Exams Post Study Jobs Leaderboard Shop

সাধারণ বিজ্ঞান 05

BCS Exam 10 Questions By Circle of BCS

সাধারণ বিজ্ঞান 05 For those studying or preparing for, this page contains 10 important questions and answers arranged in sequence. Each question is accompanied by the correct answer and, where necessary, a detailed explanation to help clarify your concepts. Read carefully and assess your own preparation.

1. সাবানের কম্পোজিশন বা রাসায়নিক নাম কী?

a) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
b) আয়রন স্টিয়ারেট
c) সোডিয়াম বাইকার্বোনেট
d) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
Answer: সোডিয়াম স্টিয়ারেট
Explanation: সাবানের রাসায়নিক কম্পোজিশন বা নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট। সাবান মূলত চর্বি বা তেলের সঙ্গে শক্ত ক্ষার (যেমন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড) বিক্রিয়ার ফলে তৈরি হয়, যাকে স্যাপোনিফিকেশন বলা হয়। এই বিক্রিয়ায় ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম লবণ উৎপন্ন হয়, যার একটি সাধারণ উদাহরণ সোডিয়াম স্টিয়ারেট। এটি পানিতে আংশিক দ্রবণীয় এবং ময়লা ও তেল দূর করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে আয়রন স্টিয়ারেট সাবান নয়, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বেকিং সোডা এবং পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড সাবান তৈরির কাঁচামাল- সাবান নয়। সাবান: সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। -সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত 个 হচ্ছে। দৈনন্দিন কাজে যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।

2. থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?

a) ফসফরাস-৩২
b) কার্বন-১৪
c) আয়োডিন-১৩১
d) কোবাল্ট-৬০
Answer: আয়োডিন-১৩১
Explanation: তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: - শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার শনাক্ত করতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা হয়। থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। রক্তের লিউকেমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট যৌগ ব্যবহৃত হয়। দেহের হাড়ের বৃদ্ধি সংক্রান্ত সমস্যা নির্ণয় এবং ব্যথার কারণ চিহ্নিত করতে টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। মস্তিষ্কের ক্যান্সার চিকিৎসায় ইরিডিয়াম আইসোটোপ প্রয়োগ করা হয়। উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

3. সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলা হয়?

a) এভিকালচার
b) পিসিকালচার
c) প্রণকালচার
d) মেরিকালচার
Answer: মেরিকালচার
Explanation: আধুনিক কৃষি ও চাষব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি: সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। পাখিপালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার।

4. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের শতকরা পরিমাণ কত?

a) ০.০৩%
b) ৭৮.০২%
c) ০.৮০%
d) ২০.৭১%
Answer: ২০.৭১%
Explanation: বায়ুমণ্ডল: - পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। - বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। - বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। - বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভকরেছে। - ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। - ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্বাচ বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।

5. শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করতে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?

a) ওডোমিটার
b) ট্যাকোমিটার
c) অডিওমিটার
d) ম্যানোমিটার
Answer: অডিওমিটার
Explanation: বিভিন্ন নির্ণায়ক যন্ত্র: শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করতে অডিওমিটার ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার। - উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। - মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র ক্রনোমিটার। উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র- হাইড্রোমিটার। পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র গ্রাডিমিটার।

6. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়?

a) স্ট্রাটোমণ্ডল
b) এক্সোমণ্ডল
c) মেসোমণ্ডল
d) ট্রপোমণ্ডল
Answer: এক্সোমণ্ডল
Explanation: এক্সোমণ্ডল (Exosphere): - তাপমণ্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমণ্ডল বলে। - বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়। এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: এক্সোমণ্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়। এটি ক্রমান্বয়ে ইন্টারপ্লানেটারি স্পেসে প্রবেশ করে। - এই স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। - এই স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

7. নিচের কোন গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই?

a) বৃহস্পতি
b) শনি
c) শুক্র
d) বুধ
Answer: বুধ
Explanation: 'বুধ' গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই। বুধ গ্রহ: সৌরজগতের গ্রহ ৮টি। - সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ। - সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। - বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। - সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন। - বুধ গ্রহে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি কোনো কিছু নেই। অন্যদিকে, পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। - সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। - বৃহস্পতি গ্রহের অনেকগুলো উপগ্রহ রয়েছে।

8. অণুচক্রিকার প্রধান কাজ কী?

a) পুষ্টি পরিবহন করা
b) অ্যান্টিবডি তৈরি করা
c) রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করা
d) রক্তের জমাট বাঁধায় সাহায্য করা
Answer: রক্তের জমাট বাঁধায় সাহায্য করা
Explanation: অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট: - অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইটকে ইংরেজিতে প্লেটলেট (Platelet) বলে। - অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইটগুলো গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে। এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু-মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না। অনেকের মতে, অণুচক্রিকাগুলো সম্পূর্ণ কোষ নয়; এগুলো অস্থিমজ্জার বৃহদাকার কোষের ছিন্ন অংশ। - অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় দেড় থেকে সাড়ে চার লাখ, আবার অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা সাধারণত আরো বেশি বা কম হয়। - অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা। - যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন

9. ভিটামিনসমূহ কোন ধরনের পদার্থ?

a) খনিজ লবণ
b) পানি
c) জৈব রাসায়নিক পদার্থ
d) অজৈব রাসায়নিক পদার্থ
Answer: জৈব রাসায়নিক পদার্থ
Explanation: খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন: খাদ্যে শর্করা, আমিষ, স্নেহ পদার্থ, খনিজ লবণ ছাড়াও আরও এক প্রকার সূক্ষ্ম জাতীয় উপাদানের প্রয়োজন যা খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন। এই খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিনের অভাবে শরীর নানা রোগে (যেমন-রাতকানা, বেরিবেরি, স্কার্ভি ইত্যাদি) আক্রান্ত হয়। - ভিটামিন বলতে খাদ্যের ঐ সব জৈব রাসায়নিক পদার্থকে বুঝায় যা খাদ্যে সামান্য পরিমাণে উপস্থিত থাকে। - ভিটামিনসমূহ প্রত্যক্ষভাবে দেহ গঠনে অংশগ্রহণ না করলেও এদের অভাবে দেহের ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন বা তাপশক্তি উৎপাদন ইত্যাদি বিভিন্ন ক্রিয়াগুলো সুসম্পন্ন হতে পারে না। ভিটামিনের প্রকারভেদ: - দ্রবণীয়তার গুণ অনুসারে ভিটামিনকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. স্নেহ জাতীয় পদার্থে দ্রবণীয় ভিটামিন: যেমন- ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, এবং ভিটামিন কে। ↑ ২. পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: যেমন- ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি।

10. নিচের কোনটি অর্ধপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ নয়?

a) সোডিয়াম
b) সিলিকন
c) গ্যালিয়াম আর্সেনাইড
d) জার্মেনিয়াম
Answer: সোডিয়াম
Explanation: অর্ধপরিবাহী: - যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। - অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। এমন কিছু সংকর ধাতু আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

We hope সাধারণ বিজ্ঞান 05 these questions and answers will be helpful for your preparation. For more important study material, model tests, and study updates, browse the other categories on our website. If you have any feedback or corrections, please let us know via the 'Report' option below each question.

Error Correction Report

Disha

Online · instant answers

I'm Disha 👋

I guide you around Asopori. Ask in English or Banglish — however you like.