০১. বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝা:
পরীক্ষার আগে শুধু মুখস্থ নয়, বিষয়গুলো পুরোপুরি বোঝার চেষ্টা করো। বোঝা থাকলে মুখস্ত উত্তরও সহজ মনে হয়।
০২. সংজ্ঞা, সূত্র ও নিয়ম মুখস্থ করা:
মূল সংজ্ঞা, সূত্র, নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ টার্মগুলো লিখে পড়ো। এগুলো ভাইভার প্রশ্নের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজে আসে।
০৩. কেন এবং কিভাবে কাজ করে তা বোঝা:
শুধু ফলাফল মনে রাখলে যথেষ্ট নয়। পরীক্ষক চাইবেন তুমি বিষয়টি বুঝছো কি না।
০৪. সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার উত্তর প্রস্তুত রাখা:
দীর্ঘ এবং এলোমেলো উত্তর দিবে না। ২–৪ লাইনে পরিষ্কারভাবে বলার অভ্যাস করো।
০৫. আয়নার সামনে বা বন্ধুর কাছে উত্তর বলা:
মুখস্থ জ্ঞান পরীক্ষা করতে প্র্যাকটিস করো। আয়নায় বা বন্ধুদের সামনে বললে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
০৬. সিলেবাস অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করা:
সিলেবাসের সব অধ্যায় সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রধান অংশগুলো চিহ্নিত করে বেশি সময় দাও।
০৭. চিত্র ও ডায়াগ্রাম মনে রাখা:
যদি প্রয়োজন হয়, চিত্র বা ডায়াগ্রাম দিয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারো। এটা বোঝাতে অনেক সাহায্য করে।
০৮. সম্ভাব্য প্রশ্নের তালিকা তৈরি করা:
প্র্যাকটিসের জন্য প্রশ্নের একটি সম্ভাব্য তালিকা বানাও। এতে প্রস্তুতি আরও সঠিক হয়।
০৯. পুরো উত্তর না জানলেও জ্ঞান প্রদর্শন করা:
যদি কোনো প্রশ্নের পুরো উত্তর না জানো, তবে যা জানো তা পরিষ্কারভাবে বোঝানোর চেষ্টা করো।
১০. পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন দেখে প্রস্তুতি নেওয়া:
পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন দেখে প্রশ্নের ধরন বোঝা সহজ হয়। পরীক্ষক কোন বিষয় বেশি প্রশ্ন করতে পারে তা জানা যায়।
১১. ছোট নোট বানানো:
পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছোট নোটে লিখে রাখলে দ্রুত রিভিশন করা সহজ হয়।
১২. দুই-তিন লাইনে মূল ধারণা বোঝানোর অভ্যাস করা:
প্রশ্নের উত্তর সংক্ষিপ্ত হলেও মূল বিষয় স্পষ্ট দেখানো গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. সহজ ও পরিষ্কার শব্দ ব্যবহার করা:
জটিল বা অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্যবহার না করে সহজ ভাষায় উত্তর দাও। বোঝাতে সুবিধা হয়।
১৪. সংক্ষেপে হলেও বিন্যাস ঠিক রাখা:
উত্তর সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয় বস্তু ধারাবাহিক ও বিন্যস্ত হওয়া উচিত।
১৫. পরীক্ষার আগে পর্যাপ্ত ঘুম নেওয়া:
পরীক্ষার দিন ক্লান্তি এড়াতে ভালো ঘুম জরুরি।
১৬. অপ্রয়োজনীয় চিন্তা ও চাপ এড়িয়ে চলা:
ভাইভার আগে মানসিক চাপ কম রাখার চেষ্টা করো। চাপ থাকলে মনোযোগ কমে যায়।
১৭. শারীরিক সুস্থতা ঠিক রাখা:
ভাইভার দিন শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকলে মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
১৮. পরীক্ষা শুরুর আগে হালকা খাবার খাওয়া:
হালকা খাবার খেলে মন স্থির থাকে এবং ঘুম বা ক্লান্তি লাগে না।
১৯. সময় মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো:
সময়ে পৌঁছালে প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস ভালো থাকে। দেরি হলে মানসিক চাপ বাড়ে।
২০. ধীরে ও স্পষ্টভাবে কথা বলার অভ্যাস করা:
দ্রুত কথা বললে উত্তরে ভুলের সম্ভাবনা বাড়ে। ধীরে, স্পষ্ট ও আত্মবিশ্বাসীভাবে উত্তর দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলো।
পরীক্ষার আগে শুধু মুখস্থ নয়, বিষয়গুলো পুরোপুরি বোঝার চেষ্টা করো। বোঝা থাকলে মুখস্ত উত্তরও সহজ মনে হয়।
০২. সংজ্ঞা, সূত্র ও নিয়ম মুখস্থ করা:
মূল সংজ্ঞা, সূত্র, নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ টার্মগুলো লিখে পড়ো। এগুলো ভাইভার প্রশ্নের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজে আসে।
০৩. কেন এবং কিভাবে কাজ করে তা বোঝা:
শুধু ফলাফল মনে রাখলে যথেষ্ট নয়। পরীক্ষক চাইবেন তুমি বিষয়টি বুঝছো কি না।
০৪. সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার উত্তর প্রস্তুত রাখা:
দীর্ঘ এবং এলোমেলো উত্তর দিবে না। ২–৪ লাইনে পরিষ্কারভাবে বলার অভ্যাস করো।
০৫. আয়নার সামনে বা বন্ধুর কাছে উত্তর বলা:
মুখস্থ জ্ঞান পরীক্ষা করতে প্র্যাকটিস করো। আয়নায় বা বন্ধুদের সামনে বললে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
০৬. সিলেবাস অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করা:
সিলেবাসের সব অধ্যায় সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রধান অংশগুলো চিহ্নিত করে বেশি সময় দাও।
০৭. চিত্র ও ডায়াগ্রাম মনে রাখা:
যদি প্রয়োজন হয়, চিত্র বা ডায়াগ্রাম দিয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারো। এটা বোঝাতে অনেক সাহায্য করে।
০৮. সম্ভাব্য প্রশ্নের তালিকা তৈরি করা:
প্র্যাকটিসের জন্য প্রশ্নের একটি সম্ভাব্য তালিকা বানাও। এতে প্রস্তুতি আরও সঠিক হয়।
০৯. পুরো উত্তর না জানলেও জ্ঞান প্রদর্শন করা:
যদি কোনো প্রশ্নের পুরো উত্তর না জানো, তবে যা জানো তা পরিষ্কারভাবে বোঝানোর চেষ্টা করো।
১০. পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন দেখে প্রস্তুতি নেওয়া:
পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন দেখে প্রশ্নের ধরন বোঝা সহজ হয়। পরীক্ষক কোন বিষয় বেশি প্রশ্ন করতে পারে তা জানা যায়।
১১. ছোট নোট বানানো:
পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছোট নোটে লিখে রাখলে দ্রুত রিভিশন করা সহজ হয়।
১২. দুই-তিন লাইনে মূল ধারণা বোঝানোর অভ্যাস করা:
প্রশ্নের উত্তর সংক্ষিপ্ত হলেও মূল বিষয় স্পষ্ট দেখানো গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. সহজ ও পরিষ্কার শব্দ ব্যবহার করা:
জটিল বা অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্যবহার না করে সহজ ভাষায় উত্তর দাও। বোঝাতে সুবিধা হয়।
১৪. সংক্ষেপে হলেও বিন্যাস ঠিক রাখা:
উত্তর সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয় বস্তু ধারাবাহিক ও বিন্যস্ত হওয়া উচিত।
১৫. পরীক্ষার আগে পর্যাপ্ত ঘুম নেওয়া:
পরীক্ষার দিন ক্লান্তি এড়াতে ভালো ঘুম জরুরি।
১৬. অপ্রয়োজনীয় চিন্তা ও চাপ এড়িয়ে চলা:
ভাইভার আগে মানসিক চাপ কম রাখার চেষ্টা করো। চাপ থাকলে মনোযোগ কমে যায়।
১৭. শারীরিক সুস্থতা ঠিক রাখা:
ভাইভার দিন শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকলে মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
১৮. পরীক্ষা শুরুর আগে হালকা খাবার খাওয়া:
হালকা খাবার খেলে মন স্থির থাকে এবং ঘুম বা ক্লান্তি লাগে না।
১৯. সময় মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো:
সময়ে পৌঁছালে প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস ভালো থাকে। দেরি হলে মানসিক চাপ বাড়ে।
২০. ধীরে ও স্পষ্টভাবে কথা বলার অভ্যাস করা:
দ্রুত কথা বললে উত্তরে ভুলের সম্ভাবনা বাড়ে। ধীরে, স্পষ্ট ও আত্মবিশ্বাসীভাবে উত্তর দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলো।
Sponsored
Sponsored