1. 'শুভা' গল্পে শুভার গ্রামের নাম কী ছিল?
ক)
হরিপুর
খ)
চন্দীপুর
গ)
বাণীকণ্ঠপুর
ঘ)
নয়নপুর
উত্তর:
চন্দীপুর
ব্যাখ্যা:
শুভাদের গ্রামটি নদী তীরে অবস্থিত ছিল এবং এর নাম ছিল চন্দীপুর।
2. শুভার বাবার নাম কী ছিল?
ক)
শ্রীকণ্ঠ
খ)
বাণীবিলাস
গ)
রামলোচন
ঘ)
বাণীকণ্ঠ
উত্তর:
বাণীকণ্ঠ
ব্যাখ্যা:
শুভার বাবার নাম বাণীকণ্ঠ এবং তিনি শুভা বতীকে অন্য মেয়েদের চেয়ে একটু বেশি ভালোবাসতেন।
3. শুভার বড় দুটি বোনের নাম কী ছিল?
ক)
সুকেশি ও সুহাসিনী
খ)
সুবালা ও সুমনা
গ)
সুনয়না ও সুমনা
ঘ)
সুচরিতা ও সুলতা
উত্তর:
সুকেশি ও সুহাসিনী
ব্যাখ্যা:
মিল রাখার জন্য বড় দুই বোনের নাম সুকেশি ও সুহাসিনী এবং ছোটবোনের নাম সুভাষিণী (সংক্ষেপে শুভা) রাখা হয়েছিল।
4. শুভার একমাত্র মানবিক সঙ্গী বা বন্ধু কে ছিল?
ক)
শরৎ
খ)
প্রতাপ
গ)
বিপিন
ঘ)
রমেশ
উত্তর:
প্রতাপ
ব্যাখ্যা:
গোসাইদের ছোট ছেলে প্রতাপ ছিল অকর্মণ্য এবং তার প্রধান শখ ছিল ছিপ ফেলে মাছ ধরা। মাছ ধরার সময় শুভা তার পাশে নীরব সঙ্গী হিসেবে বসে থাকত।
5. শুভার গোয়ালের গাভী দুটির নাম কী ছিল?
ক)
মঙ্গলা ও যমুনা
খ)
কালী ও কপিলী
গ)
সর্বশী ও পাঙ্গুলী
ঘ)
শ্যামলী ও ধবলী
উত্তর:
সর্বশী ও পাঙ্গুলী
ব্যাখ্যা:
বোবা মেয়ে শুভার ভাষা এই দুটি গাভী খুব ভালো বুঝত এবং শুভার আদর ও রাগ তারা অনুভব করতে পারত।
6. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
ক)
১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে
খ)
১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে
গ)
১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে
ঘ)
১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর:
১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পান।
7. শুভা কার পায়ের কাছে এসে লুটিয়ে পড়ত এবং নীরবে কাঁদত?
ক)
প্রতাপের
খ)
মায়ের
গ)
বাবার
ঘ)
প্রকৃতির বা নদীর তীরে
উত্তর:
প্রকৃতির বা নদীর তীরে
ব্যাখ্যা:
সমাজের অবহেলা থেকে বাঁচতে শুভা প্রকৃতির সান্নিধ্যে, বিশেষ করে নদীর তীরে গিয়ে মূক প্রকৃতির বুকে আশ্রয় খুঁজত।
8. বঙ্গবাণী' কবিতাটি কবি আব্দুল হাকিমের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
ক)
নূরনামা
খ)
লালমতী
গ)
কারবালা
ঘ)
ইউসুফ জুলেখা
উত্তর:
নূরনামা
ব্যাখ্যা:
কবি আব্দুল হাকিমের বিখ্যাত আধ্যাত্মিক ও স্বাদেশিক কাব্য 'নূরনামা' থেকে এই কবিতাটি সংকলন করা হয়েছে।
9. আব্দুল হাকিম কোন যুগের কবি ছিলেন?
ক)
আধুনিক যুগ
খ)
মধ্যযুগ
গ)
অন্ধকার যুগ
ঘ)
প্রাচীন যুগ
উত্তর:
মধ্যযুগ
ব্যাখ্যা:
কবি আব্দুল হাকিম সপ্তদশ শতকের তথা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একজন অন্যতম প্রধান দেশপ্রেমিক কবি ছিলেন।
10. "যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী / সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি"—চরণ দুটিতে কবির কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
ক)
হতাশা
খ)
অহংকার
গ)
কৌতুক
ঘ)
তীব্র ক্ষোভ ও স্বদেশপ্রেম
উত্তর:
তীব্র ক্ষোভ ও স্বদেশপ্রেম
ব্যাখ্যা:
যারা বাংলাদেশে জন্ম নিয়েও বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করে, তাদের প্রতি কবির তীব্র ক্ষোভ থেকে তিনি তাদের জন্মপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
11. 'বঙ্গবাণী' কবিতায় 'মারফত' শব্দের অর্থ কী?
ক)
আল্লাহকে জানার সাধনা বা আধ্যাত্মিক জ্ঞান
খ)
লোকসংস্কৃতি
গ)
ক্ষুধা মুক্তির পথ
ঘ)
বিদেশের ভাষা
উত্তর:
আল্লাহকে জানার সাধনা বা আধ্যাত্মিক জ্ঞান
ব্যাখ্যা:
মারফত বলতে মূলত আধ্যাত্মিক জ্ঞানকে বোঝায়। কবি বলেছেন, স্রষ্টা সব ভাষাই বোঝেন, তাই মারফত জ্ঞানসম্পন্নদের ভাষার রূপ নিয়ে কোনো দ্বিধা থাকে না।
আরও পড়ুন:
12. আব্দুল হাকিম তাঁর কবিতায় কোন ভাষাকে 'হিংসে' বা অবজ্ঞা না করার উপদেশ দিয়েছেন?
ক)
ফারসি ভাষা
খ)
সংস্কৃত ভাষা
গ)
মাতৃভাষা (বাংলা)
ঘ)
আরবি ভাষা
উত্তর:
মাতৃভাষা (বাংলা)
ব্যাখ্যা:
কবির মতে, নিজ দেশের এবং নিজের মায়ের ভাষার চেয়ে হিতকর বা কল্যাণকর আর কোনো ভাষা হতে পারে না।
13. 'কপোতাক্ষ নদ' কোন ধরনের কবিতা?
ক)
মহাকাব্য
খ)
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা
গ)
রূপক কবিতা
ঘ)
গীতিকবিতা
উত্তর:
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা
ব্যাখ্যা:
কপোতাক্ষ নদ ১৪ চরণের এবং প্রতি চরণে ১৪ মাত্রা থাকায় এটি একটি সনেট।
14. চতুর্দশপদী বা সনেট কবিতার প্রথম আট চরণকে কী বলা হয়?
ক)
অষ্টক
খ)
মিলবিন্যাস
গ)
স্তবক
ঘ)
ষষ্ঠক
উত্তর:
অষ্টক
ব্যাখ্যা:
সনেটের প্রথম আট চরণের সমষ্টিকে 'অষ্টক' (Octave) বলা হয়, যেখানে মূলত 'ভাবের প্রবর্তনা' বা বিষয়ের অবতারণা থাকে।
15. সনেটের শেষ ছয় চরণে (ষষ্ঠক) মূলত কী থাকে?
ক)
কবির পরিচয়
খ)
ভাবের শুরু
গ)
ভাবের পরিণতি
ঘ)
ছন্দের পরিবর্তন
উত্তর:
ভাবের পরিণতি
ব্যাখ্যা:
সনেটের শেষ ছয় চরণে বা ষষ্ঠকে (Sestet) প্রথম অংশের ভাবের গভীর পরিণতি বা উপসংহার টানা হয়।
16. 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির কোন চেতনাটি প্রধান হয়ে উঠেছে?
ক)
বৈরাগ্য ভাব
খ)
স্মৃতিকাতরতা ও দেশপ্রেম
গ)
নিঃসঙ্গতা
ঘ)
প্রকৃতিপ্রেম
উত্তর:
স্মৃতিকাতরতা ও দেশপ্রেম
ব্যাখ্যা:
সুদূর ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে বসেও কবি শৈশবের কপোতাক্ষ নদ এবং নিজ দেশের কথা ভুলতে পারেননি, যা তাঁর গভীর দেশপ্রেমের পরিচয় দেয়।
17. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত খ্রিষ্টাব্দে খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হন?
ক)
১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
খ)
১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে
গ)
১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে
ঘ)
১৮৫৩ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর:
১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা:
১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং তাঁর নামের শুরুতে 'মাইকেল' শব্দটি যুক্ত হয়।
18. "দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে"—এখানে 'দুগ্ধ-স্রোতোরূপী' কাকে বলা হয়েছে?
ক)
সাগরের পানিকে
খ)
ফ্রান্সের নদীকে
গ)
কপোতাক্ষ নদের জলকে
ঘ)
বৃষ্টির পানিকে
উত্তর:
কপোতাক্ষ নদের জলকে
ব্যাখ্যা:
কবি কপোতাক্ষ নদের জল বা স্রোতকে জন্মভূমিরূপী মায়ের বুকের দুধের সাথে তুলনা করেছেন, যা পৃথিবীর অন্য কোনো নদী বা সাগরের জল মেটাতে পারেনি।
19. কপোতাক্ষ নদ কবিতাটির অন্ত্যমিল বিন্যাস কোনটি?
ক)
কখকখ কখকখ এবং গঘগঘ গঘ
খ)
কখখক কখখক এবং গঘঙগঘঙ
গ)
কখকখ গঘগঘ এবং চছচছ চছ
ঘ)
ককখখ ককখখ এবং গগঘঘ গগ
উত্তর:
কখকখ কখকখ এবং গঘগঘ গঘ
ব্যাখ্যা:
এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের নিজস্ব উদ্ভাবিত সনেটের একটি জনপ্রিয় মিলবিন্যাস।
20. কপোতাক্ষ নদ কবিতাটি কবির কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
ক)
ব্রজাঙ্গনা কাব্য
খ)
তিলত্তমা সম্ভব কাব্য
গ)
চতুর্দশপদী কবিতাবলী
ঘ)
বীরাঙ্গনা কাব্য
উত্তর:
চতুর্দশপদী কবিতাবলী
ব্যাখ্যা:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেটগুচ্ছের সংকলন 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' থেকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতাটি পাঠ্যবইয়ে সংকলন করা হয়েছে।