিসেবে শব্দের সাথে মিশে যাবে
d) (ঘ) যুক্ত না হয়ে সম্পূর্ণ বাদ যাবে
Answer: (ক) কার-চিহ্ন রূপে যুক্ত না হয়ে পূর্ণ রূপে শব্দের পরে যুক্ত হবে
Explanation: অধিকন্তু অর্থে ব্যবহৃত 'ও' প্রত্যয় শব্দের সঙ্গে ও-কার রূপে যুক্ত না হয়ে পূর্ণ রূপে শব্দের পরে আলাদা যুক্ত হবে। যেমন: আজও, আমারও, কালও।

20. নিশ্চয়ার্থ 'ই' শব্দের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত করার নিয়ম রয়েছে?

a) (ক) শব্দের সাথে ই-কার (ি) হিসেবে
b) (খ) হাইফেন দিয়ে আলাদা করে
c) (গ) পূর্ণ রূপে শব্দের পরে যুক্ত হবে
d) (ঘ) শব্দের শুরুতে বসে
Answer: (গ) পূর্ণ রূপে শব্দের পরে যুক্ত হবে
Explanation: নিশ্চয়ার্থ বা জোর দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত 'ই' শব্দের সঙ্গে কার-চিহ্ন রূপে যুক্ত না হয়ে পূর্ণ রূপে শব্দের পরে যুক্ত হবে। যেমন: আজই, এখনই।

21. নিচের কোন শব্দটির বানান শুদ্ধ?

a) (ক) অধ্যাবসায়
b) (খ) আদ্যাক্ষর
c) (গ) মনঃকষ্ট
d) (ঘ) উপরোক্ত
Answer: (খ) আদ্যাক্ষর
Explanation: অভিধান ও ব্যাকরণের শুদ্ধ শব্দের তালিকা অনুযায়ী 'আদ্যাক্ষর' বানানটি শুদ্ধ। (উল্লেখ্য, 'অধ্যাবসায়' এর শুদ্ধ রূপ 'অধ্যবসায়'; 'মনঃকষ্ট' এর শুদ্ধ রূপ 'মনোকষ্ট'; 'উপরোক্ত' এর শুদ্ধ রূপ 'উপর্যুক্ত')।

22. নিচের কোন জোড়টি 'সন্ধি-ঘটিত' অশুদ্ধ ও শুদ্ধ বানানের সঠিক রূপ নির্দেশ করে?

a) (ক) উপরোক্ত — উপর্যুক্ত
b) (খ) ইতিমধ্যে — ইতঃমধ্যে
c) (গ) অদ্যপি — অদ্যাবধি
d) (ঘ) পক্ব — পক্ক
Answer: (ক) উপরোক্ত — উপর্যুক্ত
Explanation: সন্ধি-ঘটিত অশুদ্ধি তালিকা অনুযায়ী 'উপরোক্ত' বানানটি অশুদ্ধ এবং এর সঠিক সন্ধিজাত শুদ্ধ রূপ হলো 'উপর্যুক্ত'।

23. 'বচন-ঘটিত' অশুদ্ধির ক্ষেত্রে একই সাথে দুবার বহুবচন বাচক প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয় না। এর প্রেক্ষিতে নিচের কোনটি শুদ্ধ পদ?

a) (ক) সব মাছগুলি
b) (খ) সকল শিক্ষকগণ
c) (গ) সব মাছ / মাছগুলি
d) (ঘ) আকণ্ঠ পর্যন্ত
Answer: (গ) সব মাছ / মাছগুলি
Explanation: বচন-ঘটিত অশুদ্ধি নিয়মানুযায়ী, 'সব মাছগুলি' অশুদ্ধ। শুদ্ধ রূপ হবে হয় 'সব মাছ' অথবা 'মাছগুলি'।

24. 'রেফ'-এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না—এই নিয়মে নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?

a) (ক) ধর্ম্ম
b) (খ) সূর্য্য
c) (গ) কার্তিক
d) (ঘ) অর্জ্জন
Answer: (গ) কার্তিক
Explanation: আধুনিক প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী রেফ-এর পর দ্বিত্ব বর্জন করে শুদ্ধ বানান লিখতে হবে। তাই 'কার্তিক' বানানটি শুদ্ধ, বাকিগুলোতে দ্বিত্ব থাকায় সেগুলো অশুদ্ধ।

25. নিচের কোনটি 'ণ-ত্ব বিধান' ও 'ষ-ত্ব বিধান' জনিত শুদ্ধ বানান?

a) (ক) পরিস্কার
b) (খ) আবিষ্কার
c) (গ) নিষ্কাস
d) (ঘ) দুস্কর
Answer: (খ) আবিষ্কার
Explanation: ই/উ যুক্ত বিসর্গ (ঃ)-এর পর ক, খ, প, ফ থাকলে সাধারণত 'ষ' হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী 'আবাষ্কার' বানানটি শুদ্ধ।

We hope সমাজসেবা অধিদপ্তর (বাংলা): বাংলা বানান-1 these questions and answers will be helpful for your preparation. For more important study material, model tests, and study updates, browse the other categories on our website. If you have any feedback or corrections, please let us know via the 'Report' option below each question.

Error Correction Report