ভাইভা টিপস || ২১–৪০: ভাইভার সময় কৌশল

26 Dec, 2025 Viva Voice
২১. শান্ত থাকা এবং গভীর শ্বাস নেওয়া:
ভাইভা শুরু হওয়ার আগে নিজেকে শান্ত রাখো। গভীর শ্বাস নিলে মন স্থির হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

২২. প্রশ্ন মনোযোগ দিয়ে শোনা:
পরীক্ষকের প্রশ্ন ঠিকভাবে বুঝে নাও। প্রশ্ন পুরোপুরি না বুঝলে সঠিক উত্তর দেওয়া কঠিন হয়।

২৩. একই প্রশ্ন পুনরায় বলার ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরা:
প্রশ্ন যদি একবারে না বোঝা যায়, শান্তভাবে আবার শোনো।

২৪. যা জানো তা স্পষ্টভাবে বলা:
পরীক্ষক জানতে চায় তুমি যা জানো তা কতটা পরিষ্কার ভাবে বলতে পারো। তাই যা জানো তা আত্মবিশ্বাসী ভাবে বলো।

২৫. যা জানো না তা বলা থেকে বিরত থাকা:
যা তুমি জানো না, তা অনুমান করে বলার চেষ্টা করা এড়িয়ে যাও। ভুল উত্তর দিলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

২৬. “আমার ধারণা হলো…” বলে উত্তর শুরু করা:
যদি নিশ্চিত না হও, নম্রভাবে উত্তর শুরু করো। যেমন: “আমার ধারণা হলো…”। এতে পরীক্ষক বোঝে তুমি চিন্তা করে উত্তর দিচ্ছ।

২৭. অপ্রত্যাশিত প্রশ্নে চুপ না থাকা:
অপ্রত্যাশিত বা কঠিন প্রশ্নে হঠাৎ চুপ হয়ে যেও না। জানা অংশ থেকে শুরু করো এবং যুক্তি দেখাও।

২৮. সরাসরি উত্তর না পেলে জ্ঞান ভিত্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া:
যদি পুরো উত্তর মনে না থাকে, তবে যা জানা আছে তা ব্যাখ্যা করো। পরীক্ষক প্রমাণিত বোঝাপড়া দেখতে চায়।

২৯. চোখে চোখ রেখে উত্তর দেওয়া:
চোখে চোখে যোগাযোগ রাখা আত্মবিশ্বাস প্রদর্শন করে এবং পরীক্ষকের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করে।

৩০. শরীরের ভাষা ও অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করা:
সোজা বসা, হালকা হাতের ব্যবহার ও মুখের অভিব্যক্তি আত্মবিশ্বাস দেখায়।

৩১. অনুমান না করে প্রশ্ন  উত্তর দেওয়া:
প্রশ্ন বুঝে উত্তর দাও। অনুমান করলে ভুল বোঝা যেতে পারে।

৩২. প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি বা ব্যাখ্যা চাইতে পারা:
প্রয়োজন হলে নম্রভাবে বলো: “স্যার/ম্যাডাম, প্রশ্নটা একটু ব্যাখ্যা করবেন?”

৩৩. প্রশ্নের অংশ ভাগ করে উত্তর দেওয়া:
বড় প্রশ্ন হলে তা ভাগ ভাগ করে উত্তর দাও। এতে উত্তর পরিষ্কার ও সহজবোধ্য হয়।

৩৪. একই প্রশ্ন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা:
প্রয়োজনে উদাহরণ বা চিত্র ব্যবহার করে একই উত্তর ভিন্নভাবে বোঝাতে পারো।

৩৫. উত্তর দেওয়ার আগে কিছু সেকেন্ড ভাবা:
প্রশ্ন শুনার পরে ২–৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে উত্তর সাজানো ভালো। এতে উত্তর আরও সুনির্দিষ্ট হয়।

৩৬. একাধিক সূত্র বা সংজ্ঞা মনে রাখা:
যদি সম্ভব হয়, একাধিক সূত্র বা সংজ্ঞা মনে রাখো। এটি পরীক্ষকে প্রভাবিত করতে সাহায্য করে।

৩৭. প্রশ্ন বুঝতে না পারলে নম্রভাবে জিজ্ঞাসা করা:
যদি প্রশ্ন বোঝা না যায়, বিনয়ীভাবে পুনরায় জিজ্ঞাসা করো। এতে বোঝার চেষ্টার ইমপ্রেশন দেয়।

৩৮. সময় সাশ্রয় করার চেষ্টা করা:
প্রতিটি প্রশ্নে প্রয়োজনীয় সময় ব্যবহার করো। অতিরিক্ত দীর্ঘ উত্তর সময় নষ্ট করে।

৩৯. ভুল হলে দ্রুত শান্ত হয়ে আবার শুরু করা:
ভুল উত্তর দিলে নিজেকে দোষ দিও না। শান্ত হয়ে আবার শুরু করো।

৪০. প্রশ্নের ছোট অংশও সঠিকভাবে উত্তর দেওয়া:
প্রতিটি প্রশ্নের অংশ গুরুত্বপূর্ণ। ছোট অংশও মিস করলে পরীক্ষা প্রভাবিত হতে পারে।

Sponsored
Sponsored
Exams Study Rank Login