1. উঞ্চ উঞ্চ পাবত তঁহি বসই শবরী বালী’—এখানে ‘শবরী বালী’র লৌকিক অর্থ কী?
ক)
বৌদ্ধ ভিক্ষুণী
খ)
নিম্নবর্ণের বালিকা
গ)
পর্বতে থাকা পাখি
ঘ)
বনের দেবী
উত্তর:
নিম্নবর্ণের বালিকা
ব্যাখ্যা:
এই পঙ্ক্তিটির আক্ষরিক অর্থ হলো— “উঁচু উঁচু পর্বতে শবরী বালিকা বাস করে।” ১. শবরী: প্রাচীন বাংলায় ‘শবর’ ছিল একটি আদিবাসী বা ব্যাধ জাতি যারা পাহাড়ে শিকার করে জীবনধারণ করত। ‘শবরী’ বলতে সেই জাতির কোনো নারী বা মেয়েকে বোঝানো হয়েছে। ২. বালী: ‘বালী’ শব্দের লৌকিক অর্থ হলো বালিকা বা তরুণী মেয়ে। ৩. সামাজিক চিত্র: তৎকালীন সমাজে শবররা লোকালয় থেকে দূরে পাহাড়ের চূড়ায় বাস করত। তাদের পরনে থাকত ময়ূরের পালক আর গলায় গুঞ্জা ফুলের মালা। লৌকিক অর্থে এটি পাহাড়ী এক কিশোরীর সাধারণ জীবনযাত্রার বর্ণনা।
2. "চর্যাপদ" মূলত কোন ভাষার আদলে রচিত?
ক)
প্রাকৃত
খ)
অপভ্রংশ
গ)
পালি
ঘ)
সংস্কৃত
উত্তর:
অপভ্রংশ
ব্যাখ্যা:
পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, চর্যাকারেরা 'বাঙ্গালা' ও তন্নিকটবর্তী দেশের লোক। যদিও অনেকের ভাষায় একটু-আধটু ব্যাকরণের প্রভেদ আছে, তবুও চর্যার ভাষাকে বাংলা বলে উল্লেখ করেছেন। এ অভিমতের পক্ষে তিনি কোনো যুক্তি উপস্থাপন করেননি। অন্যদিকে, সব পণ্ডিত যে তাঁর সঙ্গে অভিন্ন মত পোষণ করেছেন এমন নয়। ভাষাতাত্ত্বিক বিজয়চন্দ্র মজুমদার এ বলে মত প্রকাশ করেছেন যে, সামগ্রিকভাবে চর্যার ভাষাকে বাংলা বলা যাবে না। তাতে হিন্দি ও ওড়িয়া আছে। এটি মিশ্র ভাষা হিসেবে পরিচিত হতে পারে। ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাগীতির ভাষা নিয়ে প্রথম ভাষাতাত্ত্বিক বিশদ আলোচনা করেন দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থে। তিনি তাতে সুস্পষ্টভাবে এ অভিমত দেন যে, চর্যাগীতির ভাষা বাংলা এবং তাতে শৌরসেনী অপভ্রংশের প্রভাব রয়েছে। যেমন: আইসন, জাইসন, জিম, তিম ইত্যাদি পুরোপুরি বাংলার রূপ পাচ্ছিল না। কেননা চর্যাগীতিগুলো যখন রচিত হয় তখন বাংলা ভাষা পুরোপুরি অপভ্রংশের খোলস ত্যাগ করতে পারেনি।
3. চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ কে প্রকাশ করেন?
ক)
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
খ)
বিজয়চন্দ্র মজুমদার
গ)
মুনিদত্ত
ঘ)
প্রবোধ চন্দ্র বাগচী
উত্তর:
প্রবোধ চন্দ্র বাগচী
ব্যাখ্যা:
১৯৩৮ সালে ড প্রবোধ চন্দ্র বাগচী তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন।
4. বেঙ স সাপ চড়িল জাঅ’—এখানে লৌকিক অর্থে কোনটি বোঝানো হয়েছে?
ক)
ব্যাঙ সাপকে তাড়া করছে
খ)
ব্যাঙ সাপের পিঠে চড়ে যাচ্ছে
গ)
সাপ ব্যাঙকে খেয়ে ফেলেছে
ঘ)
সাপ ব্যাঙ এর উপর চড়েছে
উত্তর:
ব্যাঙ সাপের পিঠে চড়ে যাচ্ছে
ব্যাখ্যা:
এই চরণের সহজ অর্থ হলো— “ব্যাঙ সাপের পিঠে চড়ে যাচ্ছে।” সাধারণত প্রকৃতিতে দেখা যায় সাপ ব্যাঙকে তাড়া করে এবং ধরে খেয়ে ফেলে। কিন্তু এখানে ঠিক তার উল্টো চিত্র দেখানো হয়েছে। ব্যাঙ সাপকে ভয় পাচ্ছে না, বরং সে বীরদর্পে সাপের পিঠে আরোহণ করে চলছে। লৌকিক দৃষ্টিতে এটি একটি অসম্ভব ঘটনা বা উদ্ভট কল্পনা। ২. কেন এই অদ্ভুত বর্ণনা? (উল্টাপুরাণ) চর্যাপদে এই ধরনের অদ্ভুত বর্ণনাকে বলা হয় ‘উলোটবাঁশি’ বা ‘উল্টাপুরাণ’। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে চমকে দেওয়া এবং বোঝানো যে, আধ্যাত্মিক জগতের নিয়ম জাগতিক নিয়মের চেয়ে একদম আলাদা।
5. চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কে?
ক)
লুইপা
খ)
কাহ্নপা
গ)
ভুসুকুপা
ঘ)
শবরপা
উত্তর:
কাহ্নপা
ব্যাখ্যা:
কাহ্নপার পদ সং্খ্যা ১৩টি যার মধ্যে ২৪ নং পদ পাওয়া যায়নি
6. চর্যাপদ যে বাংলায় ভাষায় রচিত এটা প্রথম কে প্রমাণ করেন?
ক)
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
খ)
সুকুমার সেন
গ)
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ)
ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর:
ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
১৯২৬ সালে ODBL গ্রন্থে তিনি প্রমাণ করেন যে চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
7. চর্যাপদের কোন নদীর নাম উল্লেখ রয়েছে?
ক)
মেঘনা
খ)
যমুনা
গ)
পদ্মা
ঘ)
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর:
পদ্মা
8. ‘কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল’—লুইপার এই পঙ্ক্তিতে ‘পাঞ্চ বি ডাল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক)
পাঁচটি প্রধান ধর্মগ্রন্থ
খ)
পাঁচটি ইন্দ্রিয়
গ)
পাঁচটি প্রধান নদী
ঘ)
পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ
উত্তর:
পাঁচটি ইন্দ্রিয়
ব্যাখ্যা:
পাঁচটি ইন্দ্রিয় বা জ্ঞানেন্দ্রিয় ব্যাখ্যা: লুইপা এখানে মানবদেহকে একটি গাছের (তরুবর) সাথে তুলনা করেছেন। যেমন একটি গাছের পাঁচটি ডাল থাকে, তেমনি মানুষের দেহে পাঁচটি ইন্দ্রিয় (চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা ও ত্বক) থাকে যা মানুষকে চঞ্চল করে রাখে এবং সাধনায় বিঘ্ন ঘটায়।
9. 'ভাঙা' শব্দের বানান কেন সঠিক
ক)
প বর্গীয় বর্ণের পরে ঙ হয়
খ)
চলিত রীতিতে কিছু শব্দের শেষে ঙ ব্যবহৃত হয়
গ)
শব্দের শেষে সব সময় ঙ হয়
ঘ)
উপরের তথ্য গুলো কোনটিই সঠিক নয়
উত্তর:
চলিত রীতিতে কিছু শব্দের শেষে ঙ ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা:
চলিত রীতিতে কিছু শব্দের শেষে ঙ হয় যেমন: লাঙল, রাঙা অনুস্বার হয়না
10. অংক’ বানানটি বর্তমানে কেন অশুদ্ধ বলে গণ্য করা হয়?
ক)
যুক্তব্যঞ্জনে ‘ক’ বর্গের পূর্বে ‘ঙ বসে
খ)
সন্ধিগঠিত শব্দে ম এর স্থলে ঙ বসে
গ)
চালিত রীতিতে কিছু শব্দে ং হয় না
ঘ)
অ,আ এর পরে ং এর স্থলে ঙ হয়
উত্তর:
যুক্তব্যঞ্জনে ‘ক’ বর্গের পূর্বে ‘ঙ বসে
ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি ও সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, যদি একটি যুক্তবর্ণের শেষ বর্ণটি 'ক', 'খ', 'গ' বা 'ঘ' হয়, তবে তার ঠিক আগে নাসিক্য বর্ণ হিসেবে কেবল 'ঙ' বসতে পারে। 'অংক' লিখলে আমরা 'ঙ'-এর জায়গায় অনুস্বার (ং) বসিয়ে ফেলি, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
11. কোন বানানটি শুদ্ধ
ক)
শুশ্রুষা
খ)
মরুদ্যান
গ)
সুচিস্মিতা
ঘ)
নিক্বণ
উত্তর:
নিক্বণ
ব্যাখ্যা:
শুশ্রূষা, শুচিস্মিতা, মরূদ্যান সঠিক
12. শুদ্ধ বানান কোনটি
ক)
মুহুর্মুহু
খ)
মুহুর্মহু
গ)
মুহূর্মুহু
ঘ)
মূহুর্মূহু
উত্তর:
মুহুর্মুহু
13. কোনটি শুদ্ধ বানান
ক)
কনীনিকা
খ)
কনিনীকা
গ)
কণিনিকা
ঘ)
কনিনিকা
উত্তর:
কনীনিকা
14. Identify the common gender
a)
Doe
b)
Bee
c)
Gander
d)
Fowl
Answer:
Fowl
Explanation:
Common Gender (উভয় লিঙ্গ): যে শব্দ দিয়ে পুরুষ বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝানো যায়। 'Fowl' (পাখি বা গৃহপালিত পাখি) শব্দটি দিয়ে পুরুষ বা স্ত্রী যেকোনোটিকেই বোঝানো হতে পারে। অন্যান্য অপশন: Doe (স্ত্রী হরিণ/খরগোশ) - Feminine; Bee (মৌমাছি, সাধারণত স্ত্রী মৌমাছি বোঝায়) - Feminine; Gander (রাজহাঁস) - Masculine।
15. Identify the feminine gender-
a)
Vicereine
b)
Abbot
c)
Buck
d)
Stag
Answer:
Vicereine
Explanation:
Vicereine: এটি 'Viceroy' (ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি) এর স্ত্রীলিঙ্গ। অন্যান্য অপশন: Abbot (মঠাধ্যক্ষ) - Masculine; Buck (পুরুষ হরিণ/খরগোশ) - Masculine; Stag (পুরুষ হরিণ) - Masculine
16. Which one is feminine gender?
a)
Peer
b)
Spinster
c)
Boar
d)
Parent
Answer:
Spinster
Explanation:
Which one is feminine gender?
17. Which word has the identical singular and plural form?
a)
Phenomenon
b)
Alumnus
c)
Species
d)
Criterion
Answer:
Species
Explanation:
Species (প্রজাতি): কিছু ল্যাটিন শব্দ আছে যাদের Singular এবং Plural রূপ একই থাকে। 'Species' শব্দটির একবচন এবং বহুবচন উভয়ই 'Species'। একইভাবে Series, Deer, Sheep, Apparatus ইত্যাদি শব্দেরও রূপ পরিবর্তন হয় না। অন্যান্য অপশন: * Phenomenon (Singular) -> Phenomena (Plural)। Alumnus (Singular) -> Alumni (Plural)। Criterion (Singular) -> Criteria (Plural)।
18. Choose the correct plural form of 'Index':
a)
Indexs
b)
Indices
c)
Indexes
d)
Both B,C
Answer:
Both B,C
Explanation:
Index এর দুটি বহুবচন রূপই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। গাণিতিক বা বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে Indices বেশি ব্যবহৃত হয়, আর সাধারণ বইয়ের সূচিপত্র বোঝাতে Indexes ব্যবহৃত হয়。
আরও পড়ুন:
19. ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
ক)
১.২৩
খ)
১.২২
গ)
১.১২
ঘ)
১.৪৭
উত্তর:
১.২২
ব্যাখ্যা:
দেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১৯৭৪ সালে। • সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় - ১৫-২১ জুন, ২০২২। • জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI). • গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি। • দেশে মোট জনসংখ্যা - ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন। • বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.২২%। • জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - (৬৮.৩৪%) • জনসংখ্যার মধ্যে শহর অঞ্চলে বসবাস করে - (৩১.৬৬%) • সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে যে বিভাগে - ঢাকা বিভাগ • সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে যে বিভাগে - বরিশাল বিভাগ • সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে যে সিটি কর্পোরেশনে - ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে
20. বাংলাদেশের কোন বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
ক)
বরিশাল
খ)
সিলেট
গ)
রাজশাহী
ঘ)
রংপুর
উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা:
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। ঘনবসতি: সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায় এবং সবচেয়ে কম রাঙ্গামাটি জেলায়। বিভাগীয় তথ্য: জনসংখ্যা ও ঘনত্ব দুই দিক থেকেই শীর্ষে ঢাকা বিভাগ এবং সর্বনিম্ন বরিশাল বিভাগ। সিটি কর্পোরেশন: সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা ঢাকা উত্তর এবং ঘনত্বে শীর্ষে ঢাকা দক্ষিণ।
21. সাঙগ্রাই' উৎসবটি কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান উৎসব?
ক)
মারমা
খ)
চাকমা
গ)
মুরং
ঘ)
খাসিয়া
উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা:
বাসস্থান: বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকা। • পরিচয়: নিজেদের 'মারুচা'' বলে। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ। • ভাষা: তিব্বতী-বর্মী গ্রুপের ভাষা। বর্তমানে নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে এবং ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবই আছে।
22. নিচের কোন জেলায় কন্দ নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
ক)
চট্টগ্রাম
খ)
বান্দরবান
গ)
রাঙামাটি
ঘ)
মৌলভীবাজার
উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা:
পরিচয় ও আদিবাস: কন্দ বাংলাদেশের একটি অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। এদের আদি নিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যে। বাংলাদেশে আগমন: উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এরা চা ও রেল শ্রমিক হিসেবে বাংলাদেশে আসে। বর্তমানে এদের মূলত মৌলভীবাজার (শ্রীমঙ্গল উপজেলা) এবং কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চা বাগানে দেখা যায়। অন্যান্য নাম: স্থানীয়ভাবে এরা 'কুই' নামে পরিচিত। আবার কোথাও কোথাও এদেরকে 'উড়িয়া' নামেও ডাকা হয়। সামাজিক ব্যবস্থা: কন্দ সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পরিবারের পুত্রসন্তানরাই উত্তরাধিকারী হয়। এরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। ধর্ম ও সংস্কৃতি: এরা হিন্দুদের মতো বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা করে। এদের নিজস্ব ভাষায় এসব দেব-দেবীর নাম রয়েছে, যেমন— ময়মুরবিবি, ত্রিনাথ ইত্যাদি। সাদৃশ্য: মধ্যভারতের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী যেমন— ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাথে কন্দদের মিল পাওয়া যায়।
23. খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার -
ক)
৩.৪
খ)
৫.৬
গ)
৪.৬
ঘ)
৬.৪
উত্তর:
৫.৬
ব্যাখ্যা:
সরকার অর্থনীতির কাঠামোগত ‘খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২’ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ
24. খাসিয়া জনগোষ্ঠীর গ্রামকে কী বলা হয়?
ক)
টোল
খ)
পাড়া
গ)
পুঞ্জি
ঘ)
মহল্লা
উত্তর:
পুঞ্জি
ব্যাখ্যা:
খাসিয়া: মাতৃতান্ত্রিক সমাজ; মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। এদের গ্রামকে 'পুঞ্জি' বলা হয় এবং প্রধানকে বলা হয় 'সিয়েম'। প্রধান উৎসব: খাসি সেং কুটস্নেম।
25. সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় কত সালে?
ক)
১৯৯২
খ)
১৯৯১
গ)
১৯৯৩
ঘ)
১৯৮৯
উত্তর:
১৯৯৩
ব্যাখ্যা:
প্রাথমিক শিক্ষা আইন আইন প্রণয়ন: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০। পাইলট প্রজেক্ট: ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি (প্রতি জেলায় একটি করে থানায় শুরু)। দেশব্যাপী কার্যকর: ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা সারাদেশে চালু হয়।
26. নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
ক)
খাসিয়া
খ)
মারমা
গ)
চাকমা
ঘ)
ওরাও
উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা:
খাসিয়া ও গারো মাতৃতান্ত্রিক
27. রাস নৃত্য কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন?
ক)
মারমা
খ)
সাওতাল
গ)
মণিপুরী
ঘ)
চাকমা
উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা:
বাসস্থান: বৃহত্তর সিলেট (মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া; হবিগঞ্জের চুনারুঘাট; সুনামগঞ্জের ছাতক)। • সংস্কৃতি: অত্যন্ত সমৃদ্ধ। প্রধান আকর্ষণ 'মণিপুরী নৃত্য'। নাচের প্রতিশব্দ 'জাগোই' (Jagoi)। উৎকৃষ্ট নিদর্শন 'রাসা' (Rasa) নৃত্য।
28. বাংলাদেশ কত সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক 'পোলিওমুক্ত দেশ' হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
ক)
২০১২
খ)
২০১৩
গ)
২০১৪
ঘ)
২০১৫
উত্তর:
২০১৪
ব্যাখ্যা:
বর্তমানে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় ১০টি রোগ প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। • টিকা গুলি হচ্ছে: ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টঙ্কার, পোলিও, যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, হাম ও রুবেলা • বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার - ৯৭.২ শতাংশ • ইপিআই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ফলে ২০১৪ সালে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে 'পোলিওমুক্ত দেশ' হিসেবে ঘোষণা করে এবং এ অবস্থান বজায় রয়েছে।
29. বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
ক)
২২ ক
খ)
১৮ ক
গ)
২৩ খ
ঘ)
২৩ ক
উত্তর:
২৩ ক
ব্যাখ্যা:
দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা – ৫০টি। • জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী – চাকমা • জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী যথাক্রমে – মারমাও ত্রিপুরা • জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী – বিল (৯৫ জন)। • ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় – রাঙামাটি • ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় – লালমনিরহাট
30. ওরাওঁ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান উৎসবের নাম কী এবং তারা কোন মাস থেকে বর্ষ গণনা শুরু করে?
ক)
ফাগুয়া ও ফাল্গুন মাস
খ)
সোহরাই ও কার্তিক মাস
গ)
বিজু ও চৈত্র মাস
ঘ)
ফাগুয়া ও ফাল্গুন মাস
উত্তর:
ফাগুয়া ও ফাল্গুন মাস
ব্যাখ্যা:
বাসস্থান: রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর (বরেন্দ্র অঞ্চল)। নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়। • সমাজ: গ্রাম সংগঠনকে 'পাঞ্চেস' বলে। প্রধানকে 'হেডম্যান' বা 'মাহাতোয়' বলে। পুরোহিতকে 'নাইগাস' বলে। • ভাষা ও উৎসব: ভাষা 'কুরুক'। প্রধান উৎসব 'ফাগুয়া' (ফাল্গুন মাস থেকে বর্ষ গণনা শুরু)।
31. বর্তমানে সারা দেশে কতটি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে
ক)
১৩,৫০০
খ)
১৪২৯৭
গ)
১৪৩৯৭
ঘ)
১৫২৮৭
উত্তর:
১৪২৯৭
ব্যাখ্যা:
সরকারের সর্বনিম্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক • কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয় - ১৯৯৬ সালে • কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম প্রথম চালু হয় - ১৯৯৮ সাল • গ্রামীণ জনগণকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রথম সেবা কেন্দ্র – কমিউনিটি ক্লিনিক। • বর্তমানে সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে – ১৪,২৯৭ টি • কমিউনিটি ক্লিনিক হতে ২৭ প্রকার ঔষধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়
32. পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি কত তারিখে স্বাক্ষরিত হয় এ
ক)
২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
খ)
১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
গ)
২ ডিসেম্বর ১৯৯৮
ঘ)
২৬ মার্চ ১৯৯৮
উত্তর:
২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
ব্যাখ্যা:
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি ও মন্ত্রণালয় (গুরুত্বপূর্ণ) • চুক্তি স্বাক্ষর: ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭। • মন্ত্রণালয় গঠন: ১৫ জুলাই ১৯৯৮। • চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিক: প্রায় দুই হাজার শান্তিবাহিনীর সদস্য আত্মসমর্পণ করেন এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। ভূমি মালিকানা অধিকার ও অস্থায়ী সেনাক্যাম্প প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
33. প্রশাসনিক পরিভাষায় 'Ex-officio' এর অর্থ কী?
ক)
অফিস বহির্ভূত
খ)
অফিস সহকারী
গ)
পদাধিকারবলে
ঘ)
অবসরপ্রাপ্ত
উত্তর:
পদাধিকারবলে
ব্যাখ্যা:
গ) পদাধিকারবলে ব্যাখ্যা: কেউ যদি একটি নির্দিষ্ট পদে থাকার কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য কোনো পর্ষদ বা কমিটির দায়িত্ব বা সদস্যপদ লাভ করেন, তবে তাকে 'Ex-officio' বা 'পদাধিকারবলে' বলা হয়।
34. Manifesto' শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ কোনটি?
ক)
বিজ্ঞাপন
খ)
ইশতেহার
গ)
বিবরণী
ঘ)
আদেশনামা
উত্তর:
ইশতেহার
ব্যাখ্যা:
কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠন যখন তাদের লক্ষ্য, আদর্শ ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি জনসম্মুখে লিখিতভাবে পেশ করে, তখন তাকে 'ইশতেহার' বলা হয়।
35. Ad-hoc' শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা কোনটি?
ক)
তদর্থক
খ)
অস্থায়ী
গ)
অননুমোদিত
ঘ)
যথাযথ
উত্তর:
তদর্থক
ব্যাখ্যা:
কোনো একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য যখন সাময়িকভাবে কোনো কমিটি বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তখন তাকে দাপ্তরিক ভাষায় 'তদর্থক' বা 'Ad-hoc' বলা হয়।