Exams Post Study Jobs Leaderboard Shop

প্রাচীন জনপদ

General Knowledge 10 Questions By University Of Dhaka

প্রাচীন জনপদ For those studying or preparing for, this page contains 10 important questions and answers arranged in sequence. Each question is accompanied by the correct answer and, where necessary, a detailed explanation to help clarify your concepts. Read carefully and assess your own preparation.

1. বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

a) ক) সমতট
b) খ) পুণ্ড্র
c) গ) বঙ্গ
d) ঘ) হরিকেল
Answer: গ) বঙ্গ
Explanation: - প্রাচীন শিলালিপিতে ‘বিক্রমপুর’ ও ‘নাব্য’ নামে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়। - বর্তমান বিক্রমপুর পরগনা ও তার সাথে আধুনিক ইদিলপুর পরগনার কিয়দংশ নিয়ে ছিল বিক্রমপুর। নাব্য বলে বর্তমানে কোন জায়গার অস্তিত্ব ছিল বলে জানা যায় না। - ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালীর নিম্ন জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - বৃহত্তর বগুড়া, পাবনা, ময়মনসিংহ জেলার পশ্চিমাঞ্চল, ঢাকা, ফরিদপুর, কষ্টিয়া, বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীর কিছু অংশ নিয়ে বঙ্গ গঠিত হয়েছিল। ‘বঙ্গ’ থেকে ‘বাঙালি’ জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল।

2. প্রাচীন রাঢ় জনপদ অবস্থিত---

a) ক) বগুরা
b) খ) কুমিল্লা
c) গ) বর্ধমান
d) ঘ) বরিশাল
Answer: গ) বর্ধমান
Explanation: • ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত অঞ্চলকে রাঢ় বলা হয়। • পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলা, বর্ধমান জেলার মধ্যভাগ, বাঁকুড়া জেলার পূর্ব ও দক্ষিণপূর্ব ভাগ ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমভাগ রাঢ়ের অন্তর্গত। • এছাড়া প্রেসিডেন্সি বিভাগের মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি মহকুমার অংশবিশেষ ও হুগলি জেলার সামান্য অংশ রাঢ়ের অন্তর্গত। • এর সীমানা পশ্চিমে ছোটনাগপুর মালভূমির প্রান্তভাগ থেকে পূর্বে গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চলের পশ্চিম সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত। • এই অঞ্চল ঈষৎ ঢেউ খেলানো ও এর ঢাল পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে।

3. চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন নাম -

a) ক) রাঢ়
b) খ) বঙ্গ
c) গ) হরিকেল
d) ঘ) পুণ্ড্র
Answer: গ) হরিকেল
Explanation: - প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ। বর্তমান চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ত্রিপুরার এবং তৎসংলগ্ন এলাকা হরিকলের অংশ ছিল বলে অনুমান করা হয়। - খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর প্রাচীন ভারতীয় লেখকগণ পূর্বভারতীয় প্রান্তীয় অংশ অবস্থিত জনপদকে হরিকেলের নামে উল্লেখ করেছেন।

4. প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন কোথায় অবস্থিত?

a) ক) ময়নামতি
b) খ) বিক্রমপুর
c) গ) মহাস্থানগড়
d) ঘ) পাহাড়পুর
Answer: গ) মহাস্থানগড়
Explanation: • মহাস্থানগড়: - মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। - পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। - এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। - এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। - এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়। - বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত। - মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। - সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। - মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

5. রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত?

a) ক) পললগঠিত সমভূমি
b) খ) বরেন্দ্রভূমি
c) গ) উত্তর বঙ্গ
d) ঘ) মহাস্থানগড়
Answer: খ) বরেন্দ্রভূমি
Explanation: - গৌড়: উত্তর বঙ্গে নিয়ে গঠিত জনপদ। - চন্দ্রদ্বীপ: বর্তমান বরিশাল জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এই জনপদ ছিল। - তাম্রলিপ্ত: হরিকেলের উত্তরে অবস্থিত জনপদ। - বঙ্গ : দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গদেশ বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল। - বরেন্দ্র ও পুণ্ড্রবর্ধন: উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। ঐতিহাসিকেদের মতে− বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা। - সমতট: বঙ্গদেশের আর্দ্র-নিম্নভূমিকে সমতট হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়। - রাঢ় : ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত অঞ্চলকে রাঢ় বলা হয়। - হরিকেল: পূর্বভারতের একটি জনপদ। এই জনপদটি বঙ্গদেশের অংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ত্রিপুরার এবং তৎসংলগ্ন এলাকা হরিকলের অংশ ছিল বলে অনুমান করা হয়। - প্রাচীন কালে ঢাকা বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল। - বগুড়ার মহাস্থানগড় একসময় পুন্ড্রুনগর হিসেবে পরিচিত ছিল।

6. প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ এর বর্তমান নাম কি ?

a) ক) মালদ্বীপ
b) খ) সন্দ্বীপ
c) গ) বরিশাল
d) ঘ) হাতিয়া
Answer: গ) বরিশাল
Explanation: - প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে একটি ক্ষুদ্র জনপদ চন্দ্রদ্বীপ। - এর অবস্থান ছিল বলেশ্বর ও মেঘনা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে। - বর্তমান বরিশাল জেলাই ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড। - দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারকালে রাজা দনুজমর্দন ‘চন্দ্রদ্বীপ’ নামের একটি স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। - চতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত রাজ্যটি চন্দ্রদ্বীপ নামেই প্রসিদ্ধি লাভ করে। - চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’। - তাই একপর্যায় অঞ্চলটি বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামে পরিচিতি পায়। - ১৭৯৬ সাল পর্যন্ত অঞ্চলটি বাকলা-চন্দ্রদ্ব্বীপ নামেই পরিচিত ছিল। - ১৭৯৭ সালে ঢাকা জেলার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। - ১৮০১ সালে জেলার সদর দপ্তর বাকেরগঞ্জ জেলাকে বরিশালে স্থানান্তর করা হয়। - পরে বাকেরগঞ্জ নামে করা হয় একটি উপজেলা। - আগে চন্দ্রদ্বীপ অসংখ্য নদী-নালায় ভরপুর ছিল। - বর্তমানে মেঘনা, কীর্তনখোলা, তেঁতুলিয়া, আড়িয়াল খাঁ, সুগন্ধা, সন্ধ্যা, কালাবদর, ঝুনাহার নদী অঞ্চলটিকে ঘিরে রেখেছে।

7. নোয়াখালী ও কুমিল্লা প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

a) ক) সমতট
b) খ) বাংলা
c) গ) চন্দ্রদ্বীপ
d) ঘ) হরিকেল
Answer: ক) সমতট
Explanation: - প্রাচীনকালে বাংলা বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল, যার মধ্যে সমতট অন্যতম। - সমতট জনপদটি মেঘনা নদীর পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত ছিল। - বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল প্রাচীন সমতট জনপদের অধীনে ছিল। - এই জনপদের রাজধানী ছিল কুমিল্লার বড়কামতা।

8. প্রাচীন বাংলার কোন এলাকা 'কর্ণসুবর্ণ' নামে পরিচিত ছিল?

a) ক) চট্টগ্রাম
b) খ) রাজশাহী
c) গ) মুর্শিদাবাদ
d) ঘ) মেদিনীপুর
Answer: গ) মুর্শিদাবাদ
Explanation: - গৌড় জনপদ প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল। - মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমান নিয়ে ছিল প্রাচীন গৌড় রাজ্য। - গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।

9. "উয়ারি বটেশ্বর" কি?

a) ক) প্রাচীন মন্দির
b) খ) প্রাচীন গ্রন্থ
c) গ) প্রাচীন জনপদ
d) ঘ) প্রাচীন বৃক্ষ
Answer: গ) প্রাচীন জনপদ
Explanation: • উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকা থেকে ৭০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে নরসিংদীর বেলাবো ও শিবপুর উপজেলায় অবস্থিত উয়ারী ও বটেশ্বর নামীয় দুটি গ্রামব্যাপী একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। • ধারণা করা হয় এটি মাটির নিচে অবস্থিত একটি দুর্গ-নগরী। • এটি একটি প্রাচীন জনপদ ও সুপ্রসিদ্ধ বাণিজ্যিক নগরী।

10. কোন শাসক প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোকে সর্বপ্রথম একত্রিত করেন?

a) ক) রাজা শশাংক
b) খ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
c) গ) মুহম্মদ বিন তুঘলক
d) ঘ) হুসেন শাহ
Answer: ক) রাজা শশাংক
Explanation: - প্রাচীন বাংলার জনপদ গুলােকে শশাঙ্ক গৌড় নামে একত্রিত করেন। - পাণিনির গ্রন্থে সর্বপ্রথম গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। - কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র’ গ্রন্থে এ জনপদের শিল্প ও কৃষিজাত দ্রব্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। - হর্ষবর্ধনের শিলালিপি হতে প্রমাণিত হয় যে, সমুদ্র উপকূল হতে গৌড় দেশ খুব বেশি দূরে ছিল না। - সাত শতকে গৌড়রাজ শশাঙ্কের রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদ জেলার কর্ণসুবর্ণ। - বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর সন্নিকটের এলাকা গৌড় রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। - আধুনিক এ মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশ গৌড়ের সীমানা মনে করা হয়।

We hope প্রাচীন জনপদ these questions and answers will be helpful for your preparation. For more important study material, model tests, and study updates, browse the other categories on our website. If you have any feedback or corrections, please let us know via the 'Report' option below each question.

Error Correction Report

Disha

Online · instant answers

I'm Disha 👋

I guide you around Asopori. Ask in English or Banglish — however you like.