Exams Study Jobs Teachers Students

পদ প্রকরণ (স্কোর কমেন্ট বলবেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ)

Bengali Lesson 15 Questions By Admission/BCS/Job Free Exam Class

পদ প্রকরণ (স্কোর কমেন্ট বলবেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ) নিয়ে যারা পড়াশোনা বা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই পেজে 15টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ধারাবাহিকভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের সাথে সঠিক উত্তর এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া আছে, যা আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে সাহায্য করবে। মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন।

1. ও,এবং, আর কোন প্রকারের অব্যয়

ক) অনন্বয়ী অব্যয়
খ) সমুচ্চয়ী অব্যয়
গ) বিয়োজক অব্যয়
ঘ) সংযোজক অব্যয়
উত্তর: সংযোজক অব্যয়
ব্যাখ্যা: যে অব্যয় পদ দুটি বা তার বেশি পদ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে বা তাদের মধ্যে সংযোগ ঘটায়, তাকে সংযোজক অব্যয় বলা হয়। -এই অব্যয়গুলো মূলত যোগ করার কাজ করে থাকে। -‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’—এই তিনটি অব্যয়ই দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। -এদের মূল কাজই হলো সংযোগ সাধন করা। উদাহরণ - ও: দুটি পদের সংযোগ ঘটাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন রহিম ও করিম দুই ভাই। সুখ ও দুঃখ জীবনে আসবেই। - এবং: দুটি বাক্য বা বাক্যাংশের সংযোগে ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত লেখ্য ভাষায় বেশি দেখা যায়। যেমন - তিনি বাড়ি গেলেন এবং আমি রওনা হলাম। মেঘ করেছে এবং বৃষ্টি পড়ার সম্ভাবনা আছে। - আর: দুটি পদ বা বাক্যের সংযোগ সাধনে ব্যবহৃত হয়। এটি কথ্য ভাষায় বেশি প্রচলিত। যেমন - তুমি আর আমি সেখানে যাবো। কামনা ত্যাগ করলে ধনী হয়, আর লোভ ত্যাগ করলেই সুখী হয়

2. ভোজন’, ‘শয়ন’ কোন প্রকারের বিশেষ্য?

ক) নামবাচক বিশেষ্য
খ) জাতিবাচক বিশেষ্য
গ) গুণবাচক বিশেষ্য
ঘ) ভাববাচক বিশেষ্য
উত্তর: ভাববাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যা: - যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে। - এই ধরনের বিশেষ্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে না বুঝিয়ে একটি কাজের অবস্থাকে বোঝায়। - ভোজন: এই শব্দটি 'ভুজ্' নামক ক্রিয়ামূল থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'খাওয়া' নামক কাজটি বা ক্রিয়ার ভাব। - শয়ন: এই শব্দটি 'শী' নামক ক্রিয়ামূল থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'শুয়ে থাকা' বা 'ঘুমানো' নামক কাজটি বা ক্রিয়ার ভাব। একইভাবে, ‘গমন’ (যাওয়ার কাজ), ‘দর্শন’ (দেখার কাজ), ‘শ্রবণ’ (শোনার কাজ) ইত্যাদিও ভাববাচক বিশেষ্যের উদাহর

3. ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়। 'দ্রুত' কোন পদের উদাহরণ?

ক) বিশেষ্য
খ) ক্রিয়া বিশেষণ
গ) বিশেষণ
ঘ) ক্রিয়া
উত্তর: ক্রিয়া বিশেষণ

4. 'নদী' কোন প্রকার বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত?

ক) জাতিবাচক বিশেষ্য
খ) ভাববাচক বিশেষ্য
গ) সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
ঘ) সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
উত্তর: জাতিবাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যা: - যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো এক জাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। - উদাহরণ- মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, পর্বত, নদী ইত্যাদি। - তিতাস একটি নদীর নাম। প্রদত্ত বাক্যে নদী জাতিবাচক বিশেষ্য

5. বুদ্ধিমানের বিশেষ্য পদ কি?

ক) বুদ্ধিজীবী
খ) বোদ্ধা
গ) বুদ্ধিত্ব
ঘ) বুদ্ধি
উত্তর: বুদ্ধিজীবী

6. নিচের কোনটি বিশেষণ পদ?

ক) ঔদার্র
খ) চাঞ্চল্য
গ) চাতুর্য
ঘ) চঞ্চল
উত্তর: চঞ্চল

7. কড়কড়” কোন অব্যয়?

ক) অনুকার
খ) অনুসর্গ
গ) অনস্বয়ী
ঘ) সমুচ্চয়ী
উত্তর: অনুকার

8. ধৈর্য' শব্দটি কোন শ্রেণীর বিশেষ্যের বাচক উদাহরণ

ক) সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
খ) স্থানবাচক বিশেষ্য
গ) গুণবাচক বিশেষ্য
ঘ) সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
উত্তর: গুণবাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যা: যে পদে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, কাজ বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। যেমন: বই, নদী, পাখি, ফুল, বাংলাদেশ ইত্যাদি। ১. সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য: যেসব বিশেষ্য পদে কোনো নির্দিষ্ট স্থান, নদী, পর্বত, সমুদ্র, প্রসিদ্ধ গ্রন্থ বা ব্যক্তির নাম বোঝায়, তাকে সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য বলা হয়। যেমন: আকবর, রানা, ঢাকা, তাজমহল ইত্যাদি। ২. স্থানবাচক বিশেষ্য: যেসব বিশেষ্য পদে কোনো নির্দিষ্ট স্থানের নাম বোঝায়, তাকে স্থানবাচক বিশেষ্য বলা হয়। যেমন: ঢাকা, রাজশাহী, ময়নামতি ইত্যাদি। ৩. বস্তুবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদের সাহায্যে কোনো বস্তু বোঝায় এবং যার সংখ্যা নির্দেশ করা যায় না, শুধু পরিমাণ নির্দেশ করা যায়, তাকে বস্তুবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: চিনি, পানি, লবণ ইত্যাদি। ৪. জাতিবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদের সাহায্যে কোনো প্রাণী বা বস্তুর জাতি বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: মানুষ, মুসলমান, হিন্দু ইত্যাদি। ৫. গুণবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদে কোনো গুণ, অবস্থা ও ভাবের নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: ধৈর্য, সুখ, দুঃখ, দয়া, বীরত্ব ইত্যাদি। ৬. ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদে কোনো কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়াবাচক বা ভাববাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: ঘুমান, গমন, যাওয়া ইত্যাদি। ৭. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদে সমষ্টি বোঝায়, তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: জনতা, সমিতি, সভা, দল ইত্যাদি

9. তুমি কী এতক্ষণ থাকবে?- বাক্যটিতে 'কী' কোন পদ?

ক) সর্বনাম
খ) উপসর্গ
গ) বিশেষ্য
ঘ) বিশেষণ
উত্তর: বিশেষণ
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে "কী" শব্দটি প্রশ্নবাচক বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - এটি বাক্যে "কী" দ্বারা প্রশ্ন করা হচ্ছে এবং এটি ক্রিয়াপদ বা বাক্যের অন্য অংশকে বিশেষিত করছে। - বিশেষণ পদ হলো সেই পদ, যা বাক্যের অন্য কোনো পদের গুণ, দোষ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। - এখানে "কী" শব্দটি প্রশ্নের মাধ্যমে বাক্যের অর্থকে বিশেষায়িত করছে।

10. দুটি কর্মপদ থাকে কোন ক্রিয়ায়?

ক) প্রযোজক ক্রিয়া
খ) অকর্মক ক্রিয়া
গ) দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ঘ) সকর্মক ক্রিয়া
উত্তর: দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা: - যে ক্রিয়ায় দুটি কর্মপদ থাকে, তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে। - দ্বিকর্মক ক্রিয়ায় বস্তুবাচক কর্মপদটিকে মুখ্য বা প্রধান কর্ম এবং ব্যক্তিবাচক কর্মপদটিকে গৌণ কর্ম বলে। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন। শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন (এ বাক্যে 'দিলেন' একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া)। কি দিলেন? উত্তর- বই (মুখ্য কর্ম)। প্রশ্ন- কাকে দিলেন? উত্তর- ছাত্রকে (গৌণ কর্ম)।

11. যথা ধর্ম তথা জয়”- কাব্যে ব্যবহৃত যথা ও তথা কোন

ক) বিরোধ যোজক
খ) সাপেক্ষ যোজক
গ) কারণ যোজক
ঘ) বিকল্প যোজক
উত্তর: সাপেক্ষ যোজক
ব্যাখ্যা: যে শব্দ কোন বাক্য বা বাক্যাংশের সঙ্গে অন্য একটি বাক্য বা বাক্যাংশের কিংবা বাক্যের একটি শব্দের সঙ্গে অন্য কোন শব্দের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে যোজক বলা হয়। যেমন– আমি গান গাইব ও তুমি নাচবে। - অর্থ এবং সংযোজনের বৈশিষ্ট্য ও ধরন এর উপর ভিত্তি করে যোজক শব্দ পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো নিচে আলোচনা করা হলো– ১. সাধারণ যোজক যে যোজক দ্বারা একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করা হয় তাকে সাধারণ যোজক বলা হয়। যেমন– আমি ও আমার বড় ভাই বাজারে এসেছি। জলদি দোকানে যাও এবং পাউরুটি কিনে দিব। ২. বৈকল্পিক যোজক যে যোজকের মাধ্যমে একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশের মধ্যে বিকল্প কিছু বোঝায় তাকে বৈকল্পিক যোজক বলে। যেমন– তুমি কিংবা তোমার ভাই যে কেউ এলেই হবে, চা না-হয় কফি খান। ৩. বিরোধমূলক যোজক এ ধরনের যোজকগুলো দুটি বাক্যের সংযোগ ঘটিয়ে দ্বিতীয়টির মাধ্যমে প্রথমটির বিরোধ নির্দেশ করে থাকে। যেমন– আমি চিঠি দিয়েছি কিন্তু তুমি উত্তর দাওনি। তাকে আসতে বললাম, তবু এলো না। ৪. কারণবাচক যোজক কারণবাচক যোজক এমন দুটি বাক্যের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে যার একটি অন্যটির কারণ। যেমন– আমি যাইনি, কারণ তুমি নিমন্ত্রণ করনি। বসার সময় নেই, তাই চলে যেতে হচ্ছে। ৫. সাপেক্ষ যোজক পরস্পর নির্ভরশীল যে যোজক শব্দগুলো একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তাদের সাপেক্ষ যোজক বলে। যেমন– যদি টাকা দাও তবে কাজ হবে। যতো পড়ছি ততোই নতুন করে জানছি।

12. নিচের কোনটিতে মিশ্র ক্রিয়া আছে?

ক) মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন
খ) আমর মাথা ভনভন করছে
গ) শিক্ষক ছাত্রকে অঙ্ক করাচ্ছেন।
ঘ) ছেলেটি ঝিমাচ্ছে
উত্তর: আমর মাথা ভনভন করছে
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য,বিশেষণ ও ধনাত্মক অব্যয় এর সঙ্গে ধাতু গঠিত ক্রিয়াপদ বিশেষ বিশেষ অর্থে যে ক্রিয়া গঠন করে,তাকে মিশ্র ক্রিয়া বলে। - বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর্, হ্, দে, পা, যা, কাট্, গা, ছাড়, ধর্, মার্, প্রভৃতি ধাতুযোগে গঠিত ক্রিয়াপদ বিশেষ বিশেষ অর্থে মিশ্র ক্রিয়া গঠন করে। যেমন: বিশেষ্যের পর: আমরা তাজমহল দর্শন করলাম। বিশেষণের পর: তোমাকে দেখে প্রীত হলাম। ধ্বনাত্মক অব্যয়ের পর: মাথা ঝিমঝিম করছে।

13. কোথাও তাকে খুজে পাচ্ছিনা।’- বাক্যে ‘কোথাও’ কোন পদ?

ক) বিশেষণ
খ) বিশেষ্য
গ) অনুসর্গ
ঘ) সর্বনাম
উত্তর: সর্বনাম

14. পুরাণ শব্দটির বিশেষণ রূপ-

ক) পৌরাণ
খ) পুরাণিক
গ) পুরাতন
ঘ) পৌরাণিক
উত্তর: পৌরাণিক

15. শ্রবণ'- এর বিশেষণ পদ-

ক) শ্রাবণিক
খ) শ্রুত
গ) শ্রাব্য
ঘ) শ্রাবণ
উত্তর: শ্রাব্য
ব্যাখ্যা: শ্রবণ এর বিশেষণ পদ- শ্রাব্য - লবণ এর বিশেষণ পদ- লবণাক্ত - ইচ্ছা এর বিশেষণ পদ- ইচ্ছুক

আশা করি পদ প্রকরণ (স্কোর কমেন্ট বলবেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ) এর এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আপনার প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে। এ ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, মডেল টেস্ট এবং পড়াশোনার আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য ক্যাটাগরিগুলো ঘুরে দেখতে পারেন। আপনার কোনো মতামত বা সংশোধন থাকলে অবশ্যই প্রতিটি প্রশ্নের নিচে দেওয়া 'রিপোর্ট' অপশন থেকে আমাদের জানাতে পারেন।

ভুল সংশোধন রিপোর্ট