Exams Study Jobs Teachers Students

ব্যঞ্জনধ্বনি

Bengali Lesson 10 Questions By Pramanik’s Bangla Care

ব্যঞ্জনধ্বনি নিয়ে যারা পড়াশোনা বা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই পেজে 10টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ধারাবাহিকভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের সাথে সঠিক উত্তর এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া আছে, যা আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে সাহায্য করবে। মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন।

1. বাংলা ভাষায় স্পর্শ বর্ণের সংখ্যা কয়টি?

ক) ২৩
খ) ২৩
গ) ২৫
ঘ) ২৬
উত্তর: ২৫

2. বাংলা বর্ণমালায় পর্বের সংখ্যা কত?

ক)
খ)
গ)
ঘ)
উত্তর:

3. কন্ঠ থেকে উচ্চারিত ধ্বনি -

ক)
খ)
গ)
ঘ)
উত্তর:

4. 'জ' হলো-

ক) জিহ্বামূলীয় বর্ণ
খ) তালব্য বর্ণ
গ) দন্ত্য বর্ণ
ঘ) অস্ত বর্ণ
উত্তর: তালব্য বর্ণ

5. কোনগুলো দন্ত্যধ্বনি?

ক) ত,থ,দ,ধ,ন
খ) প,ফ,ব,ভ,ম
গ) ক,খ,গ,ঘ,ঙ
ঘ) চ,ছ,জ,ঝ,ঞ
উত্তর: ত,থ,দ,ধ,ন

6. জিহবার ডগা আর উপর-পাটি দাঁতের সংস্পর্শে উচ্চারিত হয় -

ক) গ,ঘ
খ) জ,ঝ
গ) ট,ঠ
ঘ) ত,থ
উত্তর: ত,থ

7. বাংলায় নাসিক্য ধ্বনি কয়টি?

ক) দুই
খ) তিন
গ) চার
ঘ) পাঁচ
উত্তর: পাঁচ
ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, বর্গের পঞ্চম বর্ণগুলোকে নাসিক্য ধ্বনি বলা হয়। এগুলো হলো— ঙ, ঞ, ণ, ন এবং ম। এই ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখবিবর ছাড়াও নাসারন্ধ্র বা নাক দিয়ে বের হয় বলে এদের নাসিক্য ধ্বনি বলা হয়। যদিও আধুনিক বাংলায় 'ঞ' এবং 'ণ'-এর স্বতন্ত্র নাসিক্য উচ্চারণ অনেক ক্ষেত্রে রক্ষিত হয় না, তবুও তাত্ত্বিকভাবে বর্গের এই পাঁচটি বর্ণই নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়া অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু (ঁ) পরাশ্রয়ী বর্ণ হলেও চন্দ্রবিন্দু মূলত যেকোনো স্বরধ্বনিকে অনুনাসিক করার কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই প্রধান নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি পাঁচটি।

8. বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের প্রতিবর্গের পঞ্চম বর্ণের ধ্বনিটি-

ক) ঘোষ ধ্বনি
খ) অঘোষ ধ্বনি
গ) মহাপ্রাণ ধ্বনি
ঘ) নাসিক্য ধ্বনি
উত্তর: নাসিক্য ধ্বনি

9. তাড়নজাত ব্যঞ্জনধ্বনি কোনটি?

ক) ক,ঘ
খ) চ,ছ
গ) ড়,ঢ়
ঘ) প,ফ
উত্তর: ড়,ঢ়

10. বাংলা বর্ণমালায় কয়টি 'ব' আছে -

ক)
খ)
গ)
ঘ)
উত্তর:
ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা বর্ণমালায় 'ব' বর্ণটি মাত্র একটিই আছে। প্রাচীন এবং মধ্যযুগের বাংলায় দুই ধরনের 'ব' প্রচলিত ছিল: একটি 'বর্গীয়-ব' (যা স্পর্শ বর্ণের অন্তর্ভুক্ত) এবং অন্যটি 'অন্তস্থ-ব' (যা য, র, ল-এর পরে বসত)। তবে আধুনিক বাংলা বানানের নিয়মে এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বর্ণমালা সংস্কারের পর থেকে এই দুই 'ব'-এর পার্থক্য ঘুচিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে কেবল একটি 'ব' বর্ণই বর্ণমালায় স্থান পেয়েছে। অনেক সময় শব্দের নিচে 'ব-ফলা' হিসেবে এর ব্যবহার দেখা গেলেও সেটি স্বতন্ত্র কোনো বর্ণ নয়, বরং মূল বর্ণের একটি বিশেষ রূপ।

আশা করি ব্যঞ্জনধ্বনি এর এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আপনার প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে। এ ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, মডেল টেস্ট এবং পড়াশোনার আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য ক্যাটাগরিগুলো ঘুরে দেখতে পারেন। আপনার কোনো মতামত বা সংশোধন থাকলে অবশ্যই প্রতিটি প্রশ্নের নিচে দেওয়া 'রিপোর্ট' অপশন থেকে আমাদের জানাতে পারেন।

ভুল সংশোধন রিপোর্ট