ভাইভা টিপস || ৪১–৬০: প্র্যাকটিস ও কৌশল

26 Dec, 2025 Viva Voice
৪১. ভাইভার প্রশ্নের উত্তর ৩০ সেকেন্ডে বলা:
প্র্যাকটিসে চেষ্টা করো প্রতিটি প্রশ্ন ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে উত্তর দিতে পারো। এতে বাস্তবে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং সময়ও বাঁচে।

৪২. মুখস্থ নয়, বোঝার উপর জোর দেওয়া:
শুধু মুখস্থ উত্তর দেওয়ার চেয়ে বোঝার মাধ্যমে উত্তর দেওয়াই বেশি কার্যকর। বোঝা থাকলে প্রশ্নের ভিন্ন ভাবে আসলেও উত্তর দেওয়া যায়।

৪৩. চিত্র বা ডায়াগ্রাম ব্যবহার করে বোঝানো:
যদি সম্ভব হয়, উত্তর বোঝানোর জন্য চিত্র বা ডায়াগ্রাম ব্যবহার করো। এটি পরীক্ষকের মনে ভালো ইমপ্রেশন রাখে।

৪৪. প্রশ্নের মূল অংশ ধরার চেষ্টা করা:
প্রশ্নের অপ্রয়োজনীয় অংশে সময় নষ্ট না করে মূল অংশে ফোকাস করো।

৪৫. “সম্ভবত” বা “হয়তো” শব্দ ব্যবহার করা:
যদি নিশ্চিত না হও, নম্রভাবে অনুমান প্রকাশ করো। উদাহরণ: “সম্ভবত এইভাবে হয়…”।

৪৬. সংক্ষেপে হলেও ধারাবাহিক উত্তর দেওয়া:
উত্তর সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে সাজানো উচিত। এটি পরিষ্কার বোঝাপড়া দেখায়।

৪৭. প্র্যাকটিসে শিক্ষক বা বন্ধুর সাহায্য নেওয়া:
উত্তরের প্র্যাকটিসে শিক্ষক বা বন্ধুকে ব্যবহার করলে আরও বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।

৪৮. উদাহরণ মনে রাখা:
প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার সঙ্গে উদাহরণ মনে রাখলে বোঝানো সহজ হয়।

৪৯. নোটে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছোট বাক্যে লিখে রাখা:
ছোট নোটে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লিখে রাখলে পরীক্ষার আগে দ্রুত রিভিশন করা সহজ হয়।

৫০. সময়মতো প্র্যাকটিস শেষ করার অভ্যাস গড়ে তোলা:
প্র্যাকটিসের সময় লক্ষ্য নির্ধারণ করলে পরীক্ষার সময়ও উত্তর দেওয়া সুসংগঠিত হয়।

৫১. একই প্রশ্ন ভিন্নভাবে বোঝার চেষ্টা করা:
প্রশ্নের ভিন্ন দিকও বোঝার চেষ্টা করো। এটি সৃজনশীল উত্তর দিতে সাহায্য করে।

৫২. শুধু জানা অংশের উপর নির্ভর না করা:
যা জানো তা ছাড়া অন্য দিকও যাচাই করার চেষ্টা করো। এটি পরীক্ষাকে দেখায় যে তুমি বিষয়টি ভালোভাবে জানো।

৫৩. ভুল হলে মৃদু হাসি দিয়ে পরিস্থিতি সামলানো:
ভুল উত্তর দিলে হঠাৎ ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। শান্ত থাকো এবং সামলে নাও।

৫৪. শারীরিক ভাষা ও চোখের যোগাযোগ প্র্যাকটিস করা:
উত্তর দেওয়ার সময় চোখের যোগাযোগ ও অঙ্গভঙ্গি আত্মবিশ্বাস দেখায়।

৫৫. উত্তর শুরু করার সময় বিনম্রতা বজায় রাখা:
প্রশ্নের শুরুতে নম্রতা ও ভদ্রতা দেখাও। উদাহরণ: “স্যার/ম্যাডাম, আমার উত্তর হলো…”।

৫৬. অধ্যায়ের মূল বিষয়গুলো আলাদা চিহ্নিত করা:
সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলাদা চিহ্নিত করলে প্র্যাকটিস সহজ হয়।

৫৭. উত্তর মনে না থাকলেও ভাবনার মাধ্যমে সাজানো:
যদি পুরো উত্তর মনে না থাকে, তবে যা জানো তা যুক্তি দিয়ে সাজাও।

৫৮. হোম প্র্যাকটিসে সময় মেপে করা:
প্র্যাকটিসের সময় টাইমার ব্যবহার করলে বাস্তবে সময় অনুযায়ী উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

৫৯. প্রশ্নের সাথে উদাহরণ দিয়ে উত্তর ইমপ্রেসিভ করা:
উদাহরণ যোগ করলে পরীক্ষকের কাছে উত্তর আরও প্রভাবশালী হয়।

৬০. মনোযোগ হারানো থেকে বিরত থাকা:
ভাইভার চলাকালীন মনোযোগ সম্পূর্ণ রাখতে চেষ্টা করো। বিভ্রান্তি আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।

Sponsored
Sponsored
Exams Study Rank Login