1. ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম-
ক)
ইউরিয়া
খ)
টিএসপি
গ)
অ্যামেনিয়া
ঘ)
সালফেট
উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা:
নরসিংদীতে অবস্থিত ঘোড়াশাল সার কারখানায় (বর্তমানে ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রজেক্ট) মূলত ইউরিয়া (Urea) সার উৎপাদিত হয়। এটি প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী একটি অন্যতম বৃহৎ ও আধুনিক সার কারখানা।
2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়-
ক)
১৯৪৭ সালে
খ)
১৯৫০ সালে
গ)
১৯৫৩ সালে
ঘ)
১৯৫৭ সালে
উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৩ সালে।
এর প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড.আই.এইচ. জুবেরি।
3. কোন মোগল সম্রাট 'জিজিয়া কর' রহিত করেন?
ক)
হুমায়ুন
খ)
আকবর
গ)
শাহজাহান
ঘ)
আওরঙ্গজেব
উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা:
তৃতীয় মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৬৪ সালে জিজিয়া কর রহিত (বাতিল) করেন । অমুসলিম প্রজাদের প্রতি তার ধর্মীয় সহনশীলতার নীতির অংশ হিসেবে তিনি এই কর তুলে দিয়েছিলেন, যা আগে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের ওপরও আরোপিত ছিল। তবে পরবর্তীতে ১৬৭৯ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেব আবার জিজিয়া কর চালু করেন।
4. মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
ক)
করতোয়া
খ)
ব্রহ্মপুত্র
গ)
মহানন্দা
ঘ)
গঙ্গা
উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা:
মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় । বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কি.মি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গেলে এই শহরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়৷
5. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
ক)
জয়নুল আবেদীন
খ)
কামরুল হাসান
গ)
হামিদুজ্জামান খান
ঘ)
হাসেম খান
উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার বা নকশাকার হলেন পটুয়া কামরুল হাসান। তিনি ১৯৭২ সালে বর্তমান পতাকার (মানচিত্র বিহীন) চূড়ান্ত নকশা করেন। তবে, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পূর্বে মানচিত্র খচিত প্রথম পতাকার মূল নকশাকার ছিলেন ছাত্রনেতা শিব নারায়ণ দাস।
6. কে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন?
ক)
স্পিকার
খ)
রাষ্ট্রপতি
গ)
প্রধানমন্ত্রী
ঘ)
প্রধান বিচারপতি
উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন মহামান্য "রাষ্ট্রপতি "। বর্তমানে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হয়ে থাকেন। রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল ৫ বছর। জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া প্রতিটি বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতিক্রমে আইনে পরিণত হয়।
7. সোনারগাঁও -এর পূর্ব নাম কি ছিল?
ক)
গৌড়
খ)
চন্দ্রদ্বীপ
গ)
সুধারাম
ঘ)
সুবর্ণগ্রাম
উত্তর:
সুবর্ণগ্রাম
ব্যাখ্যা:
নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপ-জেলা, যার পূর্ব নাম বৈদ্যবাজার ছিল সোনারগাঁও।
8. বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ভৌগোলিক কাল্পনিক রেখা গেছে তার নাম কি?
ক)
দ্রাঘিমা রেখা
খ)
বিষুব রেখা
গ)
কর্কটক্রান্তি রেখা
ঘ)
মকর রেখা
উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ভৌগোলিক কাল্পনিক রেখা গেছে তার নাম কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)। এটি বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখাটি নিরক্ষরেখা থেকে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ নির্দেশ করে।
9. বাংলাদেশের গভীরতম নদী কোনটি?
ক)
পদ্মা
খ)
মেঘনা
গ)
যমুনা
ঘ)
সুরমা
উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের বৃহত্তম, প্রশস্ততম, গভীরতম, নাব্যতম ও চির যৌবনা নদী - মেঘনা।
বাংলাদেশের দীর্ঘতম, আন্তর্জাতিক মানের নদী ও কীর্তিনাশা নদী - পদ্মা।
10. পদ্মা ও যমুনা কোথায় মিলিত হয়েছে?
ক)
চাঁদপুর
খ)
সিরাজগঞ্জ
গ)
গোয়ালন্দ
ঘ)
ভোলা
উত্তর:
গোয়ালন্দ
ব্যাখ্যা:
পদ্মা নদী উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। সবশেষে পদ্মা - মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।
11. চট্টগ্রাম কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
ক)
লুসাই
খ)
গোমতি
গ)
সুরমা
ঘ)
কর্ণফুলী
উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা:
চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। এই নদী ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর, এই নদীর মোহনায় অবস্থিত। কর্ণফুলী নদী চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ নদী।
12. 'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোডের' নির্মাতা-
ক)
বাবর
খ)
আকবর
গ)
শাহজাহান
ঘ)
শেরশাহ
উত্তর:
শেরশাহ
ব্যাখ্যা:
'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' ষোড়শ শতাব্দীতে সম্রাট শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক। ব্রিটিশ আমলে শূন্য চলাচলের সুবিধা এবং ডাক বিভাগের উন্নতির উদ্দেশ্য সড়কের সংস্কার করে কলকাতা থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়। এ সময় এই সড়কটির নাম দেওয়া হয় 'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড'।
13. কেন অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি?
ক)
মেরু অঞ্চলে
খ)
সমুদ্র পৃষ্ঠে
গ)
ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে
ঘ)
মহাশূন্যে
উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা:
পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয় মেরু অঞ্চলে (North and South Poles)। কারণ, পৃথিবী পুরোপুরি গোল না হওয়ায় মেরু অঞ্চলে ব্যাসার্ধ কম এবং পৃথিবীর কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকে, যার ফলে সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
14. বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা কে?
ক)
বখতিয়ার খলজী
খ)
ইলিয়াস শাহ
গ)
হুসেন শাহ
ঘ)
শিরান খলজী
উত্তর:
বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা:
বকতিয়ার খলজী ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের শেষ অথবা ১২০৫ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে বাংলার উত্তর - পশ্চিমাংশে করে সেখানে মুসলিম শাসনের সূচনা করেন। উত্তরা আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দোস্ত ই মার্গ) এলাকার বাসিন্দা একটি আর উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
15. বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে -
ক)
টেকের হাটে
খ)
রাণীগঞ্জে
গ)
বিজয়পুরে
ঘ)
বিয়ানীবাজারে
উত্তর:
বিজয়পুরে
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশে মূলত নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় উন্নতমানের চীনামাটির (সাদামাটি বা কেওলিন) বিশাল খনি বা সন্ধান পাওয়া গেছে। ১৯৫৭ সালে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর সর্বপ্রথম এখানে এই মাটির অস্তিত্ব শনাক্ত করে। এছাড়া নওগাঁর পত্নীতলা এবং দিনাজপুরের কিছু এলাকাতেও এর খনি রয়েছে, তবে বিজয়পুরের মাটি সবচেয়ে বিখ্যাত।
16. দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?
ক)
দিনাজপুর
খ)
লালমনিরহাট
গ)
রংপুর
ঘ)
কুড়িগ্রাম
উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা:
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত। এটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলা দ্বারা পরিবেষ্টিত । এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ছিটমহল, যা ঐতিহাসিক তিনবিঘা করিডোর-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত।
17. নিচের কোন পর্যটক সোনারগাঁও এসেছিলেন?
ক)
মার্কোপোলো
খ)
ফা-হিয়েন
গ)
হিউয়েন সাঙ
ঘ)
ইবনে বতুতা
উত্তর:
ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা:
চতুর্দশ শতাব্দীর বিখ্যাত মরক্কোর পর্যটক ও পরিব্রাজক ইবনে বতুতা সোনারগাঁও পরিভ্রমণ করেছিলেন।তিনি ১৩৪৫-১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দের দিকে বাংলার সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমলে সোনারগাঁওয়ে আসেন এবং এর সমৃদ্ধি ও নদীপথের বর্ণনা তার ভ্রমণকাহিনীতে (রিহলাহ) লিপিবদ্ধ করেন।
18. লালবাগের কেল্লা কে স্থাপন করেন?
ক)
টিপু সুলতান
খ)
শাহ সুজা
গ)
শায়েস্তা খান
ঘ)
ইসলাম খান
উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা:
লালবাগ কেল্লা এর নির্মাণ শুরু করেছিলেন যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ , যিনি ছিলেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র এবং সংক্ষিপ্তভাবে একজন ভবিষ্যত মুঘল সম্রাট। রাজপুত্রকে তার পিতা প্রত্যাহার করার পর, মুঘল বাংলার সুবাহদার শায়েস্তা খান দুর্গের নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেন।
19. বাংলাদেশের কোন সাঁতারু ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন?
ক)
আব্দুর রহমান
খ)
মোহাম্মদ ইদ্রিস
গ)
ব্রজেন দাস
ঘ)
এদের কেউই না
উত্তর:
ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা:
ব্রজেন দাস (৯ ডিসেম্বর ১৯২৭ - ১ জুন ১৯৯৮) ছিলেন একজন বাঙালি সাঁতারু। তিনিই প্রথম দক্ষিণ এশীয় ব্যক্তি, যিনি সাঁতার কেটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন। ১৯৫৮ সালের ১৮ আগস্ট তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
20. ফকির আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
ক)
সিরাজ শাহ
খ)
মোহসীন আলী
গ)
মজনু শাহ
ঘ)
জহির শাহ
উত্তর:
মজনু শাহ
ব্যাখ্যা:
১৮শ শতকের শেষার্ধে (১৭৬০-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলায় ব্রিটিশ বিরোধী ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের প্রধান নেতা ও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মজনু শাহ (মজনুন শাহ)।
21. ইউরোপ থেকে সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কৃত হয় কোন সালে?
ক)
১৪৮৭ সালে
খ)
১৩৮৭ সালে
গ)
১৫৮৭ সালে
ঘ)
১৬৮৭ সালে
উত্তর:
১৪৮৭ সালে
ব্যাখ্যা:
ইউরোপ থেকে সমুদ্রপথে ভারতে আসার পথ ১৪৯৮ সালে আবিষ্কৃত হয় । পর্তুগিজ নাবিক ও অভিযাত্রী ভাস্কো দা গামা (Vasco da Gama) আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত বা কেপ অফ গুড হোপ (Cape of Good Hope) ঘুরে ভারতে এই জলপথ আবিষ্কার করেন। তিনি ১৪৯৮ সালের ২০ মে ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছান, যা ইউরোপীয়দের জন্য সরাসরি বাণিজ্যিক পথ খুলে দেয়।
22. বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরি নাচ কোন অঞ্চলের?
ক)
সিলেট
খ)
রাঙামাটি
গ)
রংপুর
ঘ)
কুমিল্লা
উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরী নাচ মূলত সিলেট অঞ্চলের (বিশেষ করে মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা) সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ । মণিপুরী সম্প্রদায়ের বৈষ্ণব সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই নাচ রাধা-কৃষ্ণের প্রেম কাহিনী বা 'রাসলীলা' কেন্দ্রিক। এটি সিলেটের আদিবাসী মণিপুরী জনগোষ্ঠীর প্রধান নৃত্যধারা।
23. সুন্দরবন কোন ধরনের বন?
ক)
রেইন
খ)
কনিয়ার
গ)
ম্যানগ্রোভ
ঘ)
কোনোটিই নয়
উত্তর:
ম্যানগ্রোভ
ব্যাখ্যা:
সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ও অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বন (Mangrove Forest) বা লবণাক্ত বনাঞ্চল। এটি সমুদ্র উপকূলবর্তী জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত একটি প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, যা বঙ্গোপসাগরের কোলে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার বদ্বীপ অঞ্চলে অবস্থিত।
24. প্রাচীন বাংলার সবগুলো জনপদই একত্রে বাংলা নামে পরিচিতি লাভ করে কার আমল থেকে?
ক)
সুলতান সিকান্দার শাহ
খ)
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
গ)
নবাব আলীবর্দি খাঁ
ঘ)
শশাঙ্ক
উত্তর:
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা:
প্রাচীন বাংলার সবগুলো জনপদ (বঙ্গ, পুণ্ড্র, গৌড়, সমতট, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি) একত্রে এবং এককভাবে 'বাংলা' বা 'বাঙ্গালাহ্' (Bangalah) নামে পরিচিতি লাভ করে সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ-এর আমল থেকে। তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে রাঢ়, বঙ্গ ও সমতট অঞ্চলগুলোকে একত্রিত করে "শাহ-ই-বাঙালিয়ান" বা "সতগাঁও ও লক্ষ্মণাবতী" একীভূত করে বাংলার স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন, যার ফলে এই ঐক্যবদ্ধ রূপটি বাংলা নামে পরিচিতি পায়।
25. বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়-
ক)
চট্টগ্রামে
খ)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
গ)
কুষ্টিয়ার মুজিবনগরে
ঘ)
কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে
উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে উত্তোলন করা হয়। তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আব্দুর রব এই পতাকা উত্তোলন করেছিলেন । এটি ছিল সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মধ্যে সোনালি মানচিত্র খচিত প্রথম পতাকা।