1. 'অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে'- এখানে 'ছায়া' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক)
জন্মভূমির আশ্রয়
খ)
মায়ের কোল
গ)
জন্মভূমির প্রকৃতি
ঘ)
গাছের ছায়া
উত্তর:
জন্মভূমির আশ্রয়
ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর দেশপ্রেমমূলখ ‘জন্মভূমি’ কবিতার ‘অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে’ পঙক্তির ‘ছায়া’ বলতে নিজ জন্মভূমিতে আশ্রয় পাওয়ার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।
2. 'শোন একটি মুজিবরের থেকে' গানটির গীতিকার কে?
ক)
অংশুমান রায়
খ)
আপেল মাহমুদ
গ)
আলতাফ মাহমুদ
ঘ)
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
উত্তর:
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
ব্যাখ্যা:
১৩/১৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে ‘আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রে প্রথম বাজানো হয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উদ্দীপনামূলক গান ’ শোন একটি মুজিবুবের থেকে ।’ গানটির গীতিকার ছিলেন গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার এবং সরকার ও শিল্পী ছিলেন অংশুমান রায়।
3. 'মাথা খাও, পত্র দিতে ভুলো না' - এখানে 'মাথা খাওয়ার' অর্থ কী?
ক)
আস্কারা পাওয়া
খ)
জ্ঞান দেয়া
গ)
অঙ্গ বিশেষ
ঘ)
দিব্যি দেয়া
উত্তর:
দিব্যি দেয়া
ব্যাখ্যা:
বাগধারা শব্দের অর্থ কথা বলার "বিশেষ ঢং বা রীতি " । এটা এক ধরনের গভীর ভাব ও অর্থবোধক শব্দ বা শব্দগুচ্ছ । বাগধারা বা বাগ্বিধি কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশকরে থাকে তাঁকে বাগ্বিধি বা বাগ্ধারা বলে । যেমন- অরণ্যে রোদন- অর্থ : নিষ্ফল আবেদন = কৃপণের কাছে চাঁদ চাওয়া অরণ্যে রোদন মাত্র।
4. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম কোথা থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন?
ক)
চীনের রাজদরবার
খ)
নেপালের রাজদরবার
গ)
ভারতের গ্রন্থাগার
ঘ)
শ্রীলঙ্কার গ্রন্থাগার
উত্তর:
নেপালের রাজদরবার
ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের পাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ'। ‘চর্যাপদ’ হলো গানের সংকলন । মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থশালা তথা নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে ‘চর্যাপদ’ আবিস্কার করেন।
5. 'আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি' - কে বলেছেন?
ক)
কাজী নজরুল ইসলাম
খ)
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
গ)
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। প্রশ্নে উল্লেখিত উদ্ধৃতিটি ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর। এটি জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা সম্পর্কে তার বক্তব্যের অংশবিশেষ। 'আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি'। এটি কোন আদর্শের কথা নয় বরং বাস্তব কথা। মা প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ রেখে দিয়েছেন যে মালা - তিলক টিকিটে কিংবা টুপি - লুঙ্গি এবং দাড়িতে ঢাকবার জো - টি নেই। তার এ দুঃসাহসিক উক্তি বাঙালির জাতীয় চেতনা শাণিত করনের পাশাপাশি পূর্ববাংলার রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন পথ প্রশস্ত হয়।
6. নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
ক)
তিনি সস্ত্রীক শহরে থাকেন
খ)
তিনি ও স্ত্রী শহরে থাকেন
গ)
তিনি স্ব-স্ত্রীসহ শহরে থাকেন
ঘ)
তিনি সস্বস্ত্রীক শহরে থাকেন
উত্তর:
তিনি সস্ত্রীক শহরে থাকেন
ব্যাখ্যা:
তিনি সস্ত্রীক শহরে থাকেন" একটি সম্পূর্ণ ও শুদ্ধ বাংলা বাক্য, যার অর্থ হলো "তিনি তার স্ত্রীর সাথে শহরে বাস করেন"। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য যা কোনো ব্যক্তি ও তার স্ত্রী একসঙ্গে কোনো শহুরে এলাকায় বসবাস করছেন, তা বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
7. 'পাঠক' শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় নিচের কোনটি?
ক)
পঠ + অনক
খ)
পঠ্ + ণক
গ)
পাঠ + ণক
ঘ)
পাঠ + আক
উত্তর:
পঠ্ + ণক
ব্যাখ্যা:
উদাহরণ: পঠ + অক = পাঠক, দিন + ইক = দৈনিক। এখানে, 'অক' ও ইক' তদ্ধিত প্রত্যয় এবং 'পঠ' ও 'দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।
8. সাধু ভাষায় কোন শব্দের প্রাধান্য বেশি?
ক)
দেশি
খ)
তদ্ভব
গ)
তৎসম
ঘ)
বিদেশি
উত্তর:
তৎসম
ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত কর হয়। এ ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য বেশি। উনিশ শতকের শুরুতে সাধু রীতির বিকাশ ব্যাপক প্রচলন ছিল। রাজা রামমোহন রায় প্রথম সাধু ভাষার প্রয়োগ করেন।
9. সাধুরীতি ও চলিত রীতির পার্থক্য কোন পদে বেশি?
ক)
সর্বনাম ও বিশেষ্য
খ)
ক্রিয়া ও সর্বনাম
গ)
ক্রিয়া ও অব্যয়
ঘ)
অব্যয় ও বিশেষণ
উত্তর:
ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যা:
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য মূলত সর্বনাম এবং ক্রিয়াপদে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, যেখানে সাধু ভাষায় পূর্ণরূপ (যেমন: তাহার, করিয়াছি) ব্যবহৃত হয় এবং চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত বা পরিবর্তিত রূপ (যেমন: তার, করেছি) প্রাধান্য পায়। এছাড়া, অনুসর্গ (যেমন: তাঁহা হইতে > তাঁর থেকে) এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার ও ধ্বনি পরিবর্তনের কারণেও পার্থক্য প্রকট হয়। পার্থক্যের মূল ক্ষেত্র: সর্বনাম: সাধু: তাহার, তাহারদিগকে, যাঁহাকে। চলিত: তার, তাদের, যাকে। ক্রিয়াপদ: সাধু: করিয়াছি, যাইব, খায় (খাইয়াছ), গাহিবে। চলিত: করেছি, যাব, খায় (খেয়েছে), গাইবে। অনুসর্গ: সাধু: হইতে, হইতেছেন, লাগিয়া। চলিত: থেকে, হচ্ছেন, লেগে। অন্যান্য পার্থক্য: সন্ধি ও সমাস: সাধু ভাষায় সন্ধি ও সমাসের প্রয়োগ বেশি (যেমন: রাজাজ্ঞা, কাষ্ঠাসন), চলিত ভাষায় তা বর্জিত (যেমন: রাজার আদেশ, কাঠের আসন)। শব্দ: সাধু ভাষায় তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ব্যবহার বেশি, চলিত ভাষায় দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য বেশি। ধ্বনি ও রূপান্তর: চলিত ভাষায় 'হ'-কার লোপ (যেমন: গাহিবে > গাইবে) বা অন্যান্য ধ্বনি পরিবর্তন (যেমন: চাহে > চায়) বেশি ঘটে। সাধু ও চলিতরীতির বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? - Quora সাধু রীতির বৈশিষ্ট্যগুলো: * ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন: করিয়াছি, গিয়াছি। * সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ। যেমন: তাহারা, তাহার, তাহাদের। * অনুসর্... Quora সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কোন পদে বেশি পরিলক্ষিত হয়? - চর্চা - Chorcha পদ প্রকরণ. সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কোন পদে বেশি পরিলক্ষিত হয়? DU C 17-18. ক. বিশেষণ ও ক্রিয়া. খ. বিশেষ্য ও বিশেষণ. গ. বিশেষ্য ও সর্বনাম. ঘ. ক্রিয়া ও সর্বন... Chorcha সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য-বাংলা ভাষারীতি Table_title: সাধু রীতি ও চলিত ভাষার পার্থক্য Table_content: header: | সাধু ভাষা | চলিত ভাষা | row: | সাধু ভাষা: সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার কর... W3classroom Online School সাধু ভাষা - উইকিপিডিয়া যেমন:বলিয়া(সাধু) > বলে(চলিত), ভাবিয়া(সাধু) > ভেবে(চলিত) । আবার সাধু-চলিতে অনেক ক্রিয়াপদের পার্থক্য ধ্বনি-পরিবর্তনের "হ-কার লোপ" নিয়ম দ্বারা নিরূপণ করা যায়।... Wikipedia NTRCA School: ভাষা রীতি : সাধু ও চলিত ভাষারীতির পার্থক্য এবং সাধু ... সাধু ভাষায় সন্ধি ও সমাসের প্রয়োগ বেশি। যেমন : রাজাজ্ঞা, কাষ্ঠাসন, প্রবেশাধিকার, বাক্যমধ্যস্থিত ইত্যাদি। বিপরীতক্রমে, চলিত ভাষায় সন্ধি-সমাস যতদূর সম্ভব বর্জিত... onlinereadingroombd.com বা ং লা ২ য় প ত্র ৭। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৮। এ ভাষা প্রাচীন। ৮। এটি আধুনিক। ৯। সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯। চলিত ভ... প্রথম আলো
10. কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক)
আদ্যক্ষর
খ)
আধ্যক্ষর
গ)
আদ্যাক্ষর
ঘ)
আদ্যোক্ষর
উত্তর:
আদ্যাক্ষর
ব্যাখ্যা:
আদ্যক্ষর না কি আদ্যাক্ষর ড. মোহাম্মদ আমীন আদি ও আদ্য শব্দের সঙ্গে অক্ষর শব্দ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে যথাক্রমে আদ্যক্ষর ও আদ্যাক্ষর। আদি ও আদ্য অর্থ প্রথম। সংস্কৃত আদ্যক্ষর ও আদ্যাক্ষর অর্থ (বিশেষ্যে) প্রথম অক্ষর। সুতরাং, উভয় শব্দ সমার্থক। কিন্তু কোন শব্দটি শুদ্ধ? পবিত্র সরকার প্রমুখ সংকলিত আকাদেমি বানান অভিধান অনুযায়ী আদ্যক্ষর (আদি+অক্ষর) এবং আদ্যাক্ষর (আদ্য+অক্ষর) উভয় বানানই ব্যাকরণসম্মত ও শুদ্ধ। তাই ওই অভিধানে আদ্যক্ষর ও আদ্যাক্ষর উভয় শব্দকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানে কেবল আদ্যাক্ষর বানানকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। এখন দেখা যাক কীভাবে উভয় বানান শুদ্ধ ও ব্যাকরণসম্মত হয়।বাংলা বই আদ্যক্ষর= আদি+অক্ষর। কারণ: ই/ঈ ছাড়া স্বরবর্ণ পরে থাকলে ই/ঈ-স্থানে য-ফলা হয় এবং সৃষ্ট য-ফলা শেষ পদের প্রথম স্বর নিয়ে প্রথম পদের শেষ বর্ণে যুক্ত হয়। এভবে গঠিত হয়েছে: আদি+অক্ষর= আদ্যক্ষর। অনুরূপ: অতি+অন্ত= অত্যন্ত, আদি+অন্ত= আদ্যন্ত, প্রতি+অহ= প্রত্যহ। প্রতি+আশা= প্রত্যাশা, ইতি+আদি= ইত্যাদি, অভি+উদয়= অভ্যুদয়, অতি+উচ্চ= অত্যুচ্চ, প্রতি+ঊহ্= প্রত্যূহ, প্রতি+এক= প্রত্যেক, যদি+অপি= যদ্যপি। আদ্যাক্ষর= আদ্য+অক্ষর। কারণ: অ/আ-এর পর অ বা আ থাকলে উভয় বর্ণ মিলে আ হয় এবং সৃষ্ট আ পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। সেভাবে গঠিত হয়েছে: আদ্য+অক্ষর= আদ্যাক্ষর। অনুরূপ: অদ্য+অপি=অদ্যাপি; অদ্য+অবধি= অদ্যাবধি, অন্য+অন্য= অন্যান্য, কাব্য+অংশ= কাব্যাংশ, বাক্য+অতীত= বাক্যাতীত, মধ্য+অহ্ন= মধ্যাহ্ন; সাধ্য+অতীত= সাধ্যাতীত, কাব্য+অলংকার= কাব্যালংকার ইত্যাদি। বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী, বাক্যে বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত সংস্কৃত আদ্যাক্ষর= আদ্য+অক্ষর= (আদ্য্+অ)+অক্ষর। এই অভিধানে আদ্যক্ষর (আদি+অক্ষর) শব্দকে স্থান দেওয়া হয়নি। যদিও আদ্যন্ত (আদি+অন্ত) শব্দকে স্থান দেওয়া হয়েছে। আদ্যন্ত স্থান পেলে আদ্যক্ষর কী দোষ করল? উপসংহার: ব্যাকরণিক গঠন অনুযায়ী আদ্যক্ষর ও আদ্যাক্ষর উভয় বানানই শুদ্ধ। তবে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানে কেবল আদ্যাক্ষর শব্দকে স্থান দেওয়া হয়েছে।
11. সভয়ে লোকটু বলল, বাঘ আসছে। এখানে 'সভয়ে' পদটি কোন বিশেষণের উদাহরণ?
ক)
বিশেষ্যের বিশেষণ
খ)
ক্রিয়া বিশেষণ
গ)
বিশেষণের বিশেষণ
ঘ)
নাম বিশেষণ
উত্তর:
ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা:
যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষত করে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
12. ধ্বনি হলো-
ক)
দুটি শব্দের মিলন
খ)
ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ
গ)
অর্থবোধক সমষ্টি
ঘ)
ভাষার লিখিত রূপ
উত্তর:
ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ
ব্যাখ্যা:
ধ্বনি হলো কোনো ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ বা একক, যা মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত হয় এবং যা বিশ্লেষণ করলে আর ভাঙা যায় না; এটি ভাষার মূল উপাদান এবং এর লিখিত রূপকে 'বর্ণ' বলা হয়, যা সাধারণত দুই প্রকার: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
13. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয় সংগীতের সুর নিয়েছেন কোন গানের সুর থেকে?
ক)
বাউল
খ)
মুর্শিদি
গ)
ভাটিয়ালি
ঘ)
ভাওয়াইয়া
উত্তর:
বাউল
ব্যাখ্যা:
আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গাঁথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।
14. সকালে পাখিরা কিচিরমিচির করছে।
ক)
Birds twitter at dawn.
খ)
Birds shout at dawn.
গ)
Birds cry at dawn.
ঘ)
Birds sing at dawn.
উত্তর:
Birds twitter at dawn.
ব্যাখ্যা:
twitter শব্দের অর্থ হচ্ছে - পাখির কিচিরমিচির শব্দ। সুতরাং সঠিক উত্তর হচ্ছে - Birds twitter at dawn
15. কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক)
বিকেন্দ্রীকরণ
খ)
বিকেন্দ্রিকরণ
গ)
বিকেন্দ্রীকরন
ঘ)
বীকেন্দ্রীকরণ
উত্তর:
বিকেন্দ্রীকরণ
ব্যাখ্যা:
বিকেন্দ্রীকরণ: (বিশেষ্য পদ) কেন্দ্রের প্রাধান্য হ্রাসকরণ, কেন্দ্র হতে দূরে অপসারণ।
16. 'ব্যাকরণ' শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কী?
ক)
সাধারণ বিশ্লেষণ
খ)
বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
গ)
সাধারণ সংশ্লেষণ
ঘ)
বিশেষভাবে সংশ্লেষণ
উত্তর:
বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
ব্যাখ্যা:
ব্যাকরণ শব্দের ব্যুৎপত্তি হল বি-আ-√কৃ+অনট্। এর অর্থ হল বিশেষ ভাবে আকার দান করা। ব্যাকরণের কাজ হল ভাষাকে বিধিবদ্ধ আকার দান করা।
17. 'কিন্ডারগার্টেন' কোন ভাষা থেকে আগত?
ক)
জার্মানি
খ)
ইংরেজি
গ)
পর্তুগিজ
ঘ)
ওলন্দাজ
উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা:
এ শব্দটি জার্মান, যার অর্থ হচ্ছে শিশুদের বাগান। 'কিন্ডারগার্টেন' শব্দটি বিখ্যাত জার্মান শিশু-শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব ফ্রেডরিখ ফ্রোয়েবল কর্তৃক সৃষ্ট হয়েছে।
18. 'রাশি রাশি ভারা ভারা, ধান কাটা হলো সারা'- এখানে 'রাশি রাশি' -
ক)
অনুকার অব্যয়
খ)
সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
গ)
নির্ধারক বিশেষণ
ঘ)
সাপেক্ষ সর্বনাম
উত্তর:
নির্ধারক বিশেষণ
ব্যাখ্যা:
নির্ধারক বিশেষণ : দ্বিরুক্ত শব্দ ব্যবহার করে যখন একের বেশি কোনো কিছুকে বোঝানো হয় তাকে নির্ধারক বিশেষণ বলে। যেমন- রাশি রাশি ভারা ভারাধান (সোনার তরী)
19. 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থের লেখক-
ক)
শেখ মুজিবুর রহমান
খ)
সৈয়দ শামসুল হক
গ)
রফিক আজাদ
ঘ)
হুমায়ুন
উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা:
”অসমাপ্ত আত্মজীবনী” গ্রন্থের রচয়িতা শেখ মুজিবুর রহমান । অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন। ২০১২ সালের জুনে এ বইটি প্রকাশিত হয়। এ পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চিনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্পেনীয়, অসমীয়া ও রুশ ভাষায় বইটির অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
20. 'পৃথিবীতে কে কাহার?' এই বাক্যে 'পৃথিবীতে' পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক)
অপাদানে ৭মী
খ)
কর্মে ৫মী
গ)
কর্মে ৭মী
ঘ)
অধিকরণে ৭ মী
উত্তর:
অধিকরণে ৭ মী
ব্যাখ্যা:
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন - বাড়িতে কেউ নেই। (আধারাধিকরণ) বসন্তে কোকিল ডাকে। (কালাধিকরণ) সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। (ভাবাধিকরণ)