1. গর্ভাবস্থায় প্রথম অ্যান্টিনাটাল চেকআপ সাধারণত কখন করা উচিত??
a)
গর্ভধারণের প্রথম সপ্তাহ
b)
৮–১২ সপ্তাহে
c)
২০–২৪ সপ্তাহে
d)
৩৫ সপ্তাহে
Answer:
৮–১২ সপ্তাহে
Explanation:
প্রথম অ্যান্টিনাটাল চেকআপ সাধারণত গর্ভাবস্থার ৮–১২ সপ্তাহের মধ্যে করা হয়। এই সময়ে মাতার স্বাস্থ্য, পূর্বের গর্ভধারণ সম্পর্কিত ইতিহাস এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়াও রক্ত পরীক্ষা, ইউরিন পরীক্ষা এবং প্রাথমিক আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে গর্ভের স্বাভাবিকতা যাচাই করা হয়।
2. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে গর্ভবতীর হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin) পর্যবেক্ষণ কেন গুরুত্বপূর্ণ??
a)
প্রোটিনের মাত্রা নির্ধারণ করতে
b)
রক্তাল্পতা (Anemia) চিহ্নিত করতে
c)
গর্ভের অবস্থান দেখতে
d)
জন্মের সময় রোগ নির্ণয় করতে
Answer:
রক্তাল্পতা (Anemia) চিহ্নিত করতে
Explanation:
রক্তাল্পতা গর্ভাবস্থায় সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা। হিমোগ্লোবিন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জানা যায়: মাতার স্বাস্থ্য: রক্তাল্পতা থাকলে মা দুর্বল, ক্লান্ত এবং সংক্রমণের প্রতি সংবেদনশীল হতে পারেন। ভ্রূণের বৃদ্ধি ও পুষ্টি: রক্তে অক্সিজেন কম থাকলে ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। প্রি-টার্ম জন্ম ও কম ওজনের শিশুর ঝুঁকি: রক্তাল্পা থাকলে প্রি-টার্ম জন্ম এবং কম জন্মজনিত ওজনের সম্ভাবনা বাড়ে।
3. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারের সময় ভ্যাকসিন দেওয়ার উদ্দেশ্য কি??
a)
শুধু মা সুস্থ রাখার জন্য
b)
ভ্রূণকে বড় করার জন্য
c)
মা ও ভ্রূণ দুজনকেই সুস্থ রাখতে
d)
ওজন কমানোর জন্য
Answer:
মা ও ভ্রূণ দুজনকেই সুস্থ রাখতে
Explanation:
গর্ভাবস্থায় টিটানাস-ডিফথেরিয়া-পারটুসিস (Td/Tdap) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য: ভ্রূণ ও নবজাতকের সুরক্ষা: জন্মের সময় শিশুর জন্য নিউবোরাল টিটানাসের ঝুঁকি কমানো। মাতার রোগ প্রতিরোধ: গর্ভাবস্থায় ডিফথেরিয়া বা পারটুসিস সংক্রমণ থেকে মা রক্ষা। সম্ভাব্য জটিলতা হ্রাস: ভ্যাকসিন সময়মতো দিলে সংক্রমণজনিত জটিলতা যেমন শিশু বা মাতার মৃত্যু প্রায়শই প্রতিরোধ করা যায়।
4. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে ওজন বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা কেন জরুরি??
a)
খাদ্যাভ্যাস চেক করার জন্য
b)
গর্ভের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করার জন্য
c)
জন্মের পূর্বে রক্ত পরীক্ষা করার জন্য
d)
শুধুমাত্র মা দেখতে সুন্দর থাকুক এজন্য
Answer:
গর্ভের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করার জন্য
Explanation:
মাতার ওজনের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সরাসরি ভ্রূণের পুষ্টি এবং স্বাভাবিক বৃদ্ধি নির্দেশ করে। নিয়মিত ওজন বৃদ্ধি: গর্ভকালীন ওজন বৃদ্ধি কম বা বেশি হলে সম্ভাব্য সমস্যা যেমন গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন বা রক্তাল্পতা চিহ্নিত করা যায়। ভ্রূণের বৃদ্ধি: ওজন অনুযায়ী ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা যায়। অনেক সময় আলট্রাসাউন্ডের সাহায্যে ভ্রূণের ওজনের অনুমানও করা হয়। স্বাস্থ্য শিক্ষা: ওজন অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাসের পরামর্শ দেয়া হয় যাতে মাতার এবং ভ্রূণ উভয়েই স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
5. গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ কেন জরুরি??
a)
খাদ্যাভ্যাস যাচাই
b)
গর্ভের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ
c)
রক্ত পরীক্ষা করার জন্য
d)
মা দেখতে সুন্দর থাকুক
Answer:
গর্ভের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ
Explanation:
মাতার ওজন বৃদ্ধি সরাসরি ভ্রূণের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নির্দেশ করে। কম বা বেশি ওজন বৃদ্ধি সম্ভাব্য সমস্যা (গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, রক্তাল্পতা) শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
6. ইউরিন পরীক্ষা অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে কেন করা হয়??
a)
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য
b)
প্রোটিন বা সংক্রমণ চিহ্নিত করতে
c)
গর্ভের অবস্থান নির্ধারণ
d)
শিশু লিঙ্গ নির্ধারণ
Answer:
প্রোটিন বা সংক্রমণ চিহ্নিত করতে
Explanation:
গর্ভাবস্থায় ইউরিন পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি প্রি-ইক্লেমপসিয়ার পূর্বাভাস দেয়। ইউরিনে প্রোটিন থাকলে প্রি-ইক্লেমপসিয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা মা এবং শিশুর জন্য বিপজ্জনক। এছাড়াও ইউরিন সংক্রমণ (UTI) থাকলে জন্মের সময় জটিলতা যেমন প্রি-টার্ম জন্ম, নিম্ন ওজন বা মাতার সংক্রমণ ঘটতে পারে। সময়মতো শনাক্ত করে চিকিৎসা দিলে ঝুঁকি কমানো যায়।
7. ফোলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট দেওয়ার উদ্দেশ্য কি??
a)
মা সুস্থ রাখার জন্য
b)
ভ্রূণকে বড় করার জন্য
c)
মা ও ভ্রূণ দুজনকে সুস্থ রাখার জন্য
d)
ওজন কমানোর জন্য
Answer:
মা ও ভ্রূণ দুজনকে সুস্থ রাখার জন্য
Explanation:
ফোলিক এসিড ভ্রূণের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট (মাথা বা মেরুদণ্ডের জন্মগত সমস্যা) প্রতিরোধ করে। আয়রন রক্তাল্পতা কমায় এবং ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। এটি শুধুমাত্র শিশুর জন্য নয়, মাতার স্বাস্থ্যের জন্যও অপরিহার্য। সঠিক মাত্রায় দেওয়া হলে মা ও শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সুস্থতা নিশ্চিত হয়।
8. ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ কাদের হয়??
a)
২০–৩০ বছর বয়সের মহিলাদের
b)
একাধিক গর্ভধারণ পূর্বে থাকা
c)
প্রথম গর্ভধারণ এবং ≥৩৫ বছর বয়সের মহিলা
d)
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা মহিলাদের
Answer:
প্রথম গর্ভধারণ এবং ≥৩৫ বছর বয়সের মহিলা
Explanation:
প্রথম গর্ভধারণে এবং উচ্চ বয়সের (≥৩৫) মহিলাদের ঝুঁকি বেশি থাকে। সম্ভাব্য সমস্যা: প্রি-ইক্লেমপসিয়া গর্ভপাত বা ডেলিভারি জটিলতা কম ওজনের শিশুর জন্ম গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এই কারণে তাদের বিশেষ নজরদারি এবং অ্যান্টিনাটাল কেয়ার প্রয়োজন।
9. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে আলট্রাসাউন্ড কখন করা হয়??
a)
৪–৬ সপ্তাহে
b)
৮–১২ এবং ১৮–২০ সপ্তাহে
c)
২৫–৩০ সপ্তাহে
d)
৩৫–৪০ সপ্তাহে
Answer:
৮–১২ এবং ১৮–২০ সপ্তাহে
Explanation:
প্রথম স্ক্যান (৮–১২ সপ্তাহে): ভ্রূণের সংখ্যা নির্ধারণ গর্ভের অবস্থান যাচাই প্রাথমিক বৃদ্ধি পরীক্ষা দ্বিতীয় স্ক্যান (১৮–২০ সপ্তাহে): ভ্রূণের অ্যানাটমি মূল্যায়ন জন্মগত ত্রুটি শনাক্তকরণ আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে সমস্যা আগে ধরা পড়লে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
10. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং কখন করা হয়??
a)
প্রথম চেকআপে
b)
২৪–২৮ সপ্তাহে
c)
৩২–৩৪ সপ্তাহে
d)
জন্মের আগে
Answer:
২৪–২৮ সপ্তাহে
Explanation:
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস মাতার এবং শিশুর জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং খাদ্য/ঔষধের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস: প্রি-টার্ম জন্ম কম ওজন বা অতিরিক্ত ওজনের শিশু প্রসূতি জটিলতা সময়মতো শনাক্তকরণ চিকিৎসার সঠিক সময় নিশ্চিত করে।
11. রুটিন অ্যান্টিনাটাল পরীক্ষা কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়??
a)
রক্তচাপ মাপা
b)
ওজন পরিমাপ
c)
লিভার ফাংশন
d)
ভ্রূণের হৃদস্পন্দন শোনা
Answer:
লিভার ফাংশন
Explanation:
রুটিন পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত: রক্তচাপ মাপা ওজন পরিমাপ হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা ইউরিন পরীক্ষা ভ্রূণের হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণ লিভার ফাংশন পরীক্ষা শুধু ঝুঁকিপূর্ণ বা অসুস্থ মহিলাদের ক্ষেত্রে করা হয়।
12. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ কেন গুরুত্বপূর্ণ??
a)
শুধু মাতার স্বস্তির জন্য
b)
প্রি-ইক্লেমপসিয়া শনাক্ত করতে
c)
গর্ভের বৃদ্ধির জন্য
d)
ওজন কমানোর জন্য
Answer:
প্রি-ইক্লেমপসিয়া শনাক্ত করতে
Explanation:
উচ্চ রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় প্রি-ইক্লেমপসিয়ার পূর্বাভাস দেয়。 প্রি-ইক্লেমপসিয়া হলে মা ও শিশুর জন্য প্রাণহানির ঝুঁকি থাকে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ সময়মতো চিকিৎসা শুরু করার জন্য অপরিহার্য।
Read More:
13. গর্ভাবস্থায় ভিটামিন D-এর প্রয়োজন কেন??
a)
রক্তাল্পতা প্রতিরোধে
b)
হাড়ের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে
c)
ভ্রূণের লিভার সুস্থ রাখতে
d)
ওজন কমাতে
Answer:
ভ্রূণের লিভার সুস্থ রাখতে
Explanation:
ভিটামিন D ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়ায়। এটি মাতার হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য এবং ভ্রূণের হাড় গঠনের জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন D এর অভাব হলে হাড় দুর্বল হতে পারে, যা জন্মের পর শিশুর হাড়ের বৃদ্ধিতেও প্রভাব ফেলে।
14. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে রক্ত পরীক্ষা কেন করা হয়??
a)
মাতার হৃদপিন্ড দেখার জন্য
b)
সংক্রমণ বা ঝুঁকি শনাক্ত করতে
c)
শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ
d)
ওজন কমানোর জন্য
Answer:
সংক্রমণ বা ঝুঁকি শনাক্ত করতে
Explanation:
রক্ত পরীক্ষা: হিমোগ্লোবিন এবং রক্তাল্পতা সংক্রমণ (HIV, হেপাটাইটিস বি) রুবেলা ইমিউনিটি সময়মতো শনাক্তকরণ চিকিৎসা এবং নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করে।
15. গর্ভাবস্থায় খাদ্য পরামর্শ কেন গুরুত্বপূর্ণ??
a)
মা সুস্থ রাখার জন্য
b)
ভ্রূণ সুস্থ রাখতে
c)
মা ও ভ্রূণ দুজনকে সুস্থ রাখার জন্য
d)
শুধু ওজন বাড়ানোর জন্য
Answer:
মা ও ভ্রূণ দুজনকে সুস্থ রাখার জন্য
Explanation:
সঠিক পুষ্টি: রক্তাল্পতা কমায় ভ্রূণের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে প্রি-টার্ম জন্মের ঝুঁকি কমায় মাতার শক্তি বজায় রাখে খাদ্য পরামর্শ অ্যান্টিনাটাল কেয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
16. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে ব্লাড গ্লুকোজ মনিটরিং কেন করা হয়??
a)
ওজন বৃদ্ধি নিরীক্ষার জন্য
b)
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস চিহ্নিত করতে
c)
ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য
d)
শুধু মাতার স্বস্তির জন্য
Answer:
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস চিহ্নিত করতে
Explanation:
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস যদি নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তবে: শিশুর অতিরিক্ত ওজন বা কম ওজন হতে পারে প্রি-টার্ম জন্মের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রসূতি জটিলতা, যেমন সিজারিয়ান বা হাইপারটেনশন বাড়ে ব্লাড গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে খাদ্য বা ওষুধ ব্যবহার ঝুঁকি কমায়।
17. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে রুটিন লেবেল টেস্টে কোনটি অন্তর্ভুক্ত??
a)
HIV, হেপাটাইটিস বি, রুবেলা
b)
লিভার ফাংশন
c)
ফাইব্রিনোজেন লেভেল
d)
ভিটামিন B12
Answer:
HIV, হেপাটাইটিস বি, রুবেলা
Explanation:
এই রুটিন টেস্ট: মাতাকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে ভ্রূণকে রোগ থেকে রক্ষা করে HIV বা হেপাটাইটিস থাকলে যথাযথ চিকিৎসা শুরু করে জন্মের সময় ঝুঁকি কমানো যায় রুবেলা ইমিউনিটি পরীক্ষা ভ্রূণের জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ
18. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে গর্ভবতীর হৃদস্পন্দন (FHR) পরীক্ষা কেন করা হয়??
a)
শুধুমাত্র মাতার স্বস্তির জন্য
b)
ভ্রূণের জীবনচক্র যাচাই করতে
c)
গর্ভের অবস্থান নির্ধারণের জন্য
d)
শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য
Answer:
ভ্রূণের জীবনচক্র যাচাই করতে
Explanation:
ফিটাল হার্ট রেট (FHR) পরীক্ষা: ভ্রূণের স্বাস্থ্য এবং অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে সম্ভাব্য জটিলতা যেমন ফিটাল স্ট্রেস বা হার্ট অ্যাবনরমালিটি আগে শনাক্ত করে সাধারণত প্রতি চেকআপে ডপ্লার ব্যবহার করে হার্টের স্পন্দন শোনা হয়
19. অ্যান্টিনাটাল কেয়ারে ডেলিভারি পরিকল্পনা (Birth Plan) কেন গুরুত্বপূর্ণ??
a)
শুধুমাত্র ডেলিভারির জন্য প্রস্তুতি নিতে
b)
মা ও শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করতে
c)
শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করতে
d)
মা ও শিশুর ওজন বাড়ানোর জন্য
Answer:
মা ও শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করতে
Explanation:
ডেলিভারি পরিকল্পনা:- ডেলিভারি কায়দা, হাসপাতালে অবস্থান, মেডিকেশন, এবং সাপোর্ট সিস্টেম নির্ধারণ প্রি-টার্ম বা জটিলতা হলে ব্যবস্থা সহজ হয় মা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে সময়মতো পর্যবেক্ষণ ও মেডিকেল হস্তক্ষেপ শিশুর জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে
20. গর্ভধারণের প্রথম দিন কোন দিন থেকে গণনা করা হয়??
a)
ভ্রূণের গর্ভনির্ধারণের দিন থেকে
b)
শেষ মাসিক চক্রের প্রথম দিন থেকে
c)
ভ্রূণের প্রতিষ্ঠার দিন থেকে
d)
গর্ভপাতের দিন থেকে
Answer:
শেষ মাসিক চক্রের প্রথম দিন থেকে
Explanation:
গর্ভাবস্থার সময়কাল সাধারণত ৪০ সপ্তাহ (২৮০ দিন) ধরে গণনা করা হয়। এই গণনার ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয় শেষ মাসিক চক্রের প্রথম দিন (LMP - Last Menstrual Period)। কারণ অনেক নারী ঠিক কখন অবিভক্ত ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়েছে তা জানে না। LMP থেকে গণনা করলে Expected Date of Delivery (EDD) নির্ধারণ সহজ হয়। চিকিৎসকরা প্রথম ট্রাইমিস্টারে উল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করে গর্ভের সঠিক বয়স যাচাই করেন।
21. কোন হরমোনটি প্রাথমিকভাবে প্লাসেন্টা থেকে নিঃসৃত হয় এবং গর্ভাবস্থা সমর্থন করে??
a)
প্রোল্যাকটিন
b)
হিউম্যান কোরিয়নিক গোনাডোট্রপিন (hCG)
c)
অক্সিটোসিন
d)
ইন্সুলিন
Answer:
হিউম্যান কোরিয়নিক গোনাডোট্রপিন (hCG)
Explanation:
hCG হল একটি গর্ভকালীন হরমোন, যা সাধারণত প্রথম ৮–১২ সপ্তাহে সর্বাধিক নিঃসৃত হয়। এটি Corpus luteum কে সক্রিয় রাখে, যা প্রোজেস্টেরন উৎপাদন চালিয়ে দেয়। প্রোজেস্টেরন গর্ভের এন্ডোমেট্রিয়ামকে প্রস্তুত ও রক্ষা করে, যাতে ভ্রূণ সঠিকভাবে ইমপ্লান্ট হয়। hCG-এর মাত্রা রক্ত বা ইউরিন টেস্টে প্রেগনেন্সি শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চ hCG-মান কখনো কখনো মাল্টিপল গর্ভাবস্থা বা মোলার প্রেগনেন্সি নির্দেশ করতে পারে।
22. প্রথম ত্রৈমাসিকে সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গ কোনটি??
a)
ভরবৃদ্ধি
b)
পেশীর সংকোচন
c)
Morning sickness (বমি-বমি ভাব)
d)
হাইপারটেনশন
Answer:
Morning sickness (বমি-বমি ভাব)
Explanation:
Morning sickness সাধারণত প্রথম ১২ সপ্তাহের মধ্যে দেখা যায়। এটি হরমোনাল পরিবর্তন, বিশেষ করে hCG ও প্রোজেস্টেরন বৃদ্ধি এবং গন্ধ বা খাবারের প্রতি সংবেদনশীলতার কারণে ঘটে। লক্ষণগুলো প্রায়ই সকালবেলায় বেশি দেখা যায়, কিন্তু দিনের যেকোন সময়ও হতে পারে। এটি স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর গর্ভাবস্থার অংশ, তবে অত্যধিক বমি-বমি ভাব (Hyperemesis gravidarum) হলে চিকিৎসার প্রয়োজন।
23. গর্ভাবস্থায় কোন ভিটামিন নিয়মিত গ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ??
a)
ভিটামিন সি
b)
ভিটামিন বি১২
c)
ফোলিক অ্যাসিড
d)
ভিটামিন ডি
Answer:
ফোলিক অ্যাসিড
Explanation:
ফোলিক অ্যাসিড (Vitamin B9) গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট (যেমন Spina Bifida, Anencephaly) প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ। সুপারিশকৃত মাত্রা: প্রতিদিন ৪০০–৫০০ মাইক্রোগ্রাম, গর্ভধারণের আগে এবং প্রথম ১২ সপ্তাহে। এটি DNA & RNA সিন্থেসিস, কোষ বিভাজন ও বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। ফোলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার ফলে ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত হয়।