1. সায়নোকোবালামিন বলা হয় কোন ভিটামিন কে?
ক)
ভিটামিন বি-৯
খ)
ভিটামিন বি-১২
গ)
ভিটামিন বি-৭
ঘ)
ভিটামিন বি-৬
উত্তর:
ভিটামিন বি-১২
ব্যাখ্যা:
ভিটামিন বি-১২ কে সায়নোকোবালামিন বলা হয়। ভিটামিন বি-৯ কে বলা হয় ফলিক এসিড, বি-১ কে থায়ামিন, বি-২ কে রিবোফ্লাভিন, বি-৩ কে নিয়াসিন, বি-৫ কে পেন্টোথেনিক আর বি-৬ লে বলা হয় পাইরিডক্সিন।
ভিটামিন বি-৯ এর অভাবের ফলে মেগালোব্ল্যাস্টিক এনিমিয়া হয় যা গর্ভবস্থায় হলে ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ভিটামিন বি ১২-এর অভাবে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা, দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা, মাথা ঘোরা, দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতাসহ নানা কিছু হতে পারে।
ভিটামিন বি৭-এর আরও একটি নাম হল 'বায়োটিন'। শরীরে বায়োটিনের অভাব ঘটলে নখ ভেঙে যাওয়া এবং চুল ঝরার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
ভিটামিন বি সিক্সের অভাব হলে শরীরে লোহিত রক্তকণিকা কমে যায়। এই ভিটামিনের অভাবে অ্যানিমিয়া হয়।
[তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান বই (৯ম-১০ম শ্রেণি)]
2. রক্তের pH সর্বনিম্ন কতটুকু হেরফের হলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে?
ক)
০.২
খ)
০.৩
গ)
০.৪
ঘ)
০.৫
উত্তর:
০.৪
ব্যাখ্যা:
আমাদের ধমনির রক্তের pH হল ৭.৪।
-এই মাত্র ০.৪ পরিমাণ কম বা বেশি হলে মারাত্মক বিপর্যয়, এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
-মানবদেহকে 7.35 এবং 7.45 এর মধ্যে রক্তের pH বজায় রাখতে হবে।
- 7.8-এর বেশি বা 6.8-এর কম মান প্রায়ই মৃত্যু ঘটায়।
- রক্তের pH 7.35 এর নিচে নেমে যায় এমন যেকোনো অবস্থাকে অ্যাসিডোসিস বলে।
[তথ্যসুত্রঃ বিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণী]
3. কোন পরীক্ষার মাধ্যমে মানুষের দেহে করোনা ভাইরাস এর উপস্থিতি জানা যায়?
ক)
COVID test
খ)
Ultrasonography
গ)
X-Ray
ঘ)
PCR
উত্তর:
PCR
ব্যাখ্যা:
Polymar Chair Reaction (PCR) একটি চেইন বিক্রিয়া যা একবার শুরু হলে একাএকাই চলতে থাকে। মানুষের দেহে করোনা ভাইরাস এর উপস্থিতি এর জন্য এ পরীক্ষা করতে হয়।
প্রাণীর ভাইরাসজনিত রোগঃ
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (Influenza Virus) - ইনফ্লুয়েঞ্জা
হার্পিস ভাইরাস (Herpes Virus) হার্পিস
হেপাটাইটিস বি/সি ভাইরাস (Hepatites B / C Virus) - জন্ডিস
এইচ আই ভি (HIV) এইডস (রোগ নয়, লক্ষণ সমষ্টি)
ভেরিওলা ভাইরাস (Variola Virus) - বসন্ত
রুবিওলা ভাইরাস (Rubeola Virus) - হাম
পোলিও ভাইরাস (Polio Virus) পোলিও
র্যাবিস ভাইরাস (Rabis Virus) - জলাতঙ্ক
ইয়েলো ফিবার ভাইরাস (Yellow Fever Virus) পীতজ্বর
ফ্লাভি ভাইরাস (Flavi Virus) - ডেঙ্গুজ্বর
ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস (Vaccinia Virus) - গো-বসন্ত
ফুট অ্যান্ড মাউথ ভাইরাস (Foot and Mouth Virus) - ফুট এণ্ড মাউথ
ডিজিস
[তথ্যসূত্রঃ মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই]
4. সিলিন্ডারে কোন গ্যাস থাকে?
ক)
সিএনজি
খ)
মিথেন
গ)
বায়োগ্যাস
ঘ)
বিউটেন
উত্তর:
বিউটেন
ব্যাখ্যা:
সিলিন্ডারে করে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এল পি জি অথবা এল পি গ্যাস) বিক্রয় করা হয়, এতে প্রোপেন বা বিউটেন বা এদের মিশ্রণকে নির্দেশ করা হয়।
(তথ্যসূত্র- বোর্ডবই ৯ম-১০ম শ্রেনি পদার্থবিজ্ঞান)
5. কোন ধাতুকে পোড়ালে উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের শিখা উৎপন্ন করে?
ক)
পটাশিয়াম
খ)
ক্যালসিয়াম
গ)
সোডিয়াম
ঘ)
ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা:
সোডিয়াম বা ন্যাট্রিয়াম একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক Na এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১১।
এটি পর্যায় সারণীর তৃতীয় পর্যায়ে, প্রথম শ্রেণীতে অবস্থিত।
যার কারণে এটি ক্ষার ধাতু হিসাবে পরিগণিত।
তীব্র সক্রিয়তার কারণে একে প্রকৃতিতে আলাদাভাবে পাওয়া যায় না, সোডালাইট, ফেল্ডস্পার, রকসল্ট ইত্যাদি খনিজ রূপে পাওয়া যায়।
সোডিয়ামকে পোড়ালে উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের শিখা উৎপন্ন হয়।
- শিখা পরীক্ষায় পটাসিয়াম এবং এর যৌগগুলি ফ্যাকাশে বেগুনী বর্ণের শিখা দেয়।
- শিখা পরীক্ষায় ক্যালসিয়াম এবং এর যৌগগুলি ইটের মতো লাল বর্ণের শিখা দেয়।
- শিখা পরীক্ষায় ম্যাগনেসিয়াম কোনো বর্ণের শিখা দেয় না। ম্যাগনেসিয়াম
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণী]
6. কোনটি মহাবিশ্বের পরিণতির মতবাদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক)
উন্মুক্ত
খ)
আবদ্ধ মহাবিশ্ব
গ)
বিগব্যাং
ঘ)
সমতল মহাবিশ্ব
উত্তর:
বিগব্যাং
ব্যাখ্যা:
মহাবিশ্বের সৃষ্টিবিষয়ক একটি তত্ত্ব। এই তত্ত্ব অনুসারে প্রায় ১৩৮০ কোটি বৎসর আগে একটি বিশাল বস্তুপিণ্ডের বিস্ফোরণের ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল। এই সময় থেকে বর্তমান মহাবিশ্বের বয়স ধরা হয়। ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে বেলজিয়ামের পদার্থ বিজ্ঞানী জর্জ লেমিটর (Georges Lemaître) প্রথম বিগব্যাং তত্ত্ব প্রকাশ করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে প্রায় ১৫০০ কোটি বৎসর আগে, মহাবিশ্বের সকল বস্তু আন্তঃআকর্ষণে একটি বৃহৎ পরমাণুতে (Supper Atom) পরিণত হয়। জর্জ লেমিটর এই পরমাণুটির নাম দিয়েছিলেন আদিম পরমাণু (primæval-atom)। এই পরমাণুটি পরে বিস্ফোরিত হয়ে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়। ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে এই মতবাদকে সমর্থন ও ব্যাখ্যা করেন এডুইন পাওয়েল হাবল (Edwin Powell Hubble)। তবে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যার মাধ্যমে এই তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন জর্জ গ্যামো।
[তথ্যসূত্রঃ দৈনিক পত্রিকা]
7. আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত ঘটে কোন তত্ত্বের উন্নয়নের মাধ্যমে?
ক)
স্ট্রিং থিউরী
খ)
কোয়ান্টাম থিউরী
গ)
রিলেটিভিটি থিউরী
ঘ)
থিউরী অব এক্সপানশন
উত্তর:
রিলেটিভিটি থিউরী
ব্যাখ্যা:
আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত. ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর (ডার্ক ম্যাটার) বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
- ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রদান করেন।
[উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।]
8. মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
ক)
নিম্বাস
খ)
সিরাস
গ)
কিউম্যুলাস
ঘ)
স্ট্রেটাস
উত্তর:
কিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা:
বায়ুমণ্ডলের মাঝারি উচ্চতার মেঘগুলির মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত ও সাধারণ মেঘ হল অল্টো কিউমুলাস। এই মেঘগুলো সাদা থেকে ধূসর রঙের হয়ে থাকে। এই মেঘের আকৃতি চ্যাপ্টা, গোলাকার হয়ে থাকে। আবার অনেকটা ভেড়ার পশমের মতো দেখতে হয়ে থাকে। এই মেঘের ফাঁকে ফাঁকে নীল আকাশ দেখতে পাওয়া যায়। অল্টো কিউমুলাস মেঘ প্রায়শই গ্রীষ্মের সকালে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে যেদিন বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে, এই মেঘ সেদিন সকালে দেখতে পাওয়া যায়। এই মেঘ অনেক ক্ষেত্রে শীতল তাপমাত্রা সূচনা সংকেত দেয়। এই মেঘ বায়ুমন্ডলের ৭০০০-২৩,০০০ ফুট উচ্চতায় দেখতে পাওয়া যায়।
[তথ্যসূত্রঃ নবম দশম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ]
9. চোখের রেটিনায় কি ধরণের শক্তির রূপান্তর হয়?
ক)
আলোকশক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
খ)
আলোকশক্তি চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
গ)
আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ঘ)
রাসায়নিক শক্তি চৌম্বকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর:
আলোকশক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা:
রেটিনা চোখের আলোক সংবেদী অংশ। এটা আলোকরশ্মিকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তর করে দর্শন স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়। সুতরাং এখানে আলোকশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
[তথ্যসূত্রঃ বিজ্ঞান (নবম-দশম শ্রেণী), অধ্যায় - ৫]
10. কোন অর্গানেলটি পর্দা দ্বারা আবেষ্টিত থাকে না?
ক)
রাইবোসোম
খ)
ক্লোরোপ্লাস্ট
গ)
মাইটকন্ড্রিয়া
ঘ)
পারোক্সিসোম
উত্তর:
রাইবোসোম
ব্যাখ্যা:
রাইবোজোম হল পর্দা দ্বারা আবদ্ধ নয় এমন একটি অঙ্গাণু এবং দানাযুক্ত কাঠামো যা 1953 সালে জর্জ প্যালেড আবিষ্কার করেছিলেন। এগুলি রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (RNA) এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত। ক্লোরোপ্লাস্ট দুটি পর্দা দিয়ে গঠিত। দুটি পর্দার মধ্যবর্তী স্থানকে পেরিপ্লাস্টিডিয়াল স্পেস বলে।
মাইটোকন্ড্রিয়াতে দুটি পর্দার আবরণ রয়েছে, যা বাইরের এবং ভিতরের পর্দা নামে পরিচিত। দুটোই লিপোপ্রোটিনের তৈরি আর 60 থেকে 75 অ্যাংস্ট্রম পুরু। বাইরের পর্দায় কোনো ভাঁজ নেই, গঠনটা মোটামুটি সাদামাটা। তবে ভেতরের দিকের পর্দাটায় ভাঁজ আছে। ভাঁজ খাওয়া পর্দার অংশটাকে বলা হয় ক্রিস্টি।
[তথ্যসূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী]
11. জারক এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
ক)
নিজে জারিত হয়
খ)
ইলেক্ট্রন ত্যাগ করে
গ)
সর্বদা অক্সিজেন থাকা আবশ্যক নয়
ঘ)
অন্যকে বিজারিত করে
উত্তর:
সর্বদা অক্সিজেন থাকা আবশ্যক নয়
ব্যাখ্যা:
জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, জারক পদার্থে সর্বদা অক্সিজেন থাকা আবশ্যক নয়। জারক ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে।
কিছু জারক দ্রব্যের উদাহরণ
গ্যাসীয় জারক দ্রব্য - অক্সিজেন, ওজন, ফ্লোরিন, ক্লোরিন নাইট্রোজেন ডাই
অক্সাইড
তরল জারক দ্রব্য - নাইট্রিক অ্যাসিড, গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, ব্রোমিন।
কঠিন জারক দ্রব্য- পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট, রেড লেড।
কিছু বিজারক দ্রব্যের উদাহরণ
গ্যাসীয় বিজারক দ্রব্য- হাইড্রোজেন, সালফার ডাই অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড, কার্বন মনোক্সাইড ইত্যাদি
তরল বিজারক দ্রব্য- নাইট্রাস অ্যাসিড, হাইড্রোব্রোমিক অ্যাসিড, হাইড্রো আয়ডিক অ্যাসিড
কঠিন বিজারক দ্রব্য- কার্বন, স্ট্যানাস ক্লোরাইড
(তথ্যসূত্র- বোর্ডবই ৯ম-১০ম শ্রেনি রসায়ন)
12. কোন উদ্ভিদে স্টোমিয়াম থাকে?
ক)
Pteris
খ)
Antoceros
গ)
Riccia
ঘ)
Hibiscus
উত্তর:
Pteris
ব্যাখ্যা:
Pteris উদ্ভিদে স্টোমিয়াম থাকে।
Pteris এর বৈশিষ্ঠ্যঃ
১. Pteris একটি স্থলজ ফার্ন জাতীয় স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদ।
২. এর দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত।
৩. কাণ্ড রাইজোম (rhizome)-এ রূপান্তরিত হয়।
৪. রাইজোম র্যামেন্টা (ramenta) দিয়ে আচ্ছাদিত থাকে।
৫. পাতা যৌগিক ও কচি অবস্থায় কুণ্ডলিত।
৬. স্পোরাঞ্জিয়া একত্রিত হয়ে পত্রকের কিনারায় সোরাস (sorus) গঠন করে: স্পোরাঞ্জিয়াম মেকী ইন্ডুসিয়াম (false indusium) দিয়ে ঢাকা থাকে।
৭. প্রোথ্যালাস (গ্যামেটোফাইট) সবুজ বর্ণের, হৃৎপিণ্ডাকার ও সহবাসী।
[তথ্যসূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)]
13. নিচের কোনটি পদার্থটির বিজারণ ঘটে?
ক)
ক্লোরিন
খ)
কার্বন
গ)
ক্যালসিয়াম
ঘ)
এলুমিনিয়াম
উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা:
জারক পদার্থ অপর পদার্থকে জারিত করে কিন্তু নিজে বিজারিত হয়।
যেমন - ক্লোরিন, ফ্লোরিন সহ প্রায় সব অধাতু হলো জারক। -কয়েকটি বিজারক পদার্থঃ কার্বন, হাইড্রোজেন, সোডিয়াম, হাইড্রোজেন সালফাইড, অ্যালুমিনিয়াম।
[তথ্যসূত্রঃ মাধ্যমিক রসায়ন]
14. মানুষের মৃত্যু হয় যদি রক্ত সঞ্চালন বন্ধ থাকে-
ক)
৩ মিনিট
খ)
৪ মিনিট
গ)
৫ মিনিট
ঘ)
৬ মিনিট
উত্তর:
৫ মিনিট
ব্যাখ্যা:
মানুষের দেহে ৫ মিনিট রক্ত সঞ্চালন বন্ধ থাকলে মানুষ মারা যায়। রক্ত সরবরাহ বন্ধ থাকলে বিভিন্ন কোষে শর্করা ও অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। মস্তিষ্কের কোষে শর্করা ও অক্সিজেন সরবরাহ না হলে ৫ মিনিটের মধ্যেই মানুষ মারা যায়। [সূত্রঃ উইকিপিডিয়া]
15. মহাবিশ্ব যে সম্প্রসারণশীল তা বোঝা যায়-
ক)
Red Shift থেকে
খ)
মহাকর্ষ শক্তি থেকে
গ)
গ্রহসমূহের ঘুর্ণন থেকে
ঘ)
মহাকাশের বিশালতা থেকে
উত্তর:
Red Shift থেকে
ব্যাখ্যা:
কোনো অ্যাস্ট্রোনমিকাল অবজেক্ট যদি আমাদের থেকে দূরে সরে যায় তবে ডপলার ক্রিয়া অনুযায়ী এর কম্পাঙ্কের আপাত হ্রাস ঘটবে বা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আপাত বৃদ্ধি ঘটবে। আমরা যদি ওই অ্যাস্ট্রোনমিকাল অবজেক্টের বর্ণালী বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখা যায় এর কম্পাঙ্ক কমার দরুণ এটি কিছুটা লাল আলোর দিকে সরে যাচ্ছে। এই ঘটনাকে রেড শিফট বলা হয়ে থাকে।
আবার যদি অ্যাস্ট্রোনমিকাল অবজেক্টটি আমার দিকে আসতে থাকে, তাহলে এর বর্ণালী বিশ্লেষণ করার পরে কম্পাঙ্কের আপাত বৃদ্ধি ঘটায় এটি কিছুটা নীল আলোর দিকে সরে যায়। এই ঘটনাকে ব্লু শিফট বলা হয়ে থাকে।
অর্থাৎ কোনো অ্যাস্ট্রোনমিকাল অবজেক্ট যদি আমাদের দিকে আসতে থাকে, তাহলে সেটিকে ব্লু শিফটেড বলা হয় (তার মানে এটি ব্লু শিফট প্রদর্শন করছে) আর যদি সেটি আমাদের থেকে দূরে যেতে থাকে তাহলে আমরা বলবো যে বস্তুটি রেড শিফটেড অর্থাৎ বস্তুটির রেড শিফট ঘটছে।
১৯২৯ সালে বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল এর পর্যবেক্ষণ থেকে আমরা জানতে পারি যে বেশীরভাগ গ্যালাক্সিই রেড শিফট দেখাচ্ছে অর্থাৎ তারা আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এ থেকেই তিনি 'মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল' ধারণায় আসেন এবং আরও বলেন যে যেই বস্তুটি আমাদের থেকে যত দূরে, সেই বস্তুটির আমাদের থেকে দূরে সরে যাওয়ার হারও তত বেশী।
16. ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগ নির্ণয়ে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
ক)
কার্বন-14 আইসোটোপ
খ)
কোবাল্ট-60 আইসোটোপ
গ)
ফসফরাস-32 আইসোটোপ
ঘ)
আয়োডিন-131 আইসোটোপ
উত্তর:
কোবাল্ট-60 আইসোটোপ
ব্যাখ্যা:
কার্বন-14 আইসোটোপ ব্যাবহার করা হোয় বয়স নির্ধারণ করার জন্য। ক্যান্সার টিউমার প্রভৃতি রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হোেয় কোবাল্ট-60 আইসোটোপ। ক্যান্সার নির্ণয়ে ফসফরাস-32 ব্যাবহার করা হয়। আর গলগন্ড রোগ নির্ণয়ে আয়োডিন-131 ব্যাবহার করা হয়।
[তথ্যসুত্রঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেনী রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী, হারাধন নাগ]
17. কার্বন ব্যতীত আর কোন মৌলে ক্যাটেনেশন দেখা যায়?
ক)
AI
খ)
Ga
গ)
In
ঘ)
Si
উত্তর:
Si
ব্যাখ্যা:
একই মৌলের পরমানু সমূহের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের শিকল গঠনের ধর্মকে ক্যাটেনেশন বলা হয়। কার্বন ব্যতিত সিলিকনে ক্যাটেনেশন দেখা যায়। সূত্রঃ [রসায়ন নবম-দশম শ্রেণী]
18. কোনটি প্যারাচৌম্বক পদার্থ?
ক)
নিকেল
খ)
কোবাল্ট
গ)
বিসমাথ
ঘ)
সোডিয়াম
উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা:
প্যারাচৌম্বক পদার্থের আচরণ তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে। তামা, রূপা, দস্তা, বিসমাথ, সীসা, কাচ, মার্কেল, হিলিয়াম, পানি, আর্গন, সোডিয়াম ক্লোরাইড, পারদ, সোনা, অ্যালকোহল ও হাইড্রোজেন ইত্যাদি।
নিকেল (ইংরেজি: Nickel) একটি মৌলিক পদার্থ, যার রাসায়নিক প্রতীক Ni এবং পারমাণবিক সংখ্যা 28।
কোবাল্ট একটি দুর্বল জারক পদার্থ যা একটি নিষ্ক্রিয় অক্সাইড আবরণ দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। এটি হ্যালোজেনসমূহ ও সালফার দিয়ে আক্রান্ত হয়। কোবাল্ট দহন বিক্রিয়ায় কোবাল্ট (II, III) অক্সাইড (Co3O4) তৈরি করে যা ৯০০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় অক্সিজেন হারিয়ে কোবাল্ট মনোক্সাইড (COO) তৈরি করে।
বিসমাথ একটি সাদা, রূপালী-গোলাপী রঙের ভঙ্গুর ধাতু, যার উপর প্রায়শই হলুদ থেকে নীল বিভিন্ন রঙের আভাযুক্ত অক্সাইডের আবরণ পড়ে। বিসমাথ কেলাসের অন্তঃস্থ প্রান্তের তুলনায় বহিঃস্থ প্রান্তের উচ্চতর বৃদ্ধির হারই এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সর্পিলাকার ও সোপানাকার আকৃতির কারণ।
[Source - মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি]
19. কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি?
ক)
রাবার
খ)
AI
গ)
Fe
ঘ)
Cu
উত্তর:
Fe
ব্যাখ্যা:
বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।
কঠিন, তরল, গ্যাসীয় সব পদার্থের মধ্যেই এই ধর্ম কম বেশী আছে।
রবার ও ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতাঃ বাহ্যিক বলের বিরুদ্ধে যে বস্তুর বাধা প্রদানের ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতা বেশি। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট পরিমাণ দৈর্ঘ্য বা আয়তনের পরিবর্তন ঘটাতে যে পদার্থে যত বেশি বাহ্যিক বল প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় তাকে তত বেশি স্থিতিস্থাপক বলা হয়। সমান মাপের ইস্পাতের তার ও রবারের দড়ির মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিবর্তন ঘটাতে রবার অপেক্ষা ইস্পাতে বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়। তাই, ইস্পাত রবার অপেক্ষা বেশি স্থিতিস্থাপক।
সুত্রঃ এইচএসসি, পদার্থ বিজ্ঞান, ১ম পত্র
20. সাদা আলো কোন তিনটি রঙের মিশ্রণ?
ক)
কমলা, হলুদ, আকাশী
খ)
লাল, কমলা, হলুদ
গ)
হলুদ, আকাশী, লাল
ঘ)
লাল, আকাশী, সবুজ
উত্তর:
লাল, আকাশী, সবুজ
ব্যাখ্যা:
তিনটি মৌলিক রঙ লাল, আকাশী, সবুজ রঙের আলো প্রায় সমান পরিমাণে চোখে আপতিত হলে এবং তা পারিপার্শবিকের চেয়ে উজ্জ্বল হলে চোখে যে রঙ দর্শনের অনুভূতি জন্মায়, তাই হলো সাদা।