1. মধুপুরের বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ কী?
ক)
সুন্দরী
খ)
গেওয়া
গ)
শাল
ঘ)
কেওড়া
উত্তর:
শাল
ব্যাখ্যা:
মধুপুর বনাঞ্চলের প্রধান এবং সবচেয়ে বেশি দেখা যাওয়া বৃক্ষ হলো শাল গাছ, যা স্থানীয়ভাবে গজারি নামে পরিচিত; এই কারণে এই বনকে শালবন বা গজারি বনও বলা হয়, যেখানে শাল ছাড়াও মহুয়া, বহেড়া, আমলকী, আমড়া, জিগা, বট ইত্যাদি গাছও পাওয়া যায়।
2. কোন গাছকে সূর্যকন্যা বলা হয়?
ক)
জারুল
খ)
তুলা
গ)
চাপালিস
ঘ)
গামার
উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা:
তুলা গাছকে (Cotton Plant) "সূর্যকন্যা" বলা হয়, কারণ এটি জন্মানো এবং বেড়ে ওঠার জন্য সূর্যের তীব্র আলো ও তাপের উপর নির্ভরশীল, যা এর তন্তুর গুণগত মান নির্ধারণ করে এবং এটি প্রাচীনতম কৃষিজ ফসলগুলোর একটি।
3. বাংলাদেশের কোন নদীকে 'চিরযৌবনা নদী' বলা হয়?
ক)
হালদা
খ)
যমুনা
গ)
পদ্মা
ঘ)
মেঘনা
উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা:
মেঘনাকে চিরযৌবনা নদী বলা হয়। কারন, মেঘনা নদীতে সব সময় জোয়ার-ভাটা বহমান থাকে তাই। - চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা। উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল আসামের বরাক নদী যেটি নাগা-মনিপুর থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা এবং কুশিয়ার নামে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে, সুরমা-কুশিয়ার নদী আজমিরী গঞ্জে মিলিত হয়ে কালণি নামে দক্ষিণে কিছুদুর মিলিত হয়ে মেঘনা নাম ধারন করে। - ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
4. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদীর নাম কী?
ক)
বরাক
খ)
গঙ্গা
গ)
হাড়িয়াভাঙ্গা
ঘ)
যমুনা
উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী প্রধান নদীগুলোর মধ্যে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী অন্যতম, যা সাতক্ষীরায় এই দুই দেশের সীমানা নির্ধারণ করে। এছাড়াও ইছামতি ও রায়মঙ্গল এর মতো বেশ কিছু নদী সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়েছে, তবে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীকে সাধারণত ভারত-বাংলাদেশ বিভক্তকারী নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
5. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি?
ক)
কুতুবদিয়া
খ)
মহেশখালী
গ)
ভোলা
ঘ)
হাতিয়া
উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা:
কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত বাঁশখালী নদীর তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী। দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ শুঁটকি মাছ ও মিঠা পানি। এ দ্বীপের পাহাড়ের ওপর অবস্থিত আদিনাথ মন্দিরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র।
6. উত্তরা গণভবন কোথায়?
ক)
ঢাকা
খ)
রাজশাহী
গ)
দিনাজপুর
ঘ)
নাটোর
উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা:
নাটোর শহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে এক মনোরম পরিবেশে ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়ারাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন অবস্থিত। নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামেরউপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। ১৯৪৭ সালে তৎকালীনপাকিস্তান সরকার জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করার পর ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজ প্রাসাদটি পরিত্যাক্ত থাকে।
7. হলুদ বিহার কোথায় অবস্থিত.
ক)
কুমিল্লা
খ)
বগুড়া
গ)
নওগাঁ
ঘ)
ঢাকা
উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা:
‘হলুদ বিহার’ হলো একটি ঐতিহাসিক স্থান যা বাংলাদেশের নওগাঁ এলাকায় অবস্থিত। এটি স্থানীয় লোকদের মধ্যে বেশ পরিচিত এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্থান হিসেবেও বিবেচিত হয়। সুতরাং, প্রশ্নের উত্তরের মধ্যে 'নওগাঁ' সঠিক কারণ হলুদ বিহার именно এখানেই আছে।
8. বিখ্যাত বড়কাটরা মসজিদ কে নির্মাণ করেন?
ক)
শাহ সুজা
খ)
শায়েস্তা খান
গ)
নুসরত শাহ
ঘ)
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর:
শাহ সুজা
ব্যাখ্যা:
মুঘল আমলে নির্মিত ঢাকার ঐতিহাসিক বড় কাটরা সুবাদার শাহ সুজা নির্মাণ করেন। যার অবস্থান ঢাকা মহানগরের চকবাজারে।
9. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ক)
১৯৭৩ সালে
খ)
১৯৭৪ সালে
গ)
১৯৭৭ সালে
ঘ)
১৯৭৮ সালে
উত্তর:
১৯৭৪ সালে
10. 'ঢাকা গেইট' কে নির্মাণ করেন?
ক)
ইসলাম খাঁ
খ)
তানভীর কবির
গ)
মীর জুমলা
ঘ)
শায়েস্তা খান
উত্তর:
মীর জুমলা
ব্যাখ্যা:
ঢাকা গেইট” এর নির্মাতা হলেন ‘মীর জুমলা'। আমলে তখন আওরঙ্গজেবের শাসন। “আওরঙ্গজেব বাংলার সুবেদার করে পাঠান মীর জুমলাকে, "যিনি ছিলেন একজন ইরানি তেল ব্যবসায়ীর ছেলে। বাংলার সুবেদার হওয়ার পরে তিনি এই গেট নির্মাণ করেন নগর নিরাপত্তা ব্যূহ হিসেবে। তৎকালীন বাংলার রাজধানী ঢাকা প্রায়ই বহিরাগত দস্যু দ্বারা আক্রান্ত হতো। (১৬৬০ সালে মূলত মগ দস্যুদের থেকে ঢাকাকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে ঢাকার উত্তর দিকে এই গেট নির্মাণ করেন। সেই সময় মীর জুমলা গেটসংলগ্ন এলাকায়। একটি নয়নাভিরাম বাগান গড়ে তোলেন, যার নাম ছিল রাগ - ই - বাদশাহি বা সম্রাটের বাগান।