1. কেন্তুমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত ?
ক)
হিত্তিক ও তুখারিক
খ)
তামিল ও দ্রাবিড়
গ)
আর্য ও অনার্য
ঘ)
মাগধী ও গৌড়ী
উত্তর:
হিত্তিক ও তুখারিক
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: হিত্তিক ও তুখারিক হচ্ছে কেন্তুমের এশীয় অঞ্চলের শাখা এবং হেল্লেনিক, ইতালো-কেল্টিক, টিউটোনিক বা জার্মানিক কেন্তুমের ইউরোপীয় শাখা। তামিল ও দ্রাবিড়, আর্য ও অনার্য এবং মাগধী ও গৌড়ী শতমের শাখা।
2. ‘রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’ - এর অর্থ কী ?
ক)
তেজি কুমিরকে রুখে দিই
খ)
বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
গ)
গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
ঘ)
ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়
উত্তর:
গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’ - এর অর্থ গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়। চর্যাপদের মহিলা কবি কুক্কুরীপা রচিত পদে উক্ত কথাটি পাওয়া যায়।
3. মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী ?
ক)
‘মনসামঙ্গল’
খ)
‘মনসাবিজয়’
গ)
‘পদ্মাপুরাণ’
ঘ)
‘পদ্মাবতী’
উত্তর:
‘পদ্মাপুরাণ’
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: মনসামঙ্গলের একজন সর্বাধিক পরিচিত কবি হিসাবে বিজয়গুপ্ত-এর খ্যাতি। তাঁর মনসামঙ্গল (বা পদ্মাপুরাণ) বাংলার জনপ্রিয় কাব্যগুলির মধ্য অন্যতম। গল্পরস সৃজনে, করুণরস ও হাস্যরসের প্রয়োগে, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক জীবনের পরিচয়ে, চরিত্র চিত্রণে এবং পাণ্ডিত্যের গুণে বিজয়গুপ্তের পদ্মাপুরাণ একটি জনপ্রিয় কাব্য। বিজয়গুপ্তের পূর্বে আমরা পাই আদি মঙ্গল কবি কানাহরি দত্ত ও বিপ্রদাস পিপিলাইকে। ‘মনসাবিজয়’ এর রচয়িতা বিপ্রদাস পিপিলাই।
4. দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন ?
ক)
সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
খ)
কোরেশী মাগন ঠাকুর
গ)
সুলতান বরবক শাহ
ঘ)
জমিদার নিজাম শাহ
উত্তর:
জমিদার নিজাম শাহ
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: দৌলত উজির বাহরাম খানের লেখা থেকে জানা যায় তিনি জমিদার নিজাম শাহ্ এর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন। তিনি নিজাম শাহ্ এর থেকেই দৌলত উজির উপাধি পেয়েছিলেন।
5. ‘চর্যাপদে’র প্রাপ্তিস্থান কোথায় ?
ক)
বাংলাদেশ
খ)
নেপাল
গ)
উড়িষ্যা
ঘ)
ভুটান
উত্তর:
নেপাল
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন।
6. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী ?
ক)
পণ্ডিত
খ)
বিদ্যাসাগর
গ)
শাস্ত্রজ্ঞ
ঘ)
মহামহোপাধ্যায়
উত্তর:
মহামহোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ – ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১) ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভাষাতত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক।
7. “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” - কে এই দামাল ছেলে ?
ক)
কাজী নজরুল ইসলাম
খ)
কামাল পাশা
গ)
চিত্তরঞ্জন দাস
ঘ)
সুভাষ বসু
উত্তর:
কামাল পাশা
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই,” এটি বিদ্রোহী কবি নজরুল রচিত কবিতা ‘কামাল পাশা’র অন্তর্ভুক্ত লাইন। এখানে দামাল ছেলে বলতে কামাল ভাই অর্থাৎ কামাল পাশাকে বুঝিয়েছেন। কামাল পাশা কবিতাটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
8. সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী ?
ক)
‘শনিবারের চিঠি’
খ)
রবিবারের ডাক
গ)
বিজলি
ঘ)
বঙ্গদর্শন
উত্তর:
‘শনিবারের চিঠি’
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: শনিবারের চিঠি ছাড়াও তিনি বঙ্গশ্রী, শারদীয়া আনন্দবাজার পত্রিকা, অলকা, প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। এছাড়াও চিত্রলেখা, বিজলী, যুগবাণী, যুগান্তর প্রভৃতি পত্রিকার প্রকাশনায় তার বড়ো ভূমিকা ছিলো।
9. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন ?
ক)
চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া
খ)
কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা
গ)
বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
ঘ)
দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি
উত্তর:
বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: ১৮২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর (১২২৭ বঙ্গাব্দের ১২ আশ্বিন, মঙ্গলবার) ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির বীরসিংহ গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় শর্মা জন্মগ্রহণ করেন।এই গ্রামটি অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত হলেও, সেই যুগে ছিল হুগলি জেলার অন্তর্ভুক্ত। ঈশ্বরচন্দ্রের পিতার নাম ছিল ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতার নাম ছিল ভগবতী দেবী। বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের আদি নিবাস ছিল অধুনা হুগলি জেলার বনমালীপুর গ্রাম। ঈশ্বরচন্দ্রের পিতামহ রামজয় তর্কভূষণ ছিলেন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে সুপণ্ডিত ব্যক্তি।
10. “তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।” -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ ?
ক)
‘অনন্ত প্রেম’
খ)
‘উপহার’
গ)
‘ব্যক্ত প্রেম’
ঘ)
‘শেষ উপহার’
উত্তর:
‘অনন্ত প্রেম’
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যা: প্রশ্নে উল্লিখিত চরণ দুটি অনন্তপ্রেম কবিতার অংশ। কবিতাটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় তিঁনি নিজের যৌবন থেকে শেষ জীবন পর্যন্ত নিজের ভালোলাগা বা ভালোবাসার প্রতিটি মুহুর্তকে তুলে ধরেছেন।